ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনের অনুমতি আদালতের ‘পুলিশ হত্যা করেছি’ ঘোষণা দেওয়া সেই মাহাদী এবার প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিলেন থানায় প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে সংগীত-নাট্যকলা-নৃত্যকলা-চারু ও কারুকলা মহাসড়কে ‘জয়বাংলা স্লোগান’ নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা-গাড়ি ভাঙচুর, আটক ১৯ ভোটের দায়িত্ব পালনকালে মৃত্যু হলে ১০ লাখ টাকা পাবে পরিবার: নির্বাচন কমিশন ১৭ বছর ভুয়া লাইসেন্সে ৯০০ ফ্লাইট চালানোর পর ধরা পড়ল পাইলট স্ত্রীর নামে এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ তুলে আর্জেন্টিনার পতাকা-ব্যানারে রাঙালেন ভ্যানচালক আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর চেষ্টা ইসরাইলের, সতর্ক করলো হামাস পুশ-ইন ও সীমান্ত হত্যা ইস্যুতে মাঠে নামছে জামায়াতের ১১ দলীয় ঐক্য নিজের ৩০ শতক জমি বিক্রি করে সাড়ে ৭ কিমি. দীর্ঘ জার্মান পতাকা বানালেন আমজাদ

বরিশালে নারী শিক্ষার্থীকে হত্যা, মূল আসামি মাইনুল গ্রেপ্তার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫৪:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

 

বরিশালে নারী শিক্ষার্থী সানজিদা কবির আনিতা হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত মো. মাইনুল ইসলাম হিমু (৩২)কে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে জেলার উজিরপুর থানাধীন ইসলাদী টোল প্লাজার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তারকৃত মাইনুল ঝালকাঠি সদর থানার কাঠপট্টি এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে বরিশাল নগরীর বগুড়া রোড এলাকার রাফি মঞ্জিলে ভাড়া থাকতেন।

 

 

র‍্যাব-৮ সদর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সুগার মিলের পরিত্যক্ত কোয়ার্টার থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। র‍্যাব আরও জানায়, ঘটনার পর থেকেই তারা ছায়া তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্ত এলাকা পরিবর্তন করে আত্মগোপনে চলে যায়। তবে তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত আনিতা বরিশাল সরকারি বিএম কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরে তিনি বরগুনা নার্সিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন। পরিবারের সঙ্গে নগরীর বগুড়া রোডের মুন্সি গ্রেজ এলাকায় ভাড়াবাসায় বসবাস করতেন। তার সঙ্গে অভিযুক্ত মাইনুল ইসলামের প্রায় দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ২৩ এপ্রিল সকালে ভিকটিম বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।

 

 

পরে পরিবারের সদস্যরা তার মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরবর্তীতে স্বজনরা জানতে পারেন, ভিকটিম অভিযুক্তের বাসায় মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে তারা কোতয়ালী মডেল থানাকে অবহিত করেন।

 

নিহতের পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত হিমু পূর্বে একটি হত্যা মামলার আসামি ছিল। সে মাদকাসক্ত ও বখাটে স্বভাবের। পূর্ব শত্রুতার জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনের অনুমতি আদালতের

বরিশালে নারী শিক্ষার্থীকে হত্যা, মূল আসামি মাইনুল গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১২:৫৪:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

 

বরিশালে নারী শিক্ষার্থী সানজিদা কবির আনিতা হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত মো. মাইনুল ইসলাম হিমু (৩২)কে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে জেলার উজিরপুর থানাধীন ইসলাদী টোল প্লাজার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তারকৃত মাইনুল ঝালকাঠি সদর থানার কাঠপট্টি এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে বরিশাল নগরীর বগুড়া রোড এলাকার রাফি মঞ্জিলে ভাড়া থাকতেন।

 

 

র‍্যাব-৮ সদর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সুগার মিলের পরিত্যক্ত কোয়ার্টার থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। র‍্যাব আরও জানায়, ঘটনার পর থেকেই তারা ছায়া তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্ত এলাকা পরিবর্তন করে আত্মগোপনে চলে যায়। তবে তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত আনিতা বরিশাল সরকারি বিএম কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরে তিনি বরগুনা নার্সিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন। পরিবারের সঙ্গে নগরীর বগুড়া রোডের মুন্সি গ্রেজ এলাকায় ভাড়াবাসায় বসবাস করতেন। তার সঙ্গে অভিযুক্ত মাইনুল ইসলামের প্রায় দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ২৩ এপ্রিল সকালে ভিকটিম বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।

 

 

পরে পরিবারের সদস্যরা তার মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরবর্তীতে স্বজনরা জানতে পারেন, ভিকটিম অভিযুক্তের বাসায় মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে তারা কোতয়ালী মডেল থানাকে অবহিত করেন।

 

নিহতের পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত হিমু পূর্বে একটি হত্যা মামলার আসামি ছিল। সে মাদকাসক্ত ও বখাটে স্বভাবের। পূর্ব শত্রুতার জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।