ঢাকা , রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দ্বিতীয়বার বিয়ের ৪ মাস না যেতে আবারও বিচ্ছেদ, যা বললেন স্ত্রী সাবিকুন্নাহার অস্ত্র কিংবা ছুরি নয়, রক্তভর্তি সিরিঞ্জ নিয়ে ছিনতাই গাজীপুরে পাঁচ খুন: ঘটনাস্থলে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ভয় ধরাচ্ছে নতুন হান্টাভাইরাস, যা বলছে ডব্লিউএইচও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামবে এনসিপি’ দেশকে ধ্বংসস্তূপ থেকে টেনে তোলাই বিএনপির নতুন চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল স্কুলশিক্ষার্থী নাহিদের সন্ধান চায় পরিবার পরকীয়ার জেরে যুবককে হত্যা করে পুঁতে রাখলো মাটিতে, দম্পতি আটক বিপর্যয়ের পর শক্তিশালী রাজনৈতিক মঞ্চ গঠনের ডাক মমতার ছেলের ‘দায়’ মেটাতে বৃদ্ধ বাবাকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

মার্কিন অবরোধ এড়িয়ে ২২ কোটি ডলারের তেল নিয়ে এশিয়ায় পৌঁছেছে ইরানি সুপার ট্যাঙ্কার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

এবার মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ এড়িয়ে ২২ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের অপরিশোধিত তেল বহনকারী একটি ইরানি সুপার ট্যাঙ্কার এশিয়াপ্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে জাহাজ পর্যবেক্ষণ সংস্থা ট্যাঙ্কারট্র্যাকার্স ডটকম। খবর আল জাজিরার।  রোববার (৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ট্যাঙ্কারট্র্যাকার্স জানায়, ইরানের ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাঙ্কার কোম্পানির মালিকানাধীন ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার (ভিএলসিসি) জাহাজটির নাম ‘HUGE’ এটি প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহন করছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২২ কোটি ডলার।

সংস্থাটির তথ্যমতে, এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে সর্বশেষ শ্রীলঙ্কার উপকূলে জাহাজটিকে দেখা যায়। বর্তমানে এটি ইন্দোনেশিয়ার লম্বক প্রণালি অতিক্রম করে রিয়াউ দ্বীপপুঞ্জের দিকে যাচ্ছে। গত ১৩ এপ্রিল জাহাজটি ইরানের জলসীমায় ছিল, যেদিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ ঘোষণা করে। এছাড়া, গত ২০ মার্চ মালাক্কা প্রণালি থেকে ইরানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর থেকে জাহাজটি অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (AIS) সিগন্যাল বন্ধ রেখেছে বলেও দাবি করেছে সংস্থাটি। 

এর আগে, গত ২৯ এপ্রিল ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করে, অন্তত ৫২টি ইরানি জাহাজ মার্কিন অবরোধ ভেঙে যেতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অবরোধ শুরুর পর ইরানসংশ্লিষ্ট অন্তত ৪১টি জাহাজকে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, এই অবরোধ কার্যকর হচ্ছে এবং এর ফলে ইরানের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। তারা বলছেন, তেল রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় ইরানকে তেল মজুত করতে বাধ্য হতে হচ্ছে এবং ধারণক্ষমতা শেষ হলে উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিতীয়বার বিয়ের ৪ মাস না যেতে আবারও বিচ্ছেদ, যা বললেন স্ত্রী সাবিকুন্নাহার

মার্কিন অবরোধ এড়িয়ে ২২ কোটি ডলারের তেল নিয়ে এশিয়ায় পৌঁছেছে ইরানি সুপার ট্যাঙ্কার

আপডেট সময় ১০:৫৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

এবার মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ এড়িয়ে ২২ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের অপরিশোধিত তেল বহনকারী একটি ইরানি সুপার ট্যাঙ্কার এশিয়াপ্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে জাহাজ পর্যবেক্ষণ সংস্থা ট্যাঙ্কারট্র্যাকার্স ডটকম। খবর আল জাজিরার।  রোববার (৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ট্যাঙ্কারট্র্যাকার্স জানায়, ইরানের ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাঙ্কার কোম্পানির মালিকানাধীন ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার (ভিএলসিসি) জাহাজটির নাম ‘HUGE’ এটি প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহন করছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২২ কোটি ডলার।

সংস্থাটির তথ্যমতে, এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে সর্বশেষ শ্রীলঙ্কার উপকূলে জাহাজটিকে দেখা যায়। বর্তমানে এটি ইন্দোনেশিয়ার লম্বক প্রণালি অতিক্রম করে রিয়াউ দ্বীপপুঞ্জের দিকে যাচ্ছে। গত ১৩ এপ্রিল জাহাজটি ইরানের জলসীমায় ছিল, যেদিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ ঘোষণা করে। এছাড়া, গত ২০ মার্চ মালাক্কা প্রণালি থেকে ইরানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর থেকে জাহাজটি অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (AIS) সিগন্যাল বন্ধ রেখেছে বলেও দাবি করেছে সংস্থাটি। 

এর আগে, গত ২৯ এপ্রিল ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করে, অন্তত ৫২টি ইরানি জাহাজ মার্কিন অবরোধ ভেঙে যেতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অবরোধ শুরুর পর ইরানসংশ্লিষ্ট অন্তত ৪১টি জাহাজকে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, এই অবরোধ কার্যকর হচ্ছে এবং এর ফলে ইরানের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। তারা বলছেন, তেল রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় ইরানকে তেল মজুত করতে বাধ্য হতে হচ্ছে এবং ধারণক্ষমতা শেষ হলে উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।