ঢাকা , রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুবলীগ নেতাকে জামায়াত সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান যা বললেন জাহেদ-উর রহমান বিএনপি জোটে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন! আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আমার ৩ শিশুকন্যাকে একটু দেখে রাইখেন: আমীর হামজা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রকাশ্য সমর্থন নিরপেক্ষতার লঙ্ঘন নয়, এটি দায়িত্ব ও সংস্কারমূলক ম্যান্ডেটের বহিঃপ্রকাশ আগামী সংসদ নির্বাচন ‘অত্যন্ত, অত্যন্ত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’: তারেক রহমান ‘মঞ্জুর মুন্সী আপিল নিয়ে যেতে পারবেন উচ্চ আদালতে, পক্ষে আদেশ পেলে থাকতে পারবেন ভোটের মাঠেও’ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করেছে ছাত্রদল: শিবির সভাপতি ফের ইরানিদের বিক্ষোভের আহ্বান রেজা পাহলভির, এবার মেলেনি সাড়া বিয়ে করলেই মিলবে ১৬ লাখ টাকা অনুদান, সন্তান হলে দ্বিগুণ! ‎পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়, তারা রাষ্ট্রের কর্মচারী: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু, এক লাফে প্রতিকেজিতে দাম কমল ৩০ টাকা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩১৮ বার পড়া হয়েছে

 

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘ তিন মাস পর আবারও ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় ভারতীয় তিনটি পেঁয়াজবাহী ট্রাক বন্দর এলাকায় প্রবেশ করে। আমদানির খবর ছড়িয়ে পড়তেই খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা পর্যন্ত দাম কমে যায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজার দ্রুতই স্থিতিশীল হবে।

নাসিক অঞ্চলের পেঁয়াজ আমদানি করেছেন মেসার্স রনি এন্টারপ্রাইজের আব্দুল মালেক বাবু। তিনি জানান, ৪০০ ডলার মূল্য ধরে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। তবে এখনও কাস্টমস প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় পণ্য ছাড় হচ্ছে না।

হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এ আর জামান বাঁধন বলেন, সন্ধ্যার আগে তিনটি ট্রাক বন্দরে ঢুকলেও ব্যবসায়ীরা শুল্কায়ন ও পরীক্ষণের আবেদন না করায় কাস্টমস কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম জানান, আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত শতাধিক ব্যবসায়ী আমদানির অনুমতি চাইলেও কৃষকের স্বার্থে সরকার অনুমতি দেয়নি। তবে বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ায় রোববার থেকে সীমিত আকারে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তার দাবি, আমদানির ঘোষণায় হঠাৎ দামের পতন বাজারে সিন্ডিকেটের অস্তিত্বই প্রমাণ করে।

এক রাতের ব্যবধানে কেজিতে ৩০ টাকা দামের পতনকে ‘অস্বাভাবিক’ বলে মন্তব্য করেন এনজিও কর্মী নিলুফা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, “কয়েকদিন ধরে সকাল-বিকেল দাম বেড়েছে। এখন আমদানির খবর শুনেই দামে এমন পতন! ব্যবসায়ীরা সংকট দেখিয়ে ইচ্ছে মতো দাম বাড়ায়, আর সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়।”

খুচরা ব্যবসায়ী মোকারম হোসেন জানান, শনিবার যে পেঁয়াজ ১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, তা এখন ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। মুড়িকাটা পেঁয়াজ ১১০ টাকা থেকে নেমে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তার দাবি, আমদানি শুরুর খবরেই পাইকারি বাজারে দাম কমে গেছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও।

এদিকে আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হিলি বন্দরের শতাধিক ব্যবসায়ী ইতোমধ্যে আইপি (অনুমতি পত্র) চেয়ে আবেদন করেছেন। অনেকেই অনুমতি পেয়ে আমদানি শুরু করেছেন। বাকিরাও ভারতের রপ্তানিকারকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে প্রস্তুতি নিয়েছেন; অনুমতি পেলেই আমদানি শুরু করবেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুবলীগ নেতাকে জামায়াত সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু, এক লাফে প্রতিকেজিতে দাম কমল ৩০ টাকা

আপডেট সময় ১০:২৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

 

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘ তিন মাস পর আবারও ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় ভারতীয় তিনটি পেঁয়াজবাহী ট্রাক বন্দর এলাকায় প্রবেশ করে। আমদানির খবর ছড়িয়ে পড়তেই খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা পর্যন্ত দাম কমে যায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজার দ্রুতই স্থিতিশীল হবে।

নাসিক অঞ্চলের পেঁয়াজ আমদানি করেছেন মেসার্স রনি এন্টারপ্রাইজের আব্দুল মালেক বাবু। তিনি জানান, ৪০০ ডলার মূল্য ধরে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। তবে এখনও কাস্টমস প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় পণ্য ছাড় হচ্ছে না।

হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এ আর জামান বাঁধন বলেন, সন্ধ্যার আগে তিনটি ট্রাক বন্দরে ঢুকলেও ব্যবসায়ীরা শুল্কায়ন ও পরীক্ষণের আবেদন না করায় কাস্টমস কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম জানান, আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত শতাধিক ব্যবসায়ী আমদানির অনুমতি চাইলেও কৃষকের স্বার্থে সরকার অনুমতি দেয়নি। তবে বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ায় রোববার থেকে সীমিত আকারে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তার দাবি, আমদানির ঘোষণায় হঠাৎ দামের পতন বাজারে সিন্ডিকেটের অস্তিত্বই প্রমাণ করে।

এক রাতের ব্যবধানে কেজিতে ৩০ টাকা দামের পতনকে ‘অস্বাভাবিক’ বলে মন্তব্য করেন এনজিও কর্মী নিলুফা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, “কয়েকদিন ধরে সকাল-বিকেল দাম বেড়েছে। এখন আমদানির খবর শুনেই দামে এমন পতন! ব্যবসায়ীরা সংকট দেখিয়ে ইচ্ছে মতো দাম বাড়ায়, আর সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়।”

খুচরা ব্যবসায়ী মোকারম হোসেন জানান, শনিবার যে পেঁয়াজ ১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, তা এখন ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। মুড়িকাটা পেঁয়াজ ১১০ টাকা থেকে নেমে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তার দাবি, আমদানি শুরুর খবরেই পাইকারি বাজারে দাম কমে গেছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও।

এদিকে আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হিলি বন্দরের শতাধিক ব্যবসায়ী ইতোমধ্যে আইপি (অনুমতি পত্র) চেয়ে আবেদন করেছেন। অনেকেই অনুমতি পেয়ে আমদানি শুরু করেছেন। বাকিরাও ভারতের রপ্তানিকারকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে প্রস্তুতি নিয়েছেন; অনুমতি পেলেই আমদানি শুরু করবেন।