ঢাকা , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভেঙে গেল পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা, মমতা এখন কী করবেন দুবাই থেকে গ্রেপ্তার মূল আসামি আরিফ বরিশালে নারী শিক্ষার্থীকে হত্যা, মূল আসামি মাইনুল গ্রেপ্তার বিয়ের ১০ বছর পর একসঙ্গে সাত সন্তানের জন্ম, বাঁচল না কেউ মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত দিপালীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে জামায়াত আমিরের সঙ্গে জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের বৈঠক মায়ের কাছে স্মার্ট ফোনের আবদার, টাকা না পেয়ে যুবকের আত্মহত্যা বিদ্যালয়ে সিনিয়রকে ‘তুই’ সম্বোধন করায় মাথা ফাটলো দুই শিক্ষার্থীর হাসপাতালে গৃহবধূর মরদেহ রেখে পালালেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর বিষয়ে সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৩ নভেম্বর কী হবে ঢাকায়, চিন্তায় কলকাতার আ.লীগ নেতারাও

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আগামী ১৩ নভেম্বর ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। একই দিন ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের সহিংসতা ও গোলযোগের পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে নিউ টাউনে অবস্থানরত পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের একটি অংশ

সূত্রমতে, ওইদিন দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য তারা সন্ত্রাসী, বস্তিবাসী, টোকাই ও তরুণদের অর্থের বিনিময়ে ব্যবহার করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। এতে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যেও বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে।
একটি অংশ মনে করছে, ১৩ নভেম্বরই সহিংসতার মাধ্যমে ক্ষমতায় ফেরা সম্ভব, অন্য অংশ বলছে, গণতান্ত্রিক কৌশলে সময় নিয়ে ফিরে আসাই নিরাপদ

নিউ টাউনে অবস্থানরত দলটির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও তানভির হাসান মনির রয়েছেন বলে জানা গেছে।

গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে ‘আত্মগোপনে’ রয়েছেন। মামলার সহ-অভিযুক্ত হিসেবে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ আরও কয়েকজন উচ্চপদস্থ নেতা পলাতক আছেন।

এদিকে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ইতোমধ্যে ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। রায় ঘোষণার দিন যেকোনো সহিংসতা রোধে রাজধানীজুড়ে পুলিশ, র‍্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের মোতায়েন করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ভারতের গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের দাবি— সীমান্ত এলাকায় তিনটি সামরিক ঘাঁটি তৈরি ও হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। তারা মনে করছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে শরণার্থী প্রবাহ বা জঙ্গি অনুপ্রবেশের ঝুঁকি মোকাবিলায় এ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে দিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপড়েন ভারতকেও সতর্ক অবস্থানে রেখেছে।
সব মিলিয়ে, ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক উত্তপ্ত ও অনিশ্চিত দিন অপেক্ষা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেঙে গেল পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা, মমতা এখন কী করবেন

১৩ নভেম্বর কী হবে ঢাকায়, চিন্তায় কলকাতার আ.লীগ নেতারাও

আপডেট সময় ০৯:৪৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আগামী ১৩ নভেম্বর ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। একই দিন ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের সহিংসতা ও গোলযোগের পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে নিউ টাউনে অবস্থানরত পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের একটি অংশ

সূত্রমতে, ওইদিন দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য তারা সন্ত্রাসী, বস্তিবাসী, টোকাই ও তরুণদের অর্থের বিনিময়ে ব্যবহার করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। এতে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যেও বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে।
একটি অংশ মনে করছে, ১৩ নভেম্বরই সহিংসতার মাধ্যমে ক্ষমতায় ফেরা সম্ভব, অন্য অংশ বলছে, গণতান্ত্রিক কৌশলে সময় নিয়ে ফিরে আসাই নিরাপদ

নিউ টাউনে অবস্থানরত দলটির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও তানভির হাসান মনির রয়েছেন বলে জানা গেছে।

গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে ‘আত্মগোপনে’ রয়েছেন। মামলার সহ-অভিযুক্ত হিসেবে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ আরও কয়েকজন উচ্চপদস্থ নেতা পলাতক আছেন।

এদিকে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ইতোমধ্যে ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। রায় ঘোষণার দিন যেকোনো সহিংসতা রোধে রাজধানীজুড়ে পুলিশ, র‍্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের মোতায়েন করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ভারতের গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের দাবি— সীমান্ত এলাকায় তিনটি সামরিক ঘাঁটি তৈরি ও হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। তারা মনে করছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে শরণার্থী প্রবাহ বা জঙ্গি অনুপ্রবেশের ঝুঁকি মোকাবিলায় এ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে দিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপড়েন ভারতকেও সতর্ক অবস্থানে রেখেছে।
সব মিলিয়ে, ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক উত্তপ্ত ও অনিশ্চিত দিন অপেক্ষা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।