ময়মনসিংহের দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম হলেও চরম ফল বিপর্যয় ঘটেছে। নান্দাইলের বরিল্লাহ কেরামত আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ঈশ্বরগঞ্জের বৈরাটি সিনিয়র আলিম মাদরাসা থেকে এবারের এইচএসসি ও সমমানের (আলিম) পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৮ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি।
জানা গেছে, এই ৮ জন শিক্ষার্থীকে পড়ানোর জন্য দুই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ছিলেন কমপক্ষে ১০ জন।
ঈশ্বরগঞ্জের বৈরাটি সিনিয়র আলিম মাদরাসায় আলিম বিভাগে ৭ জন শিক্ষক ছিলেন— চারজন আরবি, একজন বাংলা, একজন ইংরেজি ও একজন সমাজবিজ্ঞান। এদের মধ্যে তিনজন শিক্ষার্থীকে পড়ানো হলেও তারা পরীক্ষায় সবাই ফেল করেছেন। মাদরাসার প্রভাষক জানান, ওই তিন শিক্ষার্থী মূলত পরীক্ষায় অংশ নিতে চাইছিল না, তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের পরীক্ষা দিতে বাধ্য করে।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, উপজেলার মাদরাসা পর্যায়ে পাসের হার ৪২.৪৬ শতাংশ।
অন্যদিকে, নান্দাইলের বরিল্লাহ কেরামত আলী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে ৫ জন শিক্ষার্থী এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের পড়ানোর জন্য ৩ জন শিক্ষক ছিলেন। প্রকাশিত ফলাফলে এই ৫ জনই ফেল করেছেন। প্রধান শিক্ষক রৌশমত আরা বেগম বলেন, শিক্ষার্থীরা কলেজে নিয়মিত উপস্থিতি ছিল না এবং আগ্রহ কম থাকার কারণে এই ফলাফল হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























