ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬ দিন পর জ্ঞান ফিরল সায়েমের, মামুনের মাথার খুলি এখনও ফ্রিজে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের নৃশংস হামলার ছয় দিন পর অবশেষে চেতনা ফিরে পেয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ইমতিয়াজ আহমেদ সায়েম। এদিকে সমাজতত্ত্ব বিভাগের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র মামুন মিয়ার মাথার খুলি অপারেশনের মাধ্যমে খুলে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মু. ইসমাঈল হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ দল এই দুই শিক্ষার্থীর চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জানান, ইমতিয়াজ আহমেদ সায়েম বর্তমানে হাত-পা নাড়াচ্ছেন, পরিবারের সদস্যদের চিনতে পারছেন। তার কনশাস লেভেল ১০ থেকে ১২ এর মধ্যে ওঠানামা করছে। স্বাভাবিক মানুষের মাত্রা ১৫ হলেও ধীরে ধীরে তার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। রক্তক্ষরণজনিত জটিলতা থাকলেও শারীরিক অবস্থা এখন অনেকটাই স্থিতিশীল। আগামী রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় তার জন্য নতুন করে মেডিকেল বোর্ড বসবে।

অন্যদিকে মামুন মিয়ার মাথার খুলি খুলে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছে। চার দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর তাকে আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে দুমাস পর তার মাথার খুলি প্রতিস্থাপন করা হবে।

সংঘর্ষ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে এখনও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও ২ নম্বর গেটসংলগ্ন জোবরা এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া নয়জন আসামির জামিন আবেদন আদালত নাকচ করেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কেপ ভার্দেতে বাস খাদে পড়ে নিহত ২৫, বেশিরভাগই শিশু-স্কুলশিক্ষার্থী

৬ দিন পর জ্ঞান ফিরল সায়েমের, মামুনের মাথার খুলি এখনও ফ্রিজে

আপডেট সময় ১১:০৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের নৃশংস হামলার ছয় দিন পর অবশেষে চেতনা ফিরে পেয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ইমতিয়াজ আহমেদ সায়েম। এদিকে সমাজতত্ত্ব বিভাগের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র মামুন মিয়ার মাথার খুলি অপারেশনের মাধ্যমে খুলে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মু. ইসমাঈল হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ দল এই দুই শিক্ষার্থীর চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জানান, ইমতিয়াজ আহমেদ সায়েম বর্তমানে হাত-পা নাড়াচ্ছেন, পরিবারের সদস্যদের চিনতে পারছেন। তার কনশাস লেভেল ১০ থেকে ১২ এর মধ্যে ওঠানামা করছে। স্বাভাবিক মানুষের মাত্রা ১৫ হলেও ধীরে ধীরে তার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। রক্তক্ষরণজনিত জটিলতা থাকলেও শারীরিক অবস্থা এখন অনেকটাই স্থিতিশীল। আগামী রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় তার জন্য নতুন করে মেডিকেল বোর্ড বসবে।

অন্যদিকে মামুন মিয়ার মাথার খুলি খুলে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছে। চার দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর তাকে আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে দুমাস পর তার মাথার খুলি প্রতিস্থাপন করা হবে।

সংঘর্ষ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে এখনও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও ২ নম্বর গেটসংলগ্ন জোবরা এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া নয়জন আসামির জামিন আবেদন আদালত নাকচ করেছে।