পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রশাসনিক জটিলতা দূর করতে পুরো পূর্বাচলকে ঢাকা জেলার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বুধবার সচিবালয়ে প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির—নিকার—১২১তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জানা গেছে, বর্তমানে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের বড় অংশ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এবং বাকি অংশ গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। ফলে প্রকল্পটি একাধিক জেলার প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত থাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সেবা ও ব্যবস্থাপনায় জটিলতা দেখা দিচ্ছিল।
এই জটিলতা দূর করে একক প্রশাসনিক ব্যবস্থার আওতায় প্রকল্প পরিচালনার লক্ষ্যেই পুরো পূর্বাচলকে ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। নিকার সভায় সেই প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।
এদিকে একই দিন পূর্বাচলে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ—ডিএমপি। সেক্টর-১ এলাকায় ‘বরকাউ পুলিশ ক্যাম্প’ উদ্বোধন করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইজিপি জানান, পরিকল্পিত ও নিরাপদ নগরী হিসেবে পূর্বাচলকে গড়ে তুলতে ডিএমপির অধীনে চারটি থানা, ছয়টি তদন্তকেন্দ্র, দুটি পুলিশ লাইনস এবং তিনটি উপ-পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সেক্টরে ৪১টি পুলিশ বক্স স্থাপনের কাজও চলছে।
সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে পূর্বাচলের প্রশাসনিক কার্যক্রম হবে আরও সমন্বিত। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিক সেবার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















