ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতের মিশনগুলো হবে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে টাকা দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক, প্রমাণ করতে পারলে তাকে মেডেল দেব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে জামায়াত আমির ৭  মাসে দেশ কেঁপেছে ৩০ বার: ঢাকার ৬ লাখ ভবনের ৪০ শতাংশ ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্যের ২১টি মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের হামলা  যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান আজ নাসির-তামিমার বিয়ে মামলার রায়, দোষ প্রমাণ হলে হতে পারে ৭ বছরের কারাদণ্ড রামিসার পাশের বাসা থেকে পাঁচ বছরের শিশু নিখোঁজ, চার দিনেও মেলেনি খোঁজ জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, সাইরেন বাজছে কুয়েতেও বাংলাদেশে সাড়ে ৮ হাজার অবৈধ ভারতীয় নাগরিক, চাকরী করছেন বিভিন্ন সেক্টরে বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহর ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

‘সোজা গুলি চালাতে’ নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা: চিফ প্রসিকিউটর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৩৮:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে

জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘লেথাল ওয়েপন’ ব্যবহার করে ‘সোজা গুলি করার’ নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

রোববার (১০ মে) নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এদিন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শেখ হাসিনা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের কথোপকথনে এমন নির্দেশনার বিষয় উঠে এসেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘ওপেন নির্দেশনা দেওয়া ছিল— লেথাল ওয়েপন ব্যবহার করবে, যেখানে পাবে সোজা গুলি করবে।’

তিনি দাবি করেন, একজন সরকারপ্রধান হিসেবে এমন নির্দেশনা ছিল অমানবিক ও ভয়াবহ। এর ফলে সারা দেশে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানোর প্রবণতা বেড়ে যায় এবং বহু মানুষ নিহত হন।

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুর এলাকায় ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে ফাইয়াজ হত্যাকাণ্ড পুরো দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটরের ভাষ্য, মোহাম্মদপুরের এ মামলায় ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’, ‘ইন্ডিভিজুয়াল রেসপনসিবিলিটি’ এবং ‘টার্গেটেড কিলিং’-এর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে অভিযোগ গঠন করেছে এবং আগামী ৮ জুন থেকে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতের মিশনগুলো হবে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর: প্রধানমন্ত্রী

‘সোজা গুলি চালাতে’ নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় ০৫:৩৮:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘লেথাল ওয়েপন’ ব্যবহার করে ‘সোজা গুলি করার’ নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

রোববার (১০ মে) নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এদিন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শেখ হাসিনা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের কথোপকথনে এমন নির্দেশনার বিষয় উঠে এসেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘ওপেন নির্দেশনা দেওয়া ছিল— লেথাল ওয়েপন ব্যবহার করবে, যেখানে পাবে সোজা গুলি করবে।’

তিনি দাবি করেন, একজন সরকারপ্রধান হিসেবে এমন নির্দেশনা ছিল অমানবিক ও ভয়াবহ। এর ফলে সারা দেশে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানোর প্রবণতা বেড়ে যায় এবং বহু মানুষ নিহত হন।

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুর এলাকায় ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে ফাইয়াজ হত্যাকাণ্ড পুরো দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটরের ভাষ্য, মোহাম্মদপুরের এ মামলায় ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’, ‘ইন্ডিভিজুয়াল রেসপনসিবিলিটি’ এবং ‘টার্গেটেড কিলিং’-এর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে অভিযোগ গঠন করেছে এবং আগামী ৮ জুন থেকে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।