ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঝগড়ার পর ৯৯৯-এ ফোন দিলেন স্ত্রী, ৫৪টি জাল নোটসহ স্বামী গ্রেপ্তার কেউ ব্যক্তি আক্রমণ করলে আমি তাকে চুমু দেব, এমন সুশীল আমি না: রাশেদ খান অস্ট্রেলিয়াকে হারাবে বাংলাদেশ, আশা করেননি ডি ভিলিয়ার্স ‘তারেক রহমান ভারতে না এলে সুযোগ হারাবে, বন্ধ হতে পারে যোগাযোগের পথ’ মহাসড়কে এআই ক্যামেরা স্থাপন করায় পরিবহনে চাঁদাবাজি কমে আসবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করছেন পিএসসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম আমরা টহল দেওয়া শুরু করলে অনেক এলাকা থেকে জামায়াত-শিবির নাই হয়ে যাবে: নুর বলিউড সিনেমা বানিয়ে যুদ্ধের পরাজয় মুছে ফেলা যায় না: পাকিস্তানের সেনাবাহিনী অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ভারতজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড়, আইএসআই সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক শত শত

ভারতের ওপর আরো শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬৩৫ বার পড়া হয়েছে

এবার ট্রাম্প-পুতিন আলোচনা ব্যর্থ হলে ভারতের ওপর শুল্ক আরো বাড়তে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি বলেন, শুক্রবার আলাস্কায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের ফলাফলের ওপর শুল্ক আরোপের এই সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে। খবর বিবিসির।

স্থানীয় সময় বুধবার ব্লুমবার্গ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ‘আমরা রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারতের ওপর অতিরিক্তি শুল্ক আরোপ করেছি। যদি পরিস্থিতি ঠিক না হয়, তাহলে নিষেধাজ্ঞা বা শুল্ক আরো বাড়তে পারে।’

চলতি আগস্ট মাসের শুরুতে, রাশিয়া থেকে তেল এবং অস্ত্র কেনার শাস্তি হিসেবে ভারতীয় পণ্য আমদানিতে শুল্কের পরিমাণ দ্বিগুণ করেন ট্রাম্প। দ্বিগুণ করায় এখন ভারতীয় পণ্যে শুল্কের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে। মস্কো শান্তি চুক্তিতে রাজি না হলে ‘কঠিন পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

ইউক্রেনের যুদ্ধ কীভাবে শেষ করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করার জন্য ট্রাম্প এবং পুতিন শুক্রবার আলাস্কায় বৈঠক করতে যাচ্ছেন। এরআগে মঙ্গলবার ফক্স বিজনেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাণিজ্য আলোচনার ক্ষেত্রে ভারতকে অবাধ্য হিসেবে বর্ণনা করেন বেসেন্ট।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং বিশ্ব বাণিজ্যকে আরো ন্যায্য করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। তিনি বারবার ভারতকে শুল্ক অপব্যবহারকারী বলে অভিহিত করেছেন। দিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা বেশ কয়েক মাস ধরেই চলছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে ভারতের অস্বীকৃতি আলোচনার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝগড়ার পর ৯৯৯-এ ফোন দিলেন স্ত্রী, ৫৪টি জাল নোটসহ স্বামী গ্রেপ্তার

ভারতের ওপর আরো শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় ০৩:০৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫

এবার ট্রাম্প-পুতিন আলোচনা ব্যর্থ হলে ভারতের ওপর শুল্ক আরো বাড়তে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি বলেন, শুক্রবার আলাস্কায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের ফলাফলের ওপর শুল্ক আরোপের এই সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে। খবর বিবিসির।

স্থানীয় সময় বুধবার ব্লুমবার্গ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ‘আমরা রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারতের ওপর অতিরিক্তি শুল্ক আরোপ করেছি। যদি পরিস্থিতি ঠিক না হয়, তাহলে নিষেধাজ্ঞা বা শুল্ক আরো বাড়তে পারে।’

চলতি আগস্ট মাসের শুরুতে, রাশিয়া থেকে তেল এবং অস্ত্র কেনার শাস্তি হিসেবে ভারতীয় পণ্য আমদানিতে শুল্কের পরিমাণ দ্বিগুণ করেন ট্রাম্প। দ্বিগুণ করায় এখন ভারতীয় পণ্যে শুল্কের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে। মস্কো শান্তি চুক্তিতে রাজি না হলে ‘কঠিন পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

ইউক্রেনের যুদ্ধ কীভাবে শেষ করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করার জন্য ট্রাম্প এবং পুতিন শুক্রবার আলাস্কায় বৈঠক করতে যাচ্ছেন। এরআগে মঙ্গলবার ফক্স বিজনেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাণিজ্য আলোচনার ক্ষেত্রে ভারতকে অবাধ্য হিসেবে বর্ণনা করেন বেসেন্ট।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং বিশ্ব বাণিজ্যকে আরো ন্যায্য করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। তিনি বারবার ভারতকে শুল্ক অপব্যবহারকারী বলে অভিহিত করেছেন। দিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা বেশ কয়েক মাস ধরেই চলছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে ভারতের অস্বীকৃতি আলোচনার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।