ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর আয়োজনে মধ্যাহ্নভোজ করলেন শিক্ষার্থীরা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৪০ রানেই অলআউট বাংলাদেশ ফ্রান্সে স্কাইডাইভিং বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১১ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৃদ্ধা মাকে পিটিয়ে দাঁত ভাঙার অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক ছেলে গ্রেফতার শিবির খারাপ কাজ করলে সমালোচনা করুন, সমর্থন নয় ১১২ বছর পর খুলে দেওয়া হলো ঐতিহাসিক কুচুক মসজিদ ইতিহাস বলছে এবারের বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১ হাজার ৫২১ ‘ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের কোনো জায়গা নেই’, নির্বাচনের আগে কঠোর অবস্থানে নেতানিয়াহু

বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে অপচয় করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি: চরমোনাই পীর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে অপচয় করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নিবলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)তিনি বলেন, দেশে প্রায় কোটি জনতা নিবন্ধিত করদাতা। যারা তাদের আয়ের ওপরে কর প্রদান করেন। কিন্তু বাজেটে রাজস্ব প্রদান করেন এ দেশের সকল জনতা। তাদের প্রাত্যহিক ক্রয়বিক্রয়সহ প্রত্যেকটি সুবিদা গ্রহণের বিপরীতে কর দেয়, একজন ফকিরও কর প্রদান করে। সেই করের টাকার বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে ছলচাতুরি, টালবাহানা, অপচয় ও যাচ্ছেতাই খরচ করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি।

সোমবার (৮ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির হলে অনুষ্ঠিতবাংলাদেশের আগামী অর্থ বছরের বাজেট: আমাদের ভাবনা ও জনগণের প্রত্যাশাশীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এ সভার আয়োজন করে। মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, সরকার প্রতিবছর বাজেট পেশ করে এবং সংসদে পাস করিয়ে নেয়। কিন্তু এই বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের যথাযথ নজরদারি, আমনতদারি ও জবাবদিহিতার যথেষ্ট ঘাটতি বরাবরই পরিলক্ষিত হয়। ফলে জনগণের কষ্টের টাকার বাজেটের একটি বড় অংশই অপব্যয়িত হয়। ক্রয় দুর্নীতির মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। এই ধারা রোধ করতেই হবে।

তিনি আরও বলেন, বাজেট কেবল অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নয়, বরং জনগণের দায়বদ্ধতার অঙ্গিকার। জনগণের করের টাকায় বাজেট হয়, ঋণও জনগণের ওপরে চাপানো হয়। কিন্তু জনগণ এই বাজেটের সুবিধা কতটা পাচ্ছে তা বিবেচনায় নেওয়া হয় না। বাজেটে যে সুবিধা জনগণের পাওয়ার কথা বলা হয়, তাও জনগণের কাছে পৌঁছায় না দুর্নীতিগ্রস্থ সামগ্রিক সিস্টেমের কারণে। তাই বাজেট যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হতে হলে শুধু নেতা নয় নীতির পরিবর্তনও ঘটাতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে ইসলামি শরিয়াহ একটি কার্যকর টুলস বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে উপস্থিতি ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ড. আফম খালিদ হোসেন, বরগুনা১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ, সাংবাদিক সোহবার হোসেন, সাবেক রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ, ক্যাবের কোঅর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার এম এ এম গোলাম কিবরিয়া, ইসলামিক চেম্বার অব কমার্সের সদস্য সচিব মাওলানা মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট শেখ আব্দুল্লাহ নাসের, নিজাম গ্রুপের এমডি মোহাম্মাদ নিজাম উদ্দিন, জয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান শামীম।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর আয়োজনে মধ্যাহ্নভোজ করলেন শিক্ষার্থীরা

বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে অপচয় করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি: চরমোনাই পীর

আপডেট সময় ০৩:৪৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে অপচয় করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নিবলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)তিনি বলেন, দেশে প্রায় কোটি জনতা নিবন্ধিত করদাতা। যারা তাদের আয়ের ওপরে কর প্রদান করেন। কিন্তু বাজেটে রাজস্ব প্রদান করেন এ দেশের সকল জনতা। তাদের প্রাত্যহিক ক্রয়বিক্রয়সহ প্রত্যেকটি সুবিদা গ্রহণের বিপরীতে কর দেয়, একজন ফকিরও কর প্রদান করে। সেই করের টাকার বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে ছলচাতুরি, টালবাহানা, অপচয় ও যাচ্ছেতাই খরচ করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি।

সোমবার (৮ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির হলে অনুষ্ঠিতবাংলাদেশের আগামী অর্থ বছরের বাজেট: আমাদের ভাবনা ও জনগণের প্রত্যাশাশীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এ সভার আয়োজন করে। মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, সরকার প্রতিবছর বাজেট পেশ করে এবং সংসদে পাস করিয়ে নেয়। কিন্তু এই বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের যথাযথ নজরদারি, আমনতদারি ও জবাবদিহিতার যথেষ্ট ঘাটতি বরাবরই পরিলক্ষিত হয়। ফলে জনগণের কষ্টের টাকার বাজেটের একটি বড় অংশই অপব্যয়িত হয়। ক্রয় দুর্নীতির মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। এই ধারা রোধ করতেই হবে।

তিনি আরও বলেন, বাজেট কেবল অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নয়, বরং জনগণের দায়বদ্ধতার অঙ্গিকার। জনগণের করের টাকায় বাজেট হয়, ঋণও জনগণের ওপরে চাপানো হয়। কিন্তু জনগণ এই বাজেটের সুবিধা কতটা পাচ্ছে তা বিবেচনায় নেওয়া হয় না। বাজেটে যে সুবিধা জনগণের পাওয়ার কথা বলা হয়, তাও জনগণের কাছে পৌঁছায় না দুর্নীতিগ্রস্থ সামগ্রিক সিস্টেমের কারণে। তাই বাজেট যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হতে হলে শুধু নেতা নয় নীতির পরিবর্তনও ঘটাতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে ইসলামি শরিয়াহ একটি কার্যকর টুলস বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে উপস্থিতি ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ড. আফম খালিদ হোসেন, বরগুনা১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ, সাংবাদিক সোহবার হোসেন, সাবেক রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ, ক্যাবের কোঅর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার এম এ এম গোলাম কিবরিয়া, ইসলামিক চেম্বার অব কমার্সের সদস্য সচিব মাওলানা মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট শেখ আব্দুল্লাহ নাসের, নিজাম গ্রুপের এমডি মোহাম্মাদ নিজাম উদ্দিন, জয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান শামীম।