ঢাকা , সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর রাস্তায় প্রথম জুমার নামাজ আদায় করলেন ফিলিস্তিনিরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

অবশেষে দীর্ঘ সংঘাতের পর অবশেষে কার্যকর্যর হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রথম জুমার নামাজ আদায় করলেন গাজার ফিলিস্তিনিরা। হামাস এবং ইসরায়েলের মধ্যে কাতার, মিশর, তুরস্ক ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শুক্রবার বিকেলে কার্যকর্যর হওয়ার পর এই দৃশ্য দেখা যায়।

এই যুদ্ধবিরতি গাজার বাসিন্দাদের জীবনে কিছুটা স্বস্তি এনেছে। দীর্ঘদুই বছরের সংঘাতে বিধ্বস্ত এই ভূখণ্ডে বহু ফিলিস্তিনি আজ নির্ভয়ে, খোলা আকাশের নিচে কিংবা অক্ষত থাকা মসজিদগুলিতে জুমার নামাজ আদায়ে সমবেত হন।

যুদ্ধ, বোমা হামলা এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে যা এতদিন সম্ভব ছিল না। নামাজে অংশ নেওয়া হাজার হাজার মানুষ স্বজন হারানোর বেদনা এবং ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়েও আল্লাহর কাছে শান্তি ও স্থায়ী নিরাপত্তার জন্য দোয়া করেছেন।

শুক্রবার দুপুরে যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি কার্যকর হয়। এই চুক্তির প্রথম ধাপে জিম্মিদের মুক্তি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর আংশিক প্রত্যাহারের কথা রয়েছে। ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা চুক্তিটি অনুমোদন করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং এরপরই ইসরায়েলি বাহিনী গাজার কিছুঅংশ থেকে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে।

যুদ্ধবিরতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর গাজার বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলে আশ্রয়নেওয়া বহু বাস্তুচ্যুত মানুষ উত্তর গাজার দিকে নিজেদের ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়ির উদ্দেশে ফিরতে শুরু করেছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর রাস্তায় প্রথম জুমার নামাজ আদায় করলেন ফিলিস্তিনিরা

আপডেট সময় ১১:০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

অবশেষে দীর্ঘ সংঘাতের পর অবশেষে কার্যকর্যর হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রথম জুমার নামাজ আদায় করলেন গাজার ফিলিস্তিনিরা। হামাস এবং ইসরায়েলের মধ্যে কাতার, মিশর, তুরস্ক ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শুক্রবার বিকেলে কার্যকর্যর হওয়ার পর এই দৃশ্য দেখা যায়।

এই যুদ্ধবিরতি গাজার বাসিন্দাদের জীবনে কিছুটা স্বস্তি এনেছে। দীর্ঘদুই বছরের সংঘাতে বিধ্বস্ত এই ভূখণ্ডে বহু ফিলিস্তিনি আজ নির্ভয়ে, খোলা আকাশের নিচে কিংবা অক্ষত থাকা মসজিদগুলিতে জুমার নামাজ আদায়ে সমবেত হন।

যুদ্ধ, বোমা হামলা এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে যা এতদিন সম্ভব ছিল না। নামাজে অংশ নেওয়া হাজার হাজার মানুষ স্বজন হারানোর বেদনা এবং ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়েও আল্লাহর কাছে শান্তি ও স্থায়ী নিরাপত্তার জন্য দোয়া করেছেন।

শুক্রবার দুপুরে যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি কার্যকর হয়। এই চুক্তির প্রথম ধাপে জিম্মিদের মুক্তি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর আংশিক প্রত্যাহারের কথা রয়েছে। ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা চুক্তিটি অনুমোদন করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং এরপরই ইসরায়েলি বাহিনী গাজার কিছুঅংশ থেকে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে।

যুদ্ধবিরতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর গাজার বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলে আশ্রয়নেওয়া বহু বাস্তুচ্যুত মানুষ উত্তর গাজার দিকে নিজেদের ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়ির উদ্দেশে ফিরতে শুরু করেছেন।