ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়: মারদিয়া মমতাজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৪:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

 

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে দরিদ্র ও দুঃস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মারদিয়া মমতাজের নামে বরাদ্দকৃত নগদ টাকা বিতরণী অনুষ্ঠান

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে দরিদ্র ও দুঃস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মারদিয়া মমতাজের নামে বরাদ্দকৃত নগদ টাকা বিতরণী অনুষ্ঠান

জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত নারী আসন-৪৪) সদস্য মারদিয়া মমতাজ বলেছেন, “কোনো জনপ্রতিনিধি যদি নাগরিকের প্রাপ্য অধিকার পৌঁছিয়ে না দেয় তবে জনগণকে সেই অধিকার বুঝে নিতে হবে”। তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধির কাজ হচ্ছে নাগরিকের রাষ্ট্রীয় অধিকার নাগরিকের কাছে পৌঁছিয়ে দেওয়া।

 

জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব জামায়াতে ইসলামীর রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতা নয়, জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় দায়িত্ব পালন করতে চায়। জামায়াতে ইসলামীতে কোনো দুর্নীতি ও অনিয়মের দাগ নেই। দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্বের হাত ধরেই আগামীর বাংলাদেশ হবে একটি কল্যাণ ও মানবিক বাংলাদেশ।

 

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে দরিদ্র ও দুঃস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মারদিয়া মমতাজের নামে বরাদ্দকৃত নগদ টাকা বিতরণী অনুষ্ঠানে সোমবার (২৫ মে) দুপুরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সভাপতির বক্তব্যে এডভোকেট ড. হেলাল বলেন, “জুলাইয়ের চেতনা পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন না হলে জনগণের অধিকার ফিরে আসবে না’। তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনা হচ্ছে ইনসাফ ও ন্যায় বিচারের বাংলাদেশ। যেই বাংলাদেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না। থাকবে না কোনো রক্তপাত। ফিরবে না ফ্যাসিবাদ। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হলেও সরকার জাতীয় নির্বাচন মেনে ক্ষমতায় বসেছে তবে গণভোট সরকার মেনে নিচ্ছে না। কারণ সরকার আবারো ফ্যাসিবাদের পথে যাত্রা শুরু করতে চায়। ছাত্র-জনতা ফ্যাসিবাদ কায়েম হতে দেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতেই হবে। এসময় তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি কল্যাণ ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন করতে চায়। যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না। নাগরিক তার রাষ্ট্রীয় অধিকারের নিশ্চয়তা পাবে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশ কল্যাণ রাষ্ট্র হবে। কল্যাণ রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ঈদ উপহারের বরাদ্দ আরো বেশি হবে এবং প্রত্যেক নাগরিক প্রাপ্য হবে।

 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়: মারদিয়া মমতাজ

আপডেট সময় ০৯:১৪:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

 

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে দরিদ্র ও দুঃস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মারদিয়া মমতাজের নামে বরাদ্দকৃত নগদ টাকা বিতরণী অনুষ্ঠান

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে দরিদ্র ও দুঃস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মারদিয়া মমতাজের নামে বরাদ্দকৃত নগদ টাকা বিতরণী অনুষ্ঠান

জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত নারী আসন-৪৪) সদস্য মারদিয়া মমতাজ বলেছেন, “কোনো জনপ্রতিনিধি যদি নাগরিকের প্রাপ্য অধিকার পৌঁছিয়ে না দেয় তবে জনগণকে সেই অধিকার বুঝে নিতে হবে”। তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধির কাজ হচ্ছে নাগরিকের রাষ্ট্রীয় অধিকার নাগরিকের কাছে পৌঁছিয়ে দেওয়া।

 

জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব জামায়াতে ইসলামীর রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতা নয়, জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় দায়িত্ব পালন করতে চায়। জামায়াতে ইসলামীতে কোনো দুর্নীতি ও অনিয়মের দাগ নেই। দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্বের হাত ধরেই আগামীর বাংলাদেশ হবে একটি কল্যাণ ও মানবিক বাংলাদেশ।

 

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে দরিদ্র ও দুঃস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মারদিয়া মমতাজের নামে বরাদ্দকৃত নগদ টাকা বিতরণী অনুষ্ঠানে সোমবার (২৫ মে) দুপুরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সভাপতির বক্তব্যে এডভোকেট ড. হেলাল বলেন, “জুলাইয়ের চেতনা পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন না হলে জনগণের অধিকার ফিরে আসবে না’। তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনা হচ্ছে ইনসাফ ও ন্যায় বিচারের বাংলাদেশ। যেই বাংলাদেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না। থাকবে না কোনো রক্তপাত। ফিরবে না ফ্যাসিবাদ। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হলেও সরকার জাতীয় নির্বাচন মেনে ক্ষমতায় বসেছে তবে গণভোট সরকার মেনে নিচ্ছে না। কারণ সরকার আবারো ফ্যাসিবাদের পথে যাত্রা শুরু করতে চায়। ছাত্র-জনতা ফ্যাসিবাদ কায়েম হতে দেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতেই হবে। এসময় তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি কল্যাণ ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন করতে চায়। যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না। নাগরিক তার রাষ্ট্রীয় অধিকারের নিশ্চয়তা পাবে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশ কল্যাণ রাষ্ট্র হবে। কল্যাণ রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ঈদ উপহারের বরাদ্দ আরো বেশি হবে এবং প্রত্যেক নাগরিক প্রাপ্য হবে।