ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সমঝোতার পর প্রথম বিদেশ সফরে পাকিস্তানে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইংল্যান্ড-ঘানা ম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়ামেই চলছিলো ‘কালো জাদু’ সৌদি বাদশাহর খরচে, ওমরাহ পালনের সুযোগ পাচ্ছেন ১ হাজার মুসল্লি” পাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথা, এই চক্রান্ত কোনো ভাবেই সফল হতে দেবো না: হাদির বোন হ্যারি কেনকে গোলশূন্য রাখল ‘জুজু’? ইংল্যান্ড-ঘানা ম্যাচে কালো জাদু নিয়ে তোলপাড় জামায়াতের অধিকাংশ এমপি অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো: রাশেদ খান বিরোধীদলের মধ্যে ফ্যাসিবাদী মানসিকতা দেখা যাচ্ছে: রিজভী পবিত্র কাবা শরীফ ধোয়া হবে ৩০ জুন যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে মিসাইল না থাকলে গাজার মতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতো ইরান: ইরানের প্রেসিডেন্ট

পাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথা, এই চক্রান্ত কোনো ভাবেই সফল হতে দেবো না: হাদির বোন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

এবার পাঠ্যবইয়ে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ২০২৮ সালের বইয়ে তাঁর জীবন, কর্ম, শাহাদাত ও পরবর্তী ঘটনাগুলো তুলে ধরে পাঠ্য রাখা হবে বলে জানা গিয়েছিল। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জনসংক্রান্ত কমিটির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১০ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

তবে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তকে শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির বীরত্বগাথা যুক্ত হচ্ছে না। তবে ২০২৮ শিক্ষাবর্ষে এটি যুক্ত হবে কি না, তা পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনা ও বিষয়ভিত্তিক কমিটি নির্ধারণ করবে। এমন খবরে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত ৮টা ৪ মিনিটে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন তিনি।

মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‘আমার ভাই যেদিন শহীদ হলেন; সেদিন থেকেই আমি রাষ্ট্রের কাছে দাবি জানিয়ে আাসছি। পাঠ্যপুস্তকে আমার ভাই শহীদ শরীফ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী যুক্ত করতে হবে। নতুন বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার সেই দাবি আমলে নিয়ে পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ বিশ্ব পরিচয়ে শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

তার জন্য আমি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছি যেমন; তেমনি সরকারকে প্রশ্ন করেছি। যে, শুধু পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী কেন? ওসমান হাদি শুধু শিশুদের আইডল নয়, ওসমান হাদি বাংলাদেশের শিশু, কিশোর, তরুণ, যুবক, এমনকি বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীরও আইডল। তাই তাঁর বীরত্বগাথা জীবনী শিশু শ্রেণি থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকেও সংযুক্ত করতে হবে।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখতে পেলাম, শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে না। এত বড় দুঃসাহস কে বা কারা দেখাচ্ছে, এই চক্রান্ত কোনো ভাবেই আমরা সফল হতে দেবো না। ইনশাআল্লাহ। আমি সরকারের কাছে বিনয়ের সাথে বলতে চাই, এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে সরকার অবশ্যই ফিরে আসবেন। এবং শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী পাঠ্যপুস্তকে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্তে অটুট থাকবেন। এবং বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সমঝোতার পর প্রথম বিদেশ সফরে পাকিস্তানে ইরানের প্রেসিডেন্ট

পাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথা, এই চক্রান্ত কোনো ভাবেই সফল হতে দেবো না: হাদির বোন

আপডেট সময় ০২:০৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

এবার পাঠ্যবইয়ে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ২০২৮ সালের বইয়ে তাঁর জীবন, কর্ম, শাহাদাত ও পরবর্তী ঘটনাগুলো তুলে ধরে পাঠ্য রাখা হবে বলে জানা গিয়েছিল। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জনসংক্রান্ত কমিটির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১০ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

তবে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তকে শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির বীরত্বগাথা যুক্ত হচ্ছে না। তবে ২০২৮ শিক্ষাবর্ষে এটি যুক্ত হবে কি না, তা পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনা ও বিষয়ভিত্তিক কমিটি নির্ধারণ করবে। এমন খবরে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত ৮টা ৪ মিনিটে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন তিনি।

মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‘আমার ভাই যেদিন শহীদ হলেন; সেদিন থেকেই আমি রাষ্ট্রের কাছে দাবি জানিয়ে আাসছি। পাঠ্যপুস্তকে আমার ভাই শহীদ শরীফ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী যুক্ত করতে হবে। নতুন বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার সেই দাবি আমলে নিয়ে পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ বিশ্ব পরিচয়ে শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

তার জন্য আমি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছি যেমন; তেমনি সরকারকে প্রশ্ন করেছি। যে, শুধু পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী কেন? ওসমান হাদি শুধু শিশুদের আইডল নয়, ওসমান হাদি বাংলাদেশের শিশু, কিশোর, তরুণ, যুবক, এমনকি বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীরও আইডল। তাই তাঁর বীরত্বগাথা জীবনী শিশু শ্রেণি থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকেও সংযুক্ত করতে হবে।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখতে পেলাম, শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে না। এত বড় দুঃসাহস কে বা কারা দেখাচ্ছে, এই চক্রান্ত কোনো ভাবেই আমরা সফল হতে দেবো না। ইনশাআল্লাহ। আমি সরকারের কাছে বিনয়ের সাথে বলতে চাই, এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে সরকার অবশ্যই ফিরে আসবেন। এবং শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী পাঠ্যপুস্তকে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্তে অটুট থাকবেন। এবং বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবেন।