ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা ১১ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত, সর্বোচ্চ ১৯০ আসন জামায়াতে ইসলামী ভোলায় বালিশ চাপায় স্ত্রীকে হত্যা, পাষণ্ড স্বামী আটক ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড বিতরণ বন্ধের দাবি জামায়াতের, সিইসির সঙ্গে বৈঠকে প্রটোকল সমতার আহ্বান জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়; নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারী গ্রেফতার বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ বাউফলে জামায়াতের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রাশেদ প্রধান ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ নামে নির্বাচনে অংশ নেবে ১১ দল

এবার পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে আগ্রহী তুরস্ক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

এবার সৌদি আরব ও পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে তৎপরতা চালাচ্ছে তুরস্ক। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন সামরিক জোট গড়ে উঠতে পারে। বার্তা সংস্থা ব্লুমবার্গ শুক্রবার জানিয়েছে, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা ভালো পর্যায়ে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। এদিকে আংকারা ও রিয়াদের সঙ্গে ইসলামাবাদের সামরিক সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হচ্ছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।

রয়টার্স জানায়, পাকিস্তান শিগগিরই সুদানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ১৫০ কোটি ডলারের একটি অস্ত্র চুক্তি চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে। সুদানের সেনাবাহিনী সৌদি আরব ও তুরস্কের সমর্থনপুষ্ট এবং তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)-সমর্থিত আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান সুদানের সেনাবাহিনীকে ১০টি কারাকোরাম-৮ যুদ্ধবিমান, নজরদারি ও আত্মঘাতী হামলার জন্য ২০০টির বেশি ড্রোন এবং উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রি করবে। পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল আমির মাসুদ বলেন, এই বিক্রি চূড়ান্ত এবং এর সঙ্গে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানও যুক্ত হতে পারে।

তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে যদি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তাহলে এটি অঞ্চলটির তিনটি প্রভাবশালী দেশকে একত্র করবে। যাদের প্রত্যেকেরই আলাদা কৌশলগত শক্তি রয়েছে। তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরব আরব বিশ্বের একমাত্র জি-২০ অর্থনীতি এবং মক্কা ও মদিনার মতো ইসলামের দুই পবিত্র নগরের দেশ। পাকিস্তান মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র। আর এশিয়া ও ইউরোপের সংযোগস্থলে অবস্থিত তুরস্কের রয়েছে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী। ইসলামাবাদ ও আংকারা দুই দেশই এখন বড় অস্ত্র উৎপাদক ও রপ্তানিকারক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। তুরস্ক ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ড্রোন সরবরাহ করেছে এবং সিরিয়ায় প্রধান সামরিক সমর্থক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। লিবিয়াতেও দেশটির সেনা মোতায়েন রয়েছে। অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পাকিস্তান সামরিক দক্ষতাকে অর্থনৈতিক লাভে রূপ দিতে চাইছে।

গত ডিসেম্বরে দেশটি লিবিয়ার জেনারেল খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির কাছে ১৬টি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানসহ সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির জন্য ৪০০ কোটি ডলারের চুক্তি করে। এর আগে রয়টার্স জানিয়েছিল, সৌদি আরব ও পাকিস্তান প্রায় ২০০ কোটি ডলারের সৌদি ঋণকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তিতে রূপান্তর করার বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। এসব যুদ্ধবিমান চীন ও পাকিস্তান যৌথভাবে উৎপাদন করে। ইতিহাসগতভাবে পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদি আরব ও তুরস্ক—উভয়েরই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, যদিও সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে সব সময় সখ্য ছিল না। আরব বসন্তের সময় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান যে গণআন্দোলনগুলোকে সমর্থন করেছিলেন, সৌদি আরব সেগুলোকে তাদের রাজতান্ত্রিক শাসনের জন্য হুমকি হিসেবে দেখেছিল।

এক দশক আগে লিবিয়ায় তুরস্কের বিরুদ্ধে সৌদি আরব ও ইউএই একজোট হয়েছিল। তারা মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকেও সমর্থন দিয়েছিল, যাকে একসময় এরদোয়ান কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছিলেন। তবে সময়ের সঙ্গে আঞ্চলিক সমীকরণ বদলেছে। জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংগঠন ও ইতিহাসবিদদের মতে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ গণহত্যার শামিল এবং লেবানন, সিরিয়া ও ইরানে হামলা নিয়ে যৌথ উদ্বেগের কারণে এরদোয়ান ও সিসির মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ হচ্ছে। সৌদি আরব ও তুরস্কও ২০২১ সালের পর থেকে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে শুরু করে।

সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার মতো স্পর্শকাতর অঞ্চলে দুই দেশ কৌশলগতভাবে কাছাকাছি এসেছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সরকারের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। সুদানের গৃহযুদ্ধেও সৌদি আরব ও তুরস্ক একই পক্ষকে সমর্থন করছে। অন্যদিকে সৌদি আরব ও ইউএইয়ের অংশীদারিত্বে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। ইয়েমেনে ইউএই-সমর্থিত দক্ষিণী ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের বিরুদ্ধে সৌদি হামলা চালিয়েছে এবং রিয়াদের মিত্ররা ইয়েমেন থেকে এসটিসি ও ইউএইকে হটিয়ে দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তান সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা জোট মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও শক্তির ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের

