ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপের মাঝেই গাজায় প্রাণ হারালেন ফিলিস্তিনি গোলরক্ষক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৬:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

বর্তমানে পুরো বিশ্ব ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ব্যস্ত। আর এর মাঝেই গাজার ফুটবল অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসভিত্তিক ক্লাব খাদামাত খান ইউনিসের গোলকিপার সেলিম খাদের আলআশকার নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৯ জুন) খান ইউনিসের উত্তরপূর্বাঞ্চলের আলকারারা এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৩২ বছর বয়সি এই গোলরক্ষক নিহত হন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ওয়াফা। ক্যারিয়ারে আলআশকার খাদামাত খান ইউনিসের পাশাপাশি আলআকসা ও আলমুসাদ্দার স্পোর্টস ক্লাবের জার্সিতেও খেলেছেন। স্থানীয় ফুটবলে তিনি একজন পরিচিত মুখ ছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবনেও নতুন অধ্যায় শুরু করেছিলেন আলআশকার। মাত্র পাঁচ মাস আগে বিয়ে করেছিলেন তিনি। স্ত্রী তাদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন। সাত ভাইবোনের মধ্যে পরিবারের একমাত্র ছেলে ছিলেন তিনি। ফলে তার মৃত্যু পরিবারটির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে এসেছে।

ফিলিস্তিনি ক্রীড়া মহলের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় সংঘাত শুরুর পর এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ক্রীড়া অঙ্গনের ১ হাজার ৯ জন সদস্য। তাদের মধ্যে ৫৬৭ জনই ফুটবলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের মাঝেই গাজায় প্রাণ হারালেন ফিলিস্তিনি গোলরক্ষক

আপডেট সময় ১১:৫৬:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

বর্তমানে পুরো বিশ্ব ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ব্যস্ত। আর এর মাঝেই গাজার ফুটবল অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসভিত্তিক ক্লাব খাদামাত খান ইউনিসের গোলকিপার সেলিম খাদের আলআশকার নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৯ জুন) খান ইউনিসের উত্তরপূর্বাঞ্চলের আলকারারা এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৩২ বছর বয়সি এই গোলরক্ষক নিহত হন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ওয়াফা। ক্যারিয়ারে আলআশকার খাদামাত খান ইউনিসের পাশাপাশি আলআকসা ও আলমুসাদ্দার স্পোর্টস ক্লাবের জার্সিতেও খেলেছেন। স্থানীয় ফুটবলে তিনি একজন পরিচিত মুখ ছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবনেও নতুন অধ্যায় শুরু করেছিলেন আলআশকার। মাত্র পাঁচ মাস আগে বিয়ে করেছিলেন তিনি। স্ত্রী তাদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন। সাত ভাইবোনের মধ্যে পরিবারের একমাত্র ছেলে ছিলেন তিনি। ফলে তার মৃত্যু পরিবারটির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে এসেছে।

ফিলিস্তিনি ক্রীড়া মহলের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় সংঘাত শুরুর পর এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ক্রীড়া অঙ্গনের ১ হাজার ৯ জন সদস্য। তাদের মধ্যে ৫৬৭ জনই ফুটবলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।