ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মহাসড়কে এআই ক্যামেরা স্থাপন করায় পরিবহনে চাঁদাবাজি কমে আসবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করছেন পিএসসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম আমরা টহল দেওয়া শুরু করলে অনেক এলাকা থেকে জামায়াত-শিবির নাই হয়ে যাবে: নুর বলিউড সিনেমা বানিয়ে যুদ্ধের পরাজয় মুছে ফেলা যায় না: পাকিস্তানের সেনাবাহিনী অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ভারতজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড়, আইএসআই সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক শত শত ইরান চুক্তিতে বাধা দিলে ওমানে ‘বোমা হামলার’ হুমকি ট্রাম্পের বাংলাদেশ থেকে এক হাজার ট্যাক্সি চালক নেবে দুবাই, মানতে হবে ৩ শর্ত বাংলাদেশ থেকে এক হাজার ট্যাক্সিচালক নেবে দুবাই, মানতে হবে যেসব শর্ত সাবেক সেনাপ্রধান আজিজকে ফেরাতে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে নিম্নমানের চাল, জনপ্রতিনিধিদের দাবি ‘গরুও খাবে না’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৬৪ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর বিভিন্ন খাদ্যগুদামে নিম্নমানের চাল সরবরাহ নিয়ে চলছে ব্যাপক সমালোচনা। হত দরিদ্র ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় যেসব সুবিধাভোগী এসব চাল পান তা একেবারেই খাওয়ার অযোগ্য। ‌দুর্গাপুর ও বাগমারায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের হাতে ধরা পড়ার পর উঠে আসে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য। একটি চক্র নিম্নমানের চাল সরবরাহ করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। এ ঘটনায় একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে নিম্নমানের চাল, জনপ্রতিনিধিদের দাবি ‘গরুও খাবে না’
সাইফুর রহমান রকি

নিয়ম অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে তা মিলে ছাঁটাই করে চাল সংগ্রহ করার কথা খাদ্য গুদামগুলোর। কিন্তু তা না করে নিম্নমানের চাল কিনে গুদামে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন খাদ্য বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা। সম্প্রতি রাজশাহীর দুর্গাপুর ও বাগমারা উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও খাদ্যবান্ধব প্রকল্পের ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করতে গিয়ে খাবার অনুপযোগী চাল দেখতে পান জনপ্রতিনিধিরা।

এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করলে সরেজমিনে ভবানীগঞ্জ ও দুর্গাপুর খাদ্য গুদাম পরিদর্শনে গিয়ে এর সত্যতা পান। সম্প্রতি চালের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। এতটাই নিম্নমানের চাল যা গবাদি পশু ও খাবেনা বলে মন্তব্য করেন জনপ্রতিনিধিরা। রাজশাহী দুর্গাপুরের জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) রুপালি খাতুন বলেন, ‘চাল ভালো নয়। কোনো বস্তারটিই খাওয়ার যোগ্য নয়। এমনকি গরুও খাবে না।’

রাজশাহী বাগমারার বড়বিহানালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলন বলেন, ‘ফুড অফিস বা সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তারা এই নিম্নমানের চাল কিনেছেন অতিরিক্ত মুনাফার জন্য। রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখানে প্রায় ২৩ ধরনের চাল সংগ্রহ করেছি। নমুনা সংগ্রহ করেছি। সেগুলো অত্যন্ত নিম্নমানের। আমরা এটার মান স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছি।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মহাসড়কে এআই ক্যামেরা স্থাপন করায় পরিবহনে চাঁদাবাজি কমে আসবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে নিম্নমানের চাল, জনপ্রতিনিধিদের দাবি ‘গরুও খাবে না’

আপডেট সময় ১২:১৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

রাজশাহীর বিভিন্ন খাদ্যগুদামে নিম্নমানের চাল সরবরাহ নিয়ে চলছে ব্যাপক সমালোচনা। হত দরিদ্র ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় যেসব সুবিধাভোগী এসব চাল পান তা একেবারেই খাওয়ার অযোগ্য। ‌দুর্গাপুর ও বাগমারায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের হাতে ধরা পড়ার পর উঠে আসে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য। একটি চক্র নিম্নমানের চাল সরবরাহ করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। এ ঘটনায় একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে নিম্নমানের চাল, জনপ্রতিনিধিদের দাবি ‘গরুও খাবে না’
সাইফুর রহমান রকি

নিয়ম অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে তা মিলে ছাঁটাই করে চাল সংগ্রহ করার কথা খাদ্য গুদামগুলোর। কিন্তু তা না করে নিম্নমানের চাল কিনে গুদামে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন খাদ্য বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা। সম্প্রতি রাজশাহীর দুর্গাপুর ও বাগমারা উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও খাদ্যবান্ধব প্রকল্পের ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করতে গিয়ে খাবার অনুপযোগী চাল দেখতে পান জনপ্রতিনিধিরা।

এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করলে সরেজমিনে ভবানীগঞ্জ ও দুর্গাপুর খাদ্য গুদাম পরিদর্শনে গিয়ে এর সত্যতা পান। সম্প্রতি চালের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। এতটাই নিম্নমানের চাল যা গবাদি পশু ও খাবেনা বলে মন্তব্য করেন জনপ্রতিনিধিরা। রাজশাহী দুর্গাপুরের জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) রুপালি খাতুন বলেন, ‘চাল ভালো নয়। কোনো বস্তারটিই খাওয়ার যোগ্য নয়। এমনকি গরুও খাবে না।’

রাজশাহী বাগমারার বড়বিহানালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলন বলেন, ‘ফুড অফিস বা সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তারা এই নিম্নমানের চাল কিনেছেন অতিরিক্ত মুনাফার জন্য। রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখানে প্রায় ২৩ ধরনের চাল সংগ্রহ করেছি। নমুনা সংগ্রহ করেছি। সেগুলো অত্যন্ত নিম্নমানের। আমরা এটার মান স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছি।’