এবার পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে আগ্রহী তুরস্ক

আপডেট সময় ১১:৫৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

এবার সৌদি আরব ও পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে তৎপরতা চালাচ্ছে তুরস্ক। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন সামরিক জোট গড়ে উঠতে পারে। বার্তা সংস্থা ব্লুমবার্গ শুক্রবার জানিয়েছে, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা ভালো পর্যায়ে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। এদিকে আংকারা ও রিয়াদের সঙ্গে ইসলামাবাদের সামরিক সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হচ্ছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।

রয়টার্স জানায়, পাকিস্তান শিগগিরই সুদানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ১৫০ কোটি ডলারের একটি অস্ত্র চুক্তি চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে। সুদানের সেনাবাহিনী সৌদি আরব ও তুরস্কের সমর্থনপুষ্ট এবং তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)-সমর্থিত আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান সুদানের সেনাবাহিনীকে ১০টি কারাকোরাম-৮ যুদ্ধবিমান, নজরদারি ও আত্মঘাতী হামলার জন্য ২০০টির বেশি ড্রোন এবং উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রি করবে। পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল আমির মাসুদ বলেন, এই বিক্রি চূড়ান্ত এবং এর সঙ্গে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানও যুক্ত হতে পারে।

তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে যদি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তাহলে এটি অঞ্চলটির তিনটি প্রভাবশালী দেশকে একত্র করবে। যাদের প্রত্যেকেরই আলাদা কৌশলগত শক্তি রয়েছে। তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরব আরব বিশ্বের একমাত্র জি-২০ অর্থনীতি এবং মক্কা ও মদিনার মতো ইসলামের দুই পবিত্র নগরের দেশ। পাকিস্তান মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র। আর এশিয়া ও ইউরোপের সংযোগস্থলে অবস্থিত তুরস্কের রয়েছে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী। ইসলামাবাদ ও আংকারা দুই দেশই এখন বড় অস্ত্র উৎপাদক ও রপ্তানিকারক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। তুরস্ক ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ড্রোন সরবরাহ করেছে এবং সিরিয়ায় প্রধান সামরিক সমর্থক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। লিবিয়াতেও দেশটির সেনা মোতায়েন রয়েছে। অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পাকিস্তান সামরিক দক্ষতাকে অর্থনৈতিক লাভে রূপ দিতে চাইছে।

গত ডিসেম্বরে দেশটি লিবিয়ার জেনারেল খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির কাছে ১৬টি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানসহ সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির জন্য ৪০০ কোটি ডলারের চুক্তি করে। এর আগে রয়টার্স জানিয়েছিল, সৌদি আরব ও পাকিস্তান প্রায় ২০০ কোটি ডলারের সৌদি ঋণকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তিতে রূপান্তর করার বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। এসব যুদ্ধবিমান চীন ও পাকিস্তান যৌথভাবে উৎপাদন করে। ইতিহাসগতভাবে পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদি আরব ও তুরস্ক—উভয়েরই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, যদিও সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে সব সময় সখ্য ছিল না। আরব বসন্তের সময় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান যে গণআন্দোলনগুলোকে সমর্থন করেছিলেন, সৌদি আরব সেগুলোকে তাদের রাজতান্ত্রিক শাসনের জন্য হুমকি হিসেবে দেখেছিল।

এক দশক আগে লিবিয়ায় তুরস্কের বিরুদ্ধে সৌদি আরব ও ইউএই একজোট হয়েছিল। তারা মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকেও সমর্থন দিয়েছিল, যাকে একসময় এরদোয়ান কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছিলেন। তবে সময়ের সঙ্গে আঞ্চলিক সমীকরণ বদলেছে। জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংগঠন ও ইতিহাসবিদদের মতে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ গণহত্যার শামিল এবং লেবানন, সিরিয়া ও ইরানে হামলা নিয়ে যৌথ উদ্বেগের কারণে এরদোয়ান ও সিসির মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ হচ্ছে। সৌদি আরব ও তুরস্কও ২০২১ সালের পর থেকে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে শুরু করে।

সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার মতো স্পর্শকাতর অঞ্চলে দুই দেশ কৌশলগতভাবে কাছাকাছি এসেছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সরকারের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। সুদানের গৃহযুদ্ধেও সৌদি আরব ও তুরস্ক একই পক্ষকে সমর্থন করছে। অন্যদিকে সৌদি আরব ও ইউএইয়ের অংশীদারিত্বে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। ইয়েমেনে ইউএই-সমর্থিত দক্ষিণী ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের বিরুদ্ধে সৌদি হামলা চালিয়েছে এবং রিয়াদের মিত্ররা ইয়েমেন থেকে এসটিসি ও ইউএইকে হটিয়ে দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তান সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা জোট মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও শক্তির ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।