ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের পাশে স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসকেরা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনে বিজেপি ও শরিকদের অস্বস্তি রান্নার সময় মাংসের রং হলো সবুজ, কড়াই নিয়ে থানায় হাজির শিশুকে বলাৎকার করে মাদরাসাশিক্ষক বললেন, ‘মনে করো তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ তারেক রহমানের পাঙ্খা গজাইছে, সব পাঙ্খা ভেঙে মাটিতে পড়ে যাবে: পাটওয়ারী যে মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীকে লাল কার্ড ধরিয়ে দিতে চান পাটওয়ারী, সেই মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন সারজিস আলম সরকারি নির্দেশেই দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধ, দাবি টেলিকম সংস্থাগুলোর বাবাকে হারিয়েও থামেনি জীবন, রাতের ডিউটি শেষে সকালে এইচএসসি পরীক্ষা দিলেন ইকন মেয়েটা যে অরক্ষিত হলো, এই দায়ভার কে নেবে: মনিরা শারমিন

অনুমোদন মেলেনি ভারতের, নেপাল থেকে বাংলাদেশে আসছে না বিদ্যুৎ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

আগামী ১৫ জুন থেকে বাংলাদেশে শুধুমাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করবে নেপাল। যদিও ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির কথা ছিল। কিন্তু ভারতের অনুমোদন না মেলায় এ বাড়তি বিদ্যুৎ ঢাকায় আসছে না। রোববার (১৪ জুন) দেশটির জ্বালানি কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট। তারা বলেছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (সিইএ) বিদ্যুৎ পরিবহন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণ দেখিয়ে অনুমোদন স্থগিত করে দিয়েছে।

এই কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, নতুন একটি সংশোধিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি, নেপালভারতের জ্বালানি বিভাগের সচিব পর্যায়ের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্তসহ আরও কিছু বিষয় এখনো সম্পন্ন করা বাকি। বর্ষা মৌসুমে নেপাল তার বাড়তি বিদ্যুৎ বাংলাদেশ ও ভারতে রপ্তানি করে। অপরদিকে শীতকালে ভারত থেকে তারা উল্টো বিদ্যুৎ আমদানি করে। ২০২৫ সালে ২৭ নভেম্বর ঢাকায় নেপালভারতের সচিব পর্যায়ের কমিটির একটি বৈঠক হয়। সেখানে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির বিদ্যমান চুক্তির বাইরে আরও ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির চুক্তি হয়। এছাড়া ওই বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিষয়টির অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করার ব্যাপারেও সবাই একমত হয়।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের বিদ্যুৎ বাণিজ্য সংস্থা লিমিটেডের কাছে বাংলাদেশে বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির ব্যবস্থার অনুরোধ জানায়। কিন্তু ভারতের বিদুৎ বাণিজ্য সংস্থা নেপালকে জানায়, বাংলাদেশভারতের মধ্যে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের যে লাইন আছে সেটি দিয়ে বাড়তি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব নয়। নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিদ্যুৎ বাণিজ্য বিভাগের পরিচালক বাহাদুর থাপা বলেছেন, “এবার বাংলাদেশে শুধুমাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাবে। যদিও বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির ত্রিপক্ষীয় চুক্তিটি সম্পন্ন হয়নি, কিন্তু আগের ৪০ মেগাওয়াটের মতো আমরা ভারতে বিদ্যুৎ বাণিজ্য সংস্থার মাধ্যমে এই বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু তারা জানায়, বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির মতো সক্ষমতা তাদের নেই।

এখন বাংলাদেশে বাড়তি এই বিদ্যুৎ রপ্তানি নিয়ে নেপাল ও ভারতকে আবারও আলোচনায় বসতে হবে। কিন্তু এ আলোচনা কবে হবে সেটি এখনো ঠিক হয়নি। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভারতের লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানির ব্যাপারে চুক্তি হয়। ওই বছরের ১৫ নভেম্বর প্রথমবার দেশটি বাংলাদেশে বিদুৎ পাঠায়। ওইদিন ১২ ঘণ্টা তারা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। নেপালের বিদ্যুৎ ঢালকেবারমুজাফ্ফরপুর ৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে প্রথমে ভারতে যায়। এরপর বহরমপুরভেড়ামারা ৪০০ কেভি লাইন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী

অনুমোদন মেলেনি ভারতের, নেপাল থেকে বাংলাদেশে আসছে না বিদ্যুৎ

আপডেট সময় ০১:২৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

আগামী ১৫ জুন থেকে বাংলাদেশে শুধুমাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করবে নেপাল। যদিও ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির কথা ছিল। কিন্তু ভারতের অনুমোদন না মেলায় এ বাড়তি বিদ্যুৎ ঢাকায় আসছে না। রোববার (১৪ জুন) দেশটির জ্বালানি কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট। তারা বলেছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (সিইএ) বিদ্যুৎ পরিবহন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণ দেখিয়ে অনুমোদন স্থগিত করে দিয়েছে।

এই কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, নতুন একটি সংশোধিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি, নেপালভারতের জ্বালানি বিভাগের সচিব পর্যায়ের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্তসহ আরও কিছু বিষয় এখনো সম্পন্ন করা বাকি। বর্ষা মৌসুমে নেপাল তার বাড়তি বিদ্যুৎ বাংলাদেশ ও ভারতে রপ্তানি করে। অপরদিকে শীতকালে ভারত থেকে তারা উল্টো বিদ্যুৎ আমদানি করে। ২০২৫ সালে ২৭ নভেম্বর ঢাকায় নেপালভারতের সচিব পর্যায়ের কমিটির একটি বৈঠক হয়। সেখানে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির বিদ্যমান চুক্তির বাইরে আরও ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির চুক্তি হয়। এছাড়া ওই বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিষয়টির অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করার ব্যাপারেও সবাই একমত হয়।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের বিদ্যুৎ বাণিজ্য সংস্থা লিমিটেডের কাছে বাংলাদেশে বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির ব্যবস্থার অনুরোধ জানায়। কিন্তু ভারতের বিদুৎ বাণিজ্য সংস্থা নেপালকে জানায়, বাংলাদেশভারতের মধ্যে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের যে লাইন আছে সেটি দিয়ে বাড়তি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব নয়। নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিদ্যুৎ বাণিজ্য বিভাগের পরিচালক বাহাদুর থাপা বলেছেন, “এবার বাংলাদেশে শুধুমাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাবে। যদিও বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির ত্রিপক্ষীয় চুক্তিটি সম্পন্ন হয়নি, কিন্তু আগের ৪০ মেগাওয়াটের মতো আমরা ভারতে বিদ্যুৎ বাণিজ্য সংস্থার মাধ্যমে এই বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু তারা জানায়, বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির মতো সক্ষমতা তাদের নেই।

এখন বাংলাদেশে বাড়তি এই বিদ্যুৎ রপ্তানি নিয়ে নেপাল ও ভারতকে আবারও আলোচনায় বসতে হবে। কিন্তু এ আলোচনা কবে হবে সেটি এখনো ঠিক হয়নি। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভারতের লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানির ব্যাপারে চুক্তি হয়। ওই বছরের ১৫ নভেম্বর প্রথমবার দেশটি বাংলাদেশে বিদুৎ পাঠায়। ওইদিন ১২ ঘণ্টা তারা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। নেপালের বিদ্যুৎ ঢালকেবারমুজাফ্ফরপুর ৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে প্রথমে ভারতে যায়। এরপর বহরমপুরভেড়ামারা ৪০০ কেভি লাইন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।