ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘আমাদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ এখনো গড়ে ওঠেনি’, নাহিদ ইসলাম ‘রাশিয়ার কারণে রাতে ঘুমাতে পারি না’, বললেন ন্যাটোপ্রধান আট বছর পর মিলল ম্যারাডোনার সেই ভবিষ্যদ্বাণী চার আকাশযান ধ্বং’সে’র দা’বি পাকিস্তানের, সফল হা’ম’লা’র কথা বলছে কাবুল সাবেক এমপিকে আমন্ত্রণের জেরে শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানে ভাঙচুর হোলি আর্টিজানের এক দশক, জ’ঙ্গি’বা’দ কতটা বদলেছে? এবার পুরো গাজা দখলে নেওয়ার ঘোষণা ইসরায়েলি মন্ত্রীর ব্রাজিল নাকি আর্জেন্টিনা? স্বাধীন বাংলাদেশকে আগে স্বীকৃতি দেয় যে দেশ পূর্বাচলকে ঢাকা জেলার আওতায় আনছে সরকার জামায়াতের ছায়া বাজেট আর পাস হওয়া বাজেট কাছাকাছিই: শফিকুর রহমান

আট বছর পর মিলল ম্যারাডোনার সেই ভবিষ্যদ্বাণী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:১৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

আট বছর আগে বলা একটি মন্তব্য। আর আজ, ২০২৬ বিশ্বকাপে যেন সেটাই বাস্তবে দেখা যাচ্ছে। ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই পুরোনো মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

২০১৮ সালে এক সাক্ষাৎকারে বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের অতিরিক্ত বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ম্যারাডোনা।

তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন, ১৯৯৪ বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচকে ২৫ মিনিটের চারটি কোয়ার্টারে ভাগ করার প্রস্তাব দিয়েছিল, যাতে আরও বেশি বিজ্ঞাপন দেখানো যায়।

ম্যারাডোনা তখন বলেছিলেন, “আমেরিকানরা বিজ্ঞাপনের স্বার্থেই খেলাটিকে ২৫ মিনিটের চার পিরিয়ডে ভাগ করতে চেয়েছিল।”

২০২৬ বিশ্বকাপে এখন সেই মন্তব্যই নতুন করে আলোচনায়। কারণ, ম্যাচে হাইড্রেশন ব্রেক চলাকালে টেলিভিশন সম্প্রচারে বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা। অনেক ফুটবল সমর্থকের মতে, ম্যারাডোনার আশঙ্কা যেন ধীরে ধীরে বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।

তবে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলোর একটি মেক্সিকো নিয়েও কড়া মন্তব্য করেছিলেন আর্জেন্টিনার এই কিংবদন্তি।

ম্যারাডোনার ভাষায়, “মেক্সিকো এই আয়োজন পাওয়ার যোগ্য নয়। কারণ তারা বড় দলগুলোর মুখোমুখি হলেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়।”

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ফুটবল সংস্কৃতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। তার দাবি ছিল, দেশ দুটিতে ফুটবলের প্রতি সেই ঐতিহ্যগত আবেগ নেই, যা বিশ্বের শীর্ষ ফুটবল জাতিগুলোর মধ্যে দেখা যায়।

২০২০ সালে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও ডিয়েগো ম্যারাডোনার অনেক মন্তব্য এখনও আলোচনায় ফিরে আসে। ২০২৬ বিশ্বকাপে বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে নতুন বিতর্কের মধ্যেই আট বছর আগের সেই সতর্কবার্তা আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে—ম্যারাডোনা শুধু মাঠের কিংবদন্তিই ছিলেন না, ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়েও তার ছিল স্পষ্ট কিছু দৃষ্টিভঙ্গি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমাদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ এখনো গড়ে ওঠেনি’, নাহিদ ইসলাম

আট বছর পর মিলল ম্যারাডোনার সেই ভবিষ্যদ্বাণী

আপডেট সময় ০৪:১৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

আট বছর আগে বলা একটি মন্তব্য। আর আজ, ২০২৬ বিশ্বকাপে যেন সেটাই বাস্তবে দেখা যাচ্ছে। ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই পুরোনো মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

২০১৮ সালে এক সাক্ষাৎকারে বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের অতিরিক্ত বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ম্যারাডোনা।

তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন, ১৯৯৪ বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচকে ২৫ মিনিটের চারটি কোয়ার্টারে ভাগ করার প্রস্তাব দিয়েছিল, যাতে আরও বেশি বিজ্ঞাপন দেখানো যায়।

ম্যারাডোনা তখন বলেছিলেন, “আমেরিকানরা বিজ্ঞাপনের স্বার্থেই খেলাটিকে ২৫ মিনিটের চার পিরিয়ডে ভাগ করতে চেয়েছিল।”

২০২৬ বিশ্বকাপে এখন সেই মন্তব্যই নতুন করে আলোচনায়। কারণ, ম্যাচে হাইড্রেশন ব্রেক চলাকালে টেলিভিশন সম্প্রচারে বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা। অনেক ফুটবল সমর্থকের মতে, ম্যারাডোনার আশঙ্কা যেন ধীরে ধীরে বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।

তবে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলোর একটি মেক্সিকো নিয়েও কড়া মন্তব্য করেছিলেন আর্জেন্টিনার এই কিংবদন্তি।

ম্যারাডোনার ভাষায়, “মেক্সিকো এই আয়োজন পাওয়ার যোগ্য নয়। কারণ তারা বড় দলগুলোর মুখোমুখি হলেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়।”

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ফুটবল সংস্কৃতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। তার দাবি ছিল, দেশ দুটিতে ফুটবলের প্রতি সেই ঐতিহ্যগত আবেগ নেই, যা বিশ্বের শীর্ষ ফুটবল জাতিগুলোর মধ্যে দেখা যায়।

২০২০ সালে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও ডিয়েগো ম্যারাডোনার অনেক মন্তব্য এখনও আলোচনায় ফিরে আসে। ২০২৬ বিশ্বকাপে বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে নতুন বিতর্কের মধ্যেই আট বছর আগের সেই সতর্কবার্তা আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে—ম্যারাডোনা শুধু মাঠের কিংবদন্তিই ছিলেন না, ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়েও তার ছিল স্পষ্ট কিছু দৃষ্টিভঙ্গি।