ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাবিতে অধ্যাপক এরশাদ হালিমের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি, জিএস ফরহাদের জিরো টলারেন্স ঘোষণা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২৮:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেছেন, ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে ডাকসুর অবস্থান সম্পূর্ণ জিরো টলারেন্স। তিনি বলেন, “শিক্ষক, কর্মচারী বা যে-ই হোক, প্রভাবশালী যেই হোক—হ্যারাসমেন্টের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তার শিকড় আমরা উপড়ে ফেলব।”

শনিবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এরশাদ হালিমের ‘বিকৃত যৌনাচারের’ দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন। সেখানে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন জিএস ফরহাদ।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “অভিযুক্ত শিক্ষক প্রমাণসহ অপরাধে জড়িত হলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান—দুই জায়গাতেই গাফিলতি দেখা গেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি উপেক্ষা করা হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, তদন্ত কমিটি গঠন ও রিপোর্ট প্রকাশে যে দীর্ঘসূত্রতা দেখা যাচ্ছে, তাতে বিভাগ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের কিছু ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন।

ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, “গ্রেপ্তারের পর তাকে রিমান্ডে নেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু রিমান্ডের আবেদন না করায় আমরা মনে করি এটি বড় ধরনের ষড়যন্ত্র। কোনো রাজনৈতিক শক্তি তাকে আশ্রয় দিচ্ছে।” তিনি জরুরি সিন্ডিকেট বৈঠক ডেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে বহিষ্কারের দাবি জানান।

তিনি আরও বলেন, “ধর্ষকের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। সমকামিতার বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রের স্পষ্ট আইন থাকতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।”

 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবিতে অধ্যাপক এরশাদ হালিমের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি, জিএস ফরহাদের জিরো টলারেন্স ঘোষণা

আপডেট সময় ০৯:২৮:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেছেন, ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে ডাকসুর অবস্থান সম্পূর্ণ জিরো টলারেন্স। তিনি বলেন, “শিক্ষক, কর্মচারী বা যে-ই হোক, প্রভাবশালী যেই হোক—হ্যারাসমেন্টের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তার শিকড় আমরা উপড়ে ফেলব।”

শনিবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এরশাদ হালিমের ‘বিকৃত যৌনাচারের’ দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন। সেখানে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন জিএস ফরহাদ।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “অভিযুক্ত শিক্ষক প্রমাণসহ অপরাধে জড়িত হলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান—দুই জায়গাতেই গাফিলতি দেখা গেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি উপেক্ষা করা হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, তদন্ত কমিটি গঠন ও রিপোর্ট প্রকাশে যে দীর্ঘসূত্রতা দেখা যাচ্ছে, তাতে বিভাগ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের কিছু ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন।

ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, “গ্রেপ্তারের পর তাকে রিমান্ডে নেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু রিমান্ডের আবেদন না করায় আমরা মনে করি এটি বড় ধরনের ষড়যন্ত্র। কোনো রাজনৈতিক শক্তি তাকে আশ্রয় দিচ্ছে।” তিনি জরুরি সিন্ডিকেট বৈঠক ডেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে বহিষ্কারের দাবি জানান।

তিনি আরও বলেন, “ধর্ষকের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। সমকামিতার বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রের স্পষ্ট আইন থাকতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।”