ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানের বন্দর আব্বাস ও সিরিকে শক্তিশালী বিস্ফোরণ যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ৮ ইরানি সেনা নিহত ১৯ দিন পর আবারও খুলছে শাহজালাল মাজারের দানবাক্স আর্জেন্টিনা ম্যাচ নিয়ে এবার আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিল মিশর ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়ন-জনসেবা নিশ্চিতে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সমন্বয় সভা সমালোচনার ঝড়ে গা ঢাকা দিলেন আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের ‘বিতর্কিত’ রেফারি গত দুই বিশ্বকাপে পেনাল্টি পাওয়ার শীর্ষে আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত দুঃসংবাদ, তদন্তের মুখে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের পরও মিশরকে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার দিচ্ছে ফিফা যুক্তরাষ্ট্র দলের দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করল ফিফা

ভারতের ওপর আরো শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬০৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ট্রাম্প-পুতিন আলোচনা ব্যর্থ হলে ভারতের ওপর শুল্ক আরো বাড়তে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি বলেন, শুক্রবার আলাস্কায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের ফলাফলের ওপর শুল্ক আরোপের এই সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে। খবর বিবিসির।

স্থানীয় সময় বুধবার ব্লুমবার্গ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ‘আমরা রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারতের ওপর অতিরিক্তি শুল্ক আরোপ করেছি। যদি পরিস্থিতি ঠিক না হয়, তাহলে নিষেধাজ্ঞা বা শুল্ক আরো বাড়তে পারে।’

চলতি আগস্ট মাসের শুরুতে, রাশিয়া থেকে তেল এবং অস্ত্র কেনার শাস্তি হিসেবে ভারতীয় পণ্য আমদানিতে শুল্কের পরিমাণ দ্বিগুণ করেন ট্রাম্প। দ্বিগুণ করায় এখন ভারতীয় পণ্যে শুল্কের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে। মস্কো শান্তি চুক্তিতে রাজি না হলে ‘কঠিন পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

ইউক্রেনের যুদ্ধ কীভাবে শেষ করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করার জন্য ট্রাম্প এবং পুতিন শুক্রবার আলাস্কায় বৈঠক করতে যাচ্ছেন। এরআগে মঙ্গলবার ফক্স বিজনেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাণিজ্য আলোচনার ক্ষেত্রে ভারতকে অবাধ্য হিসেবে বর্ণনা করেন বেসেন্ট।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং বিশ্ব বাণিজ্যকে আরো ন্যায্য করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। তিনি বারবার ভারতকে শুল্ক অপব্যবহারকারী বলে অভিহিত করেছেন। দিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা বেশ কয়েক মাস ধরেই চলছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে ভারতের অস্বীকৃতি আলোচনার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বন্দর আব্বাস ও সিরিকে শক্তিশালী বিস্ফোরণ

ভারতের ওপর আরো শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় ০৩:০৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫

এবার ট্রাম্প-পুতিন আলোচনা ব্যর্থ হলে ভারতের ওপর শুল্ক আরো বাড়তে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি বলেন, শুক্রবার আলাস্কায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের ফলাফলের ওপর শুল্ক আরোপের এই সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে। খবর বিবিসির।

স্থানীয় সময় বুধবার ব্লুমবার্গ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ‘আমরা রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারতের ওপর অতিরিক্তি শুল্ক আরোপ করেছি। যদি পরিস্থিতি ঠিক না হয়, তাহলে নিষেধাজ্ঞা বা শুল্ক আরো বাড়তে পারে।’

চলতি আগস্ট মাসের শুরুতে, রাশিয়া থেকে তেল এবং অস্ত্র কেনার শাস্তি হিসেবে ভারতীয় পণ্য আমদানিতে শুল্কের পরিমাণ দ্বিগুণ করেন ট্রাম্প। দ্বিগুণ করায় এখন ভারতীয় পণ্যে শুল্কের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে। মস্কো শান্তি চুক্তিতে রাজি না হলে ‘কঠিন পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

ইউক্রেনের যুদ্ধ কীভাবে শেষ করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করার জন্য ট্রাম্প এবং পুতিন শুক্রবার আলাস্কায় বৈঠক করতে যাচ্ছেন। এরআগে মঙ্গলবার ফক্স বিজনেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাণিজ্য আলোচনার ক্ষেত্রে ভারতকে অবাধ্য হিসেবে বর্ণনা করেন বেসেন্ট।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং বিশ্ব বাণিজ্যকে আরো ন্যায্য করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। তিনি বারবার ভারতকে শুল্ক অপব্যবহারকারী বলে অভিহিত করেছেন। দিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা বেশ কয়েক মাস ধরেই চলছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে ভারতের অস্বীকৃতি আলোচনার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।