ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামে বাঁচছে ইরানের লাখ লাখ শিশু, বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ ক্লাইভের সঙ্গে মীর জাফরের চুক্তি আর আমেরিকার সঙ্গে ইউনূসের চুক্তি একইঃ ফজলুর রহমান ভারতে মসজিদকে মন্দির ঘোষণা আদালতের, নামাজ পড়তে পারবেন না মুসল্লিরা পাকিস্তানের সঙ্গে অতিরিক্ত সম্পর্ক আমাদের জাতিকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাবে: ফজলুর রহমান আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী কণ্ঠস্বর ছিলেন কারিনা: আসিফ মাহমুদ বড় চুক্তি ছাড়াই শেষ হলো ট্রাম্পের চীন সফর একই ভুল করলে বিএনপির অবস্থাও আওয়ামী লীগের মতো হবে: ফজলুর রহমান আল্লাহ আর তাকে কষ্ট দিতে চাননি, তাই রহমতের ছায়ায় নিজের কাছে নিয়ে গিয়েছেন: কায়সার হামিদ স্বামীকে হত্যা করে লাশ টুকরো, ফ্রিজে রাখতে গিয়ে ধরা স্ত্রী

“জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌসের অকাল প্রয়াণ, পরিবারে শোকের ছায়া”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:২৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১২৯৬ বার পড়া হয়েছে

চলতি বছরের জানুয়ারিতে পারিবারিকভাবে বিয়ে রেজিস্ট্রি হয়েছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস মৌমিতা। পরিবারের আশা ছিল একমাত্র মেয়েকে জাকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো। কিন্তু মাত্র ৩০ বছর বয়সে তিনি পরপারে পাড়ি জমালেন। পাবনা শহরের জেলাপাড়া মহল্লার রাবেয়া ভিলাতে তার নিজ বাড়িতে শোকের মাতম চলছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, দৈনিক ইত্তেফাকের পাবনা প্রতিনিধি ও অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক রুমি খন্দকার এবং পাবনা কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক লুৎফুন্নাহার পলির একমাত্র সন্তান। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালে জন্ম নেওয়া জান্নাতুল ছো্টবেলা থেকেই মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০০৯ সালে পাবনা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১১ সালে পাবনা মহিলা কলেজ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানেই অনার্স ও মাস্টার্স শেষে ২০২১ সালে চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন।

তার বাবা রুমি খন্দকার জানিয়েছেন, জাকসু নির্বাচনের দায়িত্ব শেষে রাত ১২টার দিকে শিক্ষক কোয়ার্টারে বাড়ি গিয়েছিলেন। পরদিন সকালে ভোট গণনার কক্ষে ডাকার পর সেখানে যান। সকাল ৮টা ১৮ মিনিটে তার সঙ্গে শেষ মেসেজ আসে, “বাবা, আমি ভোট গণনা করতে যাচ্ছি।” কিন্তু কক্ষে প্রবেশের আগেই দরজার সামনেই তিনি পড়ে যান এবং পরে মৃত্যু হয়।

জান্নাতুল ফেরদৌসের মরদেহ বর্তমানে পাবনার পথে। পাবনা পৌর এলাকার কাচারীপাড়া জামে মসজিদে বাদ এশা তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে মরদেহ আরিফপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামে বাঁচছে ইরানের লাখ লাখ শিশু, বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ

“জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌসের অকাল প্রয়াণ, পরিবারে শোকের ছায়া”

আপডেট সময় ০৮:২৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চলতি বছরের জানুয়ারিতে পারিবারিকভাবে বিয়ে রেজিস্ট্রি হয়েছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস মৌমিতা। পরিবারের আশা ছিল একমাত্র মেয়েকে জাকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো। কিন্তু মাত্র ৩০ বছর বয়সে তিনি পরপারে পাড়ি জমালেন। পাবনা শহরের জেলাপাড়া মহল্লার রাবেয়া ভিলাতে তার নিজ বাড়িতে শোকের মাতম চলছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, দৈনিক ইত্তেফাকের পাবনা প্রতিনিধি ও অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক রুমি খন্দকার এবং পাবনা কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক লুৎফুন্নাহার পলির একমাত্র সন্তান। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালে জন্ম নেওয়া জান্নাতুল ছো্টবেলা থেকেই মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০০৯ সালে পাবনা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১১ সালে পাবনা মহিলা কলেজ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানেই অনার্স ও মাস্টার্স শেষে ২০২১ সালে চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন।

তার বাবা রুমি খন্দকার জানিয়েছেন, জাকসু নির্বাচনের দায়িত্ব শেষে রাত ১২টার দিকে শিক্ষক কোয়ার্টারে বাড়ি গিয়েছিলেন। পরদিন সকালে ভোট গণনার কক্ষে ডাকার পর সেখানে যান। সকাল ৮টা ১৮ মিনিটে তার সঙ্গে শেষ মেসেজ আসে, “বাবা, আমি ভোট গণনা করতে যাচ্ছি।” কিন্তু কক্ষে প্রবেশের আগেই দরজার সামনেই তিনি পড়ে যান এবং পরে মৃত্যু হয়।

জান্নাতুল ফেরদৌসের মরদেহ বর্তমানে পাবনার পথে। পাবনা পৌর এলাকার কাচারীপাড়া জামে মসজিদে বাদ এশা তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে মরদেহ আরিফপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।