ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নামাজের ইমামতি রেখে পালিয়ে যাওয়া বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা গ্রেফতার ইরান আচরণ না বদলালে আবার বোমা হামলা হবে : ট্রাম্প শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ১৪ জুলাই নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ বলা স্লিপ অব টাং: জামায়াত এমপি চুক্তি পছন্দ না হলে তাদের মাথার মাঝখানে বোমা ফেলব: ট্রাম্প স্বপ্নে জীবিত দেখার দাবি: দাফনের ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়লেন স্বজনরা বেনজীর অধ্যায়ের নতুন মোড়, সিডনির বৈঠকের ছবি ঘিরে নতুন বিতর্ক প্রিয় দল হেরে গেলে মন খারাপ? হতাশা কাটানোর ৭ কার্যকর উপায় শিক্ষামন্ত্রীর সামনে অভিনব কায়দায় প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমে দাবি তুলে ধরলো জবি ছাত্রশক্তি আওয়ামীলীগ একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল, সেখান থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি : শিক্ষামন্ত্রী

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নবী মুজিব, কেবলা ধানমন্ডি-৩২: সালাউদ্দিন আম্মার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:১৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও তরুণ অভিনেত্রী কারিনা কায়সার-এর মৃত্যু ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একশ্রেণির মানুষের কুরুচিপূর্ণ প্রতিক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার

শনিবার (১৬ মে) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পোস্টে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও মানবিক অবস্থান নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

সালাউদ্দিন আম্মার লেখেন, “আওয়ামী লীগের স্পেসিফিক কোনো ধর্ম নেই। দলই তাদের ধর্ম, রাজনৈতিক নবী মুজিব, কেবলা ধানমন্ডি-৩২, আর পবিত্র নগরী গোপালগঞ্জ। এর বাইরে তাদের কোনো মানবতা কাজ করে না।”

তিনি আরও দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরিচিত মুখ কারিনা কায়সারের মৃত্যুতে যেভাবে সামাজিক মাধ্যমে উল্লাস প্রকাশ করা হয়েছে, তা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অসুস্থতার বহিঃপ্রকাশ।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, “জুলাইয়ের পরিচিত মুখ কারিনা কায়সার আপুর মৃত্যুতে যেভাবে উল্লাস প্রকাশ করা হচ্ছে সেটাই তার প্রমাণ। আর এই আওয়ামী লীগ মাশরাফি-সাকিবদেরই আওয়ামী লীগ।”

উল্লেখ্য, লিভারজনিত জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে ভারতের চেন্নাই-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৫ মে) ভেলোরের Christian Medical College Hospital হাসপাতালে মারা যান কারিনা কায়সার।

পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, তিনি যখন লাইফ সাপোর্টে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছিলেন, তখনও সামাজিক মাধ্যমে কিছু মানুষ তার অসুস্থতাকে ‘ঈশ্বরের শাস্তি’ বলে মন্তব্য করেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে সামাজিক মাধ্যমে সহানুভূতির জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়ছে, যা সামগ্রিক সামাজিক পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নামাজের ইমামতি রেখে পালিয়ে যাওয়া বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা গ্রেফতার

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নবী মুজিব, কেবলা ধানমন্ডি-৩২: সালাউদ্দিন আম্মার

আপডেট সময় ০৬:১৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও তরুণ অভিনেত্রী কারিনা কায়সার-এর মৃত্যু ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একশ্রেণির মানুষের কুরুচিপূর্ণ প্রতিক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার

শনিবার (১৬ মে) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পোস্টে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও মানবিক অবস্থান নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

সালাউদ্দিন আম্মার লেখেন, “আওয়ামী লীগের স্পেসিফিক কোনো ধর্ম নেই। দলই তাদের ধর্ম, রাজনৈতিক নবী মুজিব, কেবলা ধানমন্ডি-৩২, আর পবিত্র নগরী গোপালগঞ্জ। এর বাইরে তাদের কোনো মানবতা কাজ করে না।”

তিনি আরও দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরিচিত মুখ কারিনা কায়সারের মৃত্যুতে যেভাবে সামাজিক মাধ্যমে উল্লাস প্রকাশ করা হয়েছে, তা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অসুস্থতার বহিঃপ্রকাশ।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, “জুলাইয়ের পরিচিত মুখ কারিনা কায়সার আপুর মৃত্যুতে যেভাবে উল্লাস প্রকাশ করা হচ্ছে সেটাই তার প্রমাণ। আর এই আওয়ামী লীগ মাশরাফি-সাকিবদেরই আওয়ামী লীগ।”

উল্লেখ্য, লিভারজনিত জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে ভারতের চেন্নাই-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৫ মে) ভেলোরের Christian Medical College Hospital হাসপাতালে মারা যান কারিনা কায়সার।

পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, তিনি যখন লাইফ সাপোর্টে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছিলেন, তখনও সামাজিক মাধ্যমে কিছু মানুষ তার অসুস্থতাকে ‘ঈশ্বরের শাস্তি’ বলে মন্তব্য করেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে সামাজিক মাধ্যমে সহানুভূতির জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়ছে, যা সামগ্রিক সামাজিক পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।