ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফ্যাসিস্টদের পুশইন করুন, বিচার করতে প্রস্তুত আমরা, বললেন নাহিদ ইসলাম ‘হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করতেই প্রত্যাবর্তন চায় বিএনপি’ ফেনীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়ম, ইউএনওর কার্যালয় ঘেরাও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও দেশে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ‘ঘরের বাজার’-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১৫ আগস্ট ঘিরে দেশব্যাপী র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা খালিদুজ্জামানের কর্মকাণ্ডকে ‘তৃতীয় শ্রেণির সস্তা রাজনীতি’ বললেন মির্জা গালিব মৃত্যুর আগে মাকে যা বলেছিলেন সালমান শাহ দেশে ফিরলেন ছাত্র আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তৃণমূলের রাজনীতি থেকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল

জাকারবার্গকে ৩ দিনের মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলল ভারত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ভিডিও সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়াকে ঘিরে মেটার ওপর চড়াও হয়েছে ভারত। মাত্র তিন দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়া ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। তা না হলে ফেসবুকের গুরুত্বপূর্ণ আইনি সুরক্ষা বাতিলের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে দিল্লি।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, বিজেপি সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় কমিটি মোদির ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের ওপর আঘাত’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

কমিটির দাবি, এই ঘটনা শুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেই নয়, ১৪০ কোটি ভারতীয়ের প্রতিনিধিকেও লক্ষ্য করে করা হয়েছে।

সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন দিনের মধ্যে মেটা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে ফেসবুকের ‘সেফ হারবার’ আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে ভারত সরকার।

এই সুরক্ষা বাতিল হলে ফেসবুক ও এর কর্মকর্তারা প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত বিভিন্ন কনটেন্টের জন্য সরাসরি আইনি দায় ও ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হতে পারেন।

ঘটনার সূত্রপাত ২৩ জুলাই। সেদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি সেলফি ভিডিও প্রথমে ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করা হয়। পরে ভিডিওটি ফেসবুকে শেয়ার করার পর কিছু সময়ের জন্য ব্লক হয়ে যায়।

ভিডিওটিতে মোদি শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদের প্রেক্ষাপটে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পরে সমালোচনার মুখে ভিডিওটি আবারও ফেসবুকে ফিরিয়ে আনে মেটা।

এ ঘটনায় চলতি সপ্তাহে মেটার কর্মকর্তাদের তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করে ভারতের সংসদীয় কমিটি। তখন মেটা ভিডিওটি ব্লক হওয়ার জন্য ‘কারিগরি ত্রুটি’কে দায়ী করে ক্ষমা চায়।

তবে ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করেনি। মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য, যদি এটি সত্যিই প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে হয়ে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে মেটাকে তাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিস্টদের পুশইন করুন, বিচার করতে প্রস্তুত আমরা, বললেন নাহিদ ইসলাম

জাকারবার্গকে ৩ দিনের মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলল ভারত

আপডেট সময় ০৩:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ভিডিও সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়াকে ঘিরে মেটার ওপর চড়াও হয়েছে ভারত। মাত্র তিন দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়া ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। তা না হলে ফেসবুকের গুরুত্বপূর্ণ আইনি সুরক্ষা বাতিলের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে দিল্লি।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, বিজেপি সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় কমিটি মোদির ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের ওপর আঘাত’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

কমিটির দাবি, এই ঘটনা শুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেই নয়, ১৪০ কোটি ভারতীয়ের প্রতিনিধিকেও লক্ষ্য করে করা হয়েছে।

সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন দিনের মধ্যে মেটা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে ফেসবুকের ‘সেফ হারবার’ আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে ভারত সরকার।

এই সুরক্ষা বাতিল হলে ফেসবুক ও এর কর্মকর্তারা প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত বিভিন্ন কনটেন্টের জন্য সরাসরি আইনি দায় ও ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হতে পারেন।

ঘটনার সূত্রপাত ২৩ জুলাই। সেদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি সেলফি ভিডিও প্রথমে ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করা হয়। পরে ভিডিওটি ফেসবুকে শেয়ার করার পর কিছু সময়ের জন্য ব্লক হয়ে যায়।

ভিডিওটিতে মোদি শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদের প্রেক্ষাপটে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পরে সমালোচনার মুখে ভিডিওটি আবারও ফেসবুকে ফিরিয়ে আনে মেটা।

এ ঘটনায় চলতি সপ্তাহে মেটার কর্মকর্তাদের তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করে ভারতের সংসদীয় কমিটি। তখন মেটা ভিডিওটি ব্লক হওয়ার জন্য ‘কারিগরি ত্রুটি’কে দায়ী করে ক্ষমা চায়।

তবে ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করেনি। মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য, যদি এটি সত্যিই প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে হয়ে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে মেটাকে তাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে হবে।