ঢাকা , রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দ্বিতীয়বার বিয়ের ৪ মাস না যেতে আবারও বিচ্ছেদ, যা বললেন স্ত্রী সাবিকুন্নাহার অস্ত্র কিংবা ছুরি নয়, রক্তভর্তি সিরিঞ্জ নিয়ে ছিনতাই গাজীপুরে পাঁচ খুন: ঘটনাস্থলে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ভয় ধরাচ্ছে নতুন হান্টাভাইরাস, যা বলছে ডব্লিউএইচও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামবে এনসিপি’ দেশকে ধ্বংসস্তূপ থেকে টেনে তোলাই বিএনপির নতুন চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল স্কুলশিক্ষার্থী নাহিদের সন্ধান চায় পরিবার পরকীয়ার জেরে যুবককে হত্যা করে পুঁতে রাখলো মাটিতে, দম্পতি আটক বিপর্যয়ের পর শক্তিশালী রাজনৈতিক মঞ্চ গঠনের ডাক মমতার ছেলের ‘দায়’ মেটাতে বৃদ্ধ বাবাকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার সংস্কার করতে চায় না: আখতার হোসেন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৫৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সংস্কার থেকে সরে দাঁড়াচ্ছে, তারা নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ভোগ করতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। রোববার (৩ মে) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এনসিপি আয়োজিত জাতীয় কনভেনশনে তিনি এসব কথা বলেন। 

আখতার হোসেন বলেন, গণভোট হয়ে যাওয়ার পর বিএনপি কোন বিষয়ে রাজি বা কোন বিষয়ে নারাজনিমরাজি সেটা আর মুখ্য বিষয় হতে পারে না। বাস্তবতা হলো ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার আর সংস্কার করতে চায় না। তারা ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশভাবে উপভোগ করতে চায়। কিন্তু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের উপরে যে দায়িত্ব অর্পিত হয়, সেটাকে ক্ষমতার দৃষ্টিতে দেখার যে মানসিকতা, সেখান থেকে তারা এখনও বের হয়ে আসতে পারেন নি।

তিনি জানান, ঐকমত্য কমিশনে আলোচনার সময় এনসিপি বারবার বলেছিল যে, দেশের বর্তমান সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণের জন্য গণপরিষদের মাধ্যমে নতুন সংবিধান প্রণয়ন প্রয়োজন। তবে বিএনপি সংসদের মাধ্যমেই সংবিধান সংশোধনের পক্ষে অবস্থান নেয়। তিনি বলেন, আলোচনা চলাকালে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যের বিষয় সামনে এলে প্রশ্ন ওঠে, শুধু সংশোধনীর মাধ্যমে টেকসই সমাধান সম্ভব কি না। এ অবস্থায় সংসদীয় সংশোধন ও গণপরিষদের নতুন সংবিধানের মাঝামাঝি একটি প্রস্তাবে দলগুলো একমত হয়, যা ছিল সংবিধান সংস্কার পরিষদ। 

আখতার হোসেন আরও বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি গণভোটেহ্যাঁএর পক্ষে ছিল, কারণ তখন তারা জানতনাবললে জনগণের সমর্থন হারাতে হবে। তবে নির্বাচন শেষে জনগণ নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে এমনটি ভাবার কোনো সুযোগ নেই। জনগণ সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভবিষ্যতে সরকার কতটা কার্যকর আইন প্রণয়ন করতে পারে, সেটি তারা দেখবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিতীয়বার বিয়ের ৪ মাস না যেতে আবারও বিচ্ছেদ, যা বললেন স্ত্রী সাবিকুন্নাহার

ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার সংস্কার করতে চায় না: আখতার হোসেন

আপডেট সময় ০১:৫৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সংস্কার থেকে সরে দাঁড়াচ্ছে, তারা নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ভোগ করতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। রোববার (৩ মে) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এনসিপি আয়োজিত জাতীয় কনভেনশনে তিনি এসব কথা বলেন। 

আখতার হোসেন বলেন, গণভোট হয়ে যাওয়ার পর বিএনপি কোন বিষয়ে রাজি বা কোন বিষয়ে নারাজনিমরাজি সেটা আর মুখ্য বিষয় হতে পারে না। বাস্তবতা হলো ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার আর সংস্কার করতে চায় না। তারা ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশভাবে উপভোগ করতে চায়। কিন্তু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের উপরে যে দায়িত্ব অর্পিত হয়, সেটাকে ক্ষমতার দৃষ্টিতে দেখার যে মানসিকতা, সেখান থেকে তারা এখনও বের হয়ে আসতে পারেন নি।

তিনি জানান, ঐকমত্য কমিশনে আলোচনার সময় এনসিপি বারবার বলেছিল যে, দেশের বর্তমান সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণের জন্য গণপরিষদের মাধ্যমে নতুন সংবিধান প্রণয়ন প্রয়োজন। তবে বিএনপি সংসদের মাধ্যমেই সংবিধান সংশোধনের পক্ষে অবস্থান নেয়। তিনি বলেন, আলোচনা চলাকালে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যের বিষয় সামনে এলে প্রশ্ন ওঠে, শুধু সংশোধনীর মাধ্যমে টেকসই সমাধান সম্ভব কি না। এ অবস্থায় সংসদীয় সংশোধন ও গণপরিষদের নতুন সংবিধানের মাঝামাঝি একটি প্রস্তাবে দলগুলো একমত হয়, যা ছিল সংবিধান সংস্কার পরিষদ। 

আখতার হোসেন আরও বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি গণভোটেহ্যাঁএর পক্ষে ছিল, কারণ তখন তারা জানতনাবললে জনগণের সমর্থন হারাতে হবে। তবে নির্বাচন শেষে জনগণ নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে এমনটি ভাবার কোনো সুযোগ নেই। জনগণ সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভবিষ্যতে সরকার কতটা কার্যকর আইন প্রণয়ন করতে পারে, সেটি তারা দেখবে।