ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশকে সব সময় আপন মনে করে ভার‌ত: প্রণয় ভার্মা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১০:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২২২ বার পড়া হয়েছে

 

বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী দিবস উপলক্ষে গুলশানের পুরাতন ইন্ডিয়া হাউজে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেছেন, বাংলাদেশ ভারতের কাছে আত্মার সম্পর্কের দেশ। তিনি বলেন, “বাংলাদেশকে ভারত সব সময় আপন মনে করে। দুই দেশের সম্পর্ক বিশ্বের অন্যতম অনন্য বন্ধন।”

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদান ছিল আন্তরিক ও আত্মত্যাগী—“আমাদের সৈন্যরা রক্ত দিয়েছে বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে,” উল্লেখ করে তিনি জানান, দু’দেশের মানুষের সংস্কৃতি, আবেগ ও প্রকৃতি একই সূতায় গাঁথা।

ভার্মা আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে মৈত্রীর ক্ষেত্রে ভারত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয় এবং বৃহত্তর সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে পাশাপাশি এগিয়ে যেতে চায়।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিক, সাংবাদিক, রাজনীতিক, সামরিক-পুলিশ বাহিনীর প্রতিনিধি ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক দলের পরিবেশনা এবং ‘নৈঃশব্দ ৭১’ নাটকের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশকে সব সময় আপন মনে করে ভার‌ত: প্রণয় ভার্মা

আপডেট সময় ১১:১০:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

 

বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী দিবস উপলক্ষে গুলশানের পুরাতন ইন্ডিয়া হাউজে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেছেন, বাংলাদেশ ভারতের কাছে আত্মার সম্পর্কের দেশ। তিনি বলেন, “বাংলাদেশকে ভারত সব সময় আপন মনে করে। দুই দেশের সম্পর্ক বিশ্বের অন্যতম অনন্য বন্ধন।”

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদান ছিল আন্তরিক ও আত্মত্যাগী—“আমাদের সৈন্যরা রক্ত দিয়েছে বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে,” উল্লেখ করে তিনি জানান, দু’দেশের মানুষের সংস্কৃতি, আবেগ ও প্রকৃতি একই সূতায় গাঁথা।

ভার্মা আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে মৈত্রীর ক্ষেত্রে ভারত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয় এবং বৃহত্তর সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে পাশাপাশি এগিয়ে যেতে চায়।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিক, সাংবাদিক, রাজনীতিক, সামরিক-পুলিশ বাহিনীর প্রতিনিধি ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক দলের পরিবেশনা এবং ‘নৈঃশব্দ ৭১’ নাটকের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।