ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে চট্টগ্রামে যুবলীগের বিক্ষোভ, ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই শনাক্তে পুলিশের অভিযান বলের মধ্যেই নজরদারি, ধরা পড়বে অফসাইড – ২০২৬ বিশ্বকাপে যে মহিষের চুল আঁচড়াতেও ছিল ট্রাম্প স্টাইল, এখন তাকে দেখে চিনতেই কষ্ট! এবার কন্যা সন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব-বুবলী জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: তিতুমীর বিশ্বকাপে নতুন বিধিনিষেধ, তালিকায় ভুভুজেলাও যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়ার নিয়ম অনুসরণ করায় হতাহত নেই: নৌ মন্ত্রণালয় ঝড়ে পড়ে যাওয়ার পর ‌‌‘উঠে দাঁড়ানো’ সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন মানচিত্র থেকে মু’ছে যেতে পারে বাংলাদেশ! নতুন গবেষণায় স’ত’র্ক’বা’র্তা

ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ঢাবি ছাত্রশিবিরের আরেক নেতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:২৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার ছাত্র আন্দোলন ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলামের পর এবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাডেমিক এক্সিলেন্স ক্যাটাগরিতে (স্নাতক) ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন শাখার প্রচার সম্পাদক মু. সাজ্জাদ হোসাইন খাঁন। আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান থেকে তিনি অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন। এর আগে, গত ৯ অক্টোবর প্রকাশিত ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এর আগে গতকাল ১৩ অক্টোবর (সোমবার) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে সাজ্জাদ হোসাইন খাঁন লেখেন, ডিন’স অ্যাওয়ার্ড উপলক্ষ্যে আগামীকাল (মঙ্গলবার) আব্বু-আম্মু ক্যাম্পাসে আসবেন। প্রথমবারের মতো আসবেন। আমার বাসা গাজীপুর, টঙ্গীতে। কাছেই। তাও তারা কখনো আসেননি ক্যাম্পাসে। আব্বু-আম্মুর একসাথে আসাটা আমার জন্য একটা ব্লেসিং। এমনিতে মনভোলা স্বভাব আমার। তারপর পড়াশোনা, সাংগঠনিক ব্যস্ততায় বাবা-মায়ের হক কতটুকুই-বা আদায় করতে পারি আর!

তিনি লেখেন, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসে আমার মতো ছেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার পেছনে সবটাই অবদান আমার আব্বু-আম্মুর। আমার আব্বা ওইভাবে পড়াশোনা করে উঠতে পারেননি সংসারের টানাপড়েনে; কিন্তু আমার পড়াশোনার জীবনে কোনো সময় কোনো কিছু নিয়ে চিন্তা করতে দেননি আমাকে। নিজ ক্ষুদ্র সামর্থ্য থেকে আমার জন্য সর্বোচ্চটা বরাদ্দ রেখেছেন। সবসময় সাহস জুগিয়েছেন। আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি আমার মায়ের হাতে। সেই হিসেবে আমার আম্মুই আমার প্রথম শিক্ষক।

তিনি আরও লেখেন, আমরা যে জীবনযাপন করি, আমাদের যে সামর্থ্য— তার মাঝে থেকে বাবা-মায়ের জন্য কতটুকুই আর আমরা করতে পারি! কেবল এতটুকুই চাই, আমার মাধ্যমে যেন আমার বাবা-মা সম্মানিত হোন। তাদেরকে মালিক যেন নিজ রহমতের চাদরে আবৃত করেন। রাব্বির হামহুমা কামা রব্বাইয়ানি সগিরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ঢাবি ছাত্রশিবিরের আরেক নেতা

আপডেট সময় ০৪:২৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

এবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার ছাত্র আন্দোলন ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলামের পর এবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাডেমিক এক্সিলেন্স ক্যাটাগরিতে (স্নাতক) ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন শাখার প্রচার সম্পাদক মু. সাজ্জাদ হোসাইন খাঁন। আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান থেকে তিনি অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন। এর আগে, গত ৯ অক্টোবর প্রকাশিত ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এর আগে গতকাল ১৩ অক্টোবর (সোমবার) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে সাজ্জাদ হোসাইন খাঁন লেখেন, ডিন’স অ্যাওয়ার্ড উপলক্ষ্যে আগামীকাল (মঙ্গলবার) আব্বু-আম্মু ক্যাম্পাসে আসবেন। প্রথমবারের মতো আসবেন। আমার বাসা গাজীপুর, টঙ্গীতে। কাছেই। তাও তারা কখনো আসেননি ক্যাম্পাসে। আব্বু-আম্মুর একসাথে আসাটা আমার জন্য একটা ব্লেসিং। এমনিতে মনভোলা স্বভাব আমার। তারপর পড়াশোনা, সাংগঠনিক ব্যস্ততায় বাবা-মায়ের হক কতটুকুই-বা আদায় করতে পারি আর!

তিনি লেখেন, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসে আমার মতো ছেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার পেছনে সবটাই অবদান আমার আব্বু-আম্মুর। আমার আব্বা ওইভাবে পড়াশোনা করে উঠতে পারেননি সংসারের টানাপড়েনে; কিন্তু আমার পড়াশোনার জীবনে কোনো সময় কোনো কিছু নিয়ে চিন্তা করতে দেননি আমাকে। নিজ ক্ষুদ্র সামর্থ্য থেকে আমার জন্য সর্বোচ্চটা বরাদ্দ রেখেছেন। সবসময় সাহস জুগিয়েছেন। আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি আমার মায়ের হাতে। সেই হিসেবে আমার আম্মুই আমার প্রথম শিক্ষক।

তিনি আরও লেখেন, আমরা যে জীবনযাপন করি, আমাদের যে সামর্থ্য— তার মাঝে থেকে বাবা-মায়ের জন্য কতটুকুই আর আমরা করতে পারি! কেবল এতটুকুই চাই, আমার মাধ্যমে যেন আমার বাবা-মা সম্মানিত হোন। তাদেরকে মালিক যেন নিজ রহমতের চাদরে আবৃত করেন। রাব্বির হামহুমা কামা রব্বাইয়ানি সগিরা।