ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রতিনিধি পাঠালেও অনুপস্থিত রয়েছে সৌদি আরব। শুধু সৌদি নয়, উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিনিধি পাঠায়নি।
খামেনিকে শ্রদ্ধা জানাতে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করেছে ইরান। শুক্রবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এ আয়োজনে প্রথম দিন বিদেশি প্রতিনিধিদের জন্য তার মরদেহ রাখা হয়েছে। শনিবার থেকে সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কফিন উন্মুক্ত স্থানে নেওয়া হবে।
সংবাদমাধ্যম হাউজ অব সৌদ জানিয়েছে, ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ২০২৫ সালে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত হলে তার জানাজায় সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অংশ নিয়েছিলেন। তবে এবার খামেনির শেষ বিদায়ে রিয়াদ থেকে কোনো প্রতিনিধি পাঠানো হয়নি।
শুক্রবার পর্যন্ত সৌদি আরব এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিদলের ঘোষণাও দেয়নি।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইনসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্য দেশগুলোরও কেউ খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নেয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় দেশগুলোর এই অনুপস্থিতি কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, খামেনির মৃত্যুর পর গালফ অঞ্চলের দেশগুলো এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে শোকও জানায়নি। পর্যবেক্ষকদের ধারণা, ইরানের নতুন নেতৃত্বের প্রশ্নে অবস্থান স্পষ্ট না করতেই তারা আপাতত সংযত কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রেখেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















