ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বিএনপি: তারেক রহমান ধর্ম অবমাননায় সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির বিধান চায় ‘তাওহীদের জনতা’ ‘ড. ইউনূসের ৩ ফাঁদে দেশ ধ্বংস, ২ লাখ কোটি টাকা লুট’: তারেক রহমান দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ছিনতাইকালে নিজেদের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ হিসেবে পরিচয় দেন বিমানবন্দর ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদক নেপালে এক বাড়ি থেকেই উদ্ধার ২৪ মরদেহ, আরও থাকার আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যু’দ্ধ ভুলে নতুন সম্পর্ক গড়তে চায় আফগানিস্তান রংপুরে চার খুন হত্যার আগে-পরে ৮০ বার ফোনালাপ হয় আসামিদের: পুলিশ ১১০ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে ইউরোপে তৃতীয় বাংলাদেশি হাফেজ সাদ ছাত্রদল নেতার হুমকির পর পদত্যাগ করলেন চবির হল প্রভোস্ট

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে মাছ রপ্তানি বন্ধ রাখল বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • ৪২৪ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারত সরকার হঠাৎ করে বাংলাদেশ থেকে ছয় ধরণের পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর এবার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে মাছ রপ্তানি বন্ধ রাখলেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। বুধবার (২১ মে) সকালের দিকে মাছ রপ্তানি বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মৎস্য রপ্তানিকারক এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক মিয়া। তিনি জানান, আমাদের ব্যবসায়ীদের বিল সংক্রান্ত কারণে আজকে আমরা মাছ রপ্তানি বন্ধ রেখেছি। আগামীদিন থেকে পুনরায় মাছ রপ্তানি হবে।

এদিকে ভারত সরকার হঠাৎ করে বাংলাদেশ থেকে ছয় ধরণের পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে রপ্তানি কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা রপ্তানি বাণিজ্য রক্ষায় দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ফল ও ফলের স্বাদযুক্ত পানীয়, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী, সুতা ও সুতার উপজাত, এবং আসবাবপত্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক ও কাঠের আসবাব ব্যতীত বাকি সব পণ্যই নিয়মিতভাবে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে রপ্তানি হতো।

আখাউড়া স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ বন্দর দিয়ে প্রায় ৪২৮ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি হয়েছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের (চলতি) প্রথমার্ধে রপ্তানি হয়েছে ৪৫৩ কোটি টাকার পণ্য। একই সময়ে আমদানি ছিল তুলনামূলক কম, চলতি অর্থবছরে মাত্র ১০৬ টন পণ্য আমদানি হয়েছে।

স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রতিদিন ৪০-৫০টি গাড়ি রপ্তানিতে অংশ নিতো। নিষেধাজ্ঞার পর এখন শুধু মাছ, সিমেন্ট ও শুটকি মাছ রপ্তানি হচ্ছে। প্রসঙ্গত, দেশের অন্যতম বৃহৎ এবং শতভাগ রপ্তানিমুখী এ স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় পাঠানো হয়। সেখান থেকে তা সরবরাহ করা হয় দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে। ভারতের হঠাৎ এ সিদ্ধান্তে দুই দেশের পারস্পরিক বাণিজ্য সম্পর্কে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বিএনপি: তারেক রহমান

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে মাছ রপ্তানি বন্ধ রাখল বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় ১০:৪৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

এবার ভারত সরকার হঠাৎ করে বাংলাদেশ থেকে ছয় ধরণের পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর এবার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে মাছ রপ্তানি বন্ধ রাখলেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। বুধবার (২১ মে) সকালের দিকে মাছ রপ্তানি বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মৎস্য রপ্তানিকারক এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক মিয়া। তিনি জানান, আমাদের ব্যবসায়ীদের বিল সংক্রান্ত কারণে আজকে আমরা মাছ রপ্তানি বন্ধ রেখেছি। আগামীদিন থেকে পুনরায় মাছ রপ্তানি হবে।

এদিকে ভারত সরকার হঠাৎ করে বাংলাদেশ থেকে ছয় ধরণের পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে রপ্তানি কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা রপ্তানি বাণিজ্য রক্ষায় দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ফল ও ফলের স্বাদযুক্ত পানীয়, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী, সুতা ও সুতার উপজাত, এবং আসবাবপত্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক ও কাঠের আসবাব ব্যতীত বাকি সব পণ্যই নিয়মিতভাবে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে রপ্তানি হতো।

আখাউড়া স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ বন্দর দিয়ে প্রায় ৪২৮ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি হয়েছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের (চলতি) প্রথমার্ধে রপ্তানি হয়েছে ৪৫৩ কোটি টাকার পণ্য। একই সময়ে আমদানি ছিল তুলনামূলক কম, চলতি অর্থবছরে মাত্র ১০৬ টন পণ্য আমদানি হয়েছে।

স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রতিদিন ৪০-৫০টি গাড়ি রপ্তানিতে অংশ নিতো। নিষেধাজ্ঞার পর এখন শুধু মাছ, সিমেন্ট ও শুটকি মাছ রপ্তানি হচ্ছে। প্রসঙ্গত, দেশের অন্যতম বৃহৎ এবং শতভাগ রপ্তানিমুখী এ স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় পাঠানো হয়। সেখান থেকে তা সরবরাহ করা হয় দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে। ভারতের হঠাৎ এ সিদ্ধান্তে দুই দেশের পারস্পরিক বাণিজ্য সম্পর্কে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।