ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রক্তাক্ত ছবি শেয়ার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি তিন মাসেই আ.লীগের অবস্থানে পৌঁছে গেছে: আসিফ মাহমুদ ঈদের ছুটি শেষে ফেরার পর এক গ্রুপে গণছাঁটাই, চাকরি হারালেন ১৮৬৮ শ্রমিক যুদ্ধে ইরানের সামরিক শক্তি ‘সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস’, ক্ষেপণাস্ত্র মজুত মাত্র ২১% : ট্রাম্প ধর্ষিতার বাবা নয়-গর্বিত পিতা হতে চেয়েছিলাম, আমি কি তার জন্য দায়ী?: রামিসার বাবা ২ হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা করলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানে উত্তাল ভারতের রাজধানী আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের নোটিশ বেআইনি: শিশির মনির অবৈধ বিদেশিদের বিতাড়ন হচ্ছে আইন অনুযায়ী: বাংলাদেশে পুশ ইন নিয়ে প্রশ্নে জয়সোয়াল তিন দিনের সফরে রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র

সাঈদী সাহেব ভালো মানুষ ছিলেন, তাই তার জানাজায় গিয়েছিলাম: সুখরঞ্জন বালি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪২৭ বার পড়া হয়েছে

‘দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ভালো মানুষ ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে আমার নাম দেখে আদালতে হাজির হতে যাই। কিন্তু সে সময় আদালতের গেইট থেকেই আমাদের অপহরণ করা হয়। পরে গুম করে চলে অমানুষিক নির্যাতন।’ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় শেখ হাসিনার বিচার চেয়ে অভিযোগ দায়েরের পর এমন অভিযোগ করেন সাঈদীর মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী সুখরঞ্জন বালি।

তিনি আরও বলেন, পাক হানাদার বাহিনীরা আমার ভাইকে যখন হত্যা করে তখন আমি এবং আমার মা বাথরুমে লুকিয়ে সব দেখি। খুব কষ্ট পাচ্ছিলো আমার ভাই। বাড়ি-ঘরে আগুন দিলে পাক-বাহিনী চলে যাওয়ার পরে দৌড়ে যে বুকে জরিয়ে ধরি ভাইকে, আমার কোলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে সে। তবে এ ঘটনার সময় কোথাও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ছিলেন না। তাকে তো আমি তখন চিনতামও না।

সুখরঞ্জন বালি বলেন, এ ঘটনার অনেক পরে তিনি যখন আমাদের এলাকার এমপি হয়ে আসেন তখন আমি তাকে চিনেছি। অনেক ভালো লোক ছিলেন তিনি। আমি জানতামও না আমাকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলা হয়েছে। তার মত একটা ভালো মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে আমাকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলা হয়। তখন তার ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমি আদালতে হাজির হয়ে সত্য সামনে আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আদালতের গেইট থেকেই সাদা পোশাকধারী একদল পুলিশ মারধর করে নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, পরে আমার চোখ বেধে কোথায় নিয়ে যায় আমি জানি না। পরে বুঝতে পারি তারা আমাকে বিএসএফের হাতে তুলে দিচ্ছে। ওরা আমাকে অনেক নির্যাতন করে। এক মামলায় আমাকে আসামি করে দীর্ঘদিন কারাগারে রাখা হয়। নির্যাতনের জন্যে আমার এখন কিছু মনে থাকে না, হার্টে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রক্তাক্ত ছবি শেয়ার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাঈদী সাহেব ভালো মানুষ ছিলেন, তাই তার জানাজায় গিয়েছিলাম: সুখরঞ্জন বালি

আপডেট সময় ০১:৪১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

‘দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ভালো মানুষ ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে আমার নাম দেখে আদালতে হাজির হতে যাই। কিন্তু সে সময় আদালতের গেইট থেকেই আমাদের অপহরণ করা হয়। পরে গুম করে চলে অমানুষিক নির্যাতন।’ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় শেখ হাসিনার বিচার চেয়ে অভিযোগ দায়েরের পর এমন অভিযোগ করেন সাঈদীর মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী সুখরঞ্জন বালি।

তিনি আরও বলেন, পাক হানাদার বাহিনীরা আমার ভাইকে যখন হত্যা করে তখন আমি এবং আমার মা বাথরুমে লুকিয়ে সব দেখি। খুব কষ্ট পাচ্ছিলো আমার ভাই। বাড়ি-ঘরে আগুন দিলে পাক-বাহিনী চলে যাওয়ার পরে দৌড়ে যে বুকে জরিয়ে ধরি ভাইকে, আমার কোলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে সে। তবে এ ঘটনার সময় কোথাও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ছিলেন না। তাকে তো আমি তখন চিনতামও না।

সুখরঞ্জন বালি বলেন, এ ঘটনার অনেক পরে তিনি যখন আমাদের এলাকার এমপি হয়ে আসেন তখন আমি তাকে চিনেছি। অনেক ভালো লোক ছিলেন তিনি। আমি জানতামও না আমাকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলা হয়েছে। তার মত একটা ভালো মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে আমাকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলা হয়। তখন তার ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমি আদালতে হাজির হয়ে সত্য সামনে আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আদালতের গেইট থেকেই সাদা পোশাকধারী একদল পুলিশ মারধর করে নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, পরে আমার চোখ বেধে কোথায় নিয়ে যায় আমি জানি না। পরে বুঝতে পারি তারা আমাকে বিএসএফের হাতে তুলে দিচ্ছে। ওরা আমাকে অনেক নির্যাতন করে। এক মামলায় আমাকে আসামি করে দীর্ঘদিন কারাগারে রাখা হয়। নির্যাতনের জন্যে আমার এখন কিছু মনে থাকে না, হার্টে সমস্যা দেখা দিয়েছে।