ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এবার ফজলুর রহমানকে অশালীন মন্তব্য করায় আমির হামজাকে আইনি নোটিশ ১৫০টাকার দ্ব‌ন্দে কেন্দ্র বা‌তিল, বিপা‌কে প‌রিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগ হামলা করত জয় বাংলা বলে, শিবির হামলা শুরু করেছে ‘নারায়ে তাকবীর’ বলে: রাশেদ খাঁন আমরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নেই যুদ্ধ করতে নয় বরং যুদ্ধ এড়াতে: সেনাপ্রধান বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ ঝালমুড়ি খেলাম আমি, আর ঝাল লাগল তৃণমূলের: মোদি জ্বালানি স্বল্পতার কারণে সক্ষমতার পুরোটা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না: বিদ্যুৎ বিভাগ রবিবার থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ডাক প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতেনাতে ধরার পর চোরকে নামাজ পড়িয়ে ছেড়ে দিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে অমিল থাকায় তরুণকে থাপ্পড় দিলেন ইউএনও

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট হয়ে বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্রে ভাঙচুর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পেয়ে শহরের দাতিয়ারায় বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্রে ভাঙচুর করেছে গ্রাহকেরা। মঙ্গলবার দিনগত গভীররাতে তারা কেন্দ্রটিতে ভাঙচুর চালায়।

 

জানা যায়, আজ বুধবার দুপুর ২টার দিকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিতরণ বিভাগের-১ এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৩০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ হয় ১১ মেগাওয়াট। অর্থাৎ চাহিদার ৩ ভাগের এক ভাগ বিদ্যুৎও মিলছে না। এই বিতরণ বিভাগের অধীন এলাকায় ৮টি ১১ কেভি লাইনের মাধ্যমে বিদুৎত সরবরাহ হয়। এরমধ্যে গড়ে ৫টি লাইনে বিদুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে বলে জানান বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা। আর এতে ক্ষুব্দ বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

 

গতকাল রাতে কয়েকজন এসে অভিযোগ কেন্দ্রের কাঁচের দরজা ভেঙে চলে যায়। সেসময় অভিযোগ কেন্দ্রে কর্তব্যরত কর্মচারী খলিলুর রহমান জানান, রাত ১২টা ৩৫ বা ৪০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা হয়। সেসময় তিনি ছাড়া অভিযোগ কেন্দ্রে কেউ ছিলেন না। স্টাফরা ৩ জায়গায় ট্রান্সফরমারের ফিউজ ঠিক করার কাজে ছিল। তখনই ৩/৪ জন লোক এসে দরজাটি ভেঙে চলে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে আজ দুপুরে পুলিশ এসে পরিদর্শন করে গেছে।

 

বিতরণ বিভাগ-এরসহকারী প্রকৌশলী লতিফুর রহমান জানান, তারা ঘটনাটি মৌখিকভাবে এসপি এবং থানাকে জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন।

 

শহরের দাতিয়ারা, কাউতলী, ডিসি বাংলো, কাজীপাড়া, কান্দিপাড়া, শিমরাইলকান্দি, শেরপুর, পৈরতলা, উলচাপাড়া, গোকর্ণঘাট, আনন্দবাজার, খালপাড়, মোড়াইল, বনিকপাড়া, সাদেকপুর, ভাদুঘর, বিয়ালিশ্বর ইত্যাদি এলাকার প্রায় ৭৩ হাজার গ্রাহক রয়েছেন বিদুৎত উন্নয়ন বোর্ড বিতরণ বিভাগ-১ এর অধীনে। বিতরণ বিভাগ-২ এলাকাতেও বিদুৎত সরবরাহ হচ্ছে চাহিদার অর্ধেক। প্রতিদিন ৭-৮ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে সেখানে।

 

শুধু জেলা শহর বা আশপাশের এলাকাতে নয়, গোটা জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক বা তিন ভাগের একভাগে নেমে এসেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার ফজলুর রহমানকে অশালীন মন্তব্য করায় আমির হামজাকে আইনি নোটিশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট হয়ে বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্রে ভাঙচুর

আপডেট সময় ১০:৩৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পেয়ে শহরের দাতিয়ারায় বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্রে ভাঙচুর করেছে গ্রাহকেরা। মঙ্গলবার দিনগত গভীররাতে তারা কেন্দ্রটিতে ভাঙচুর চালায়।

 

জানা যায়, আজ বুধবার দুপুর ২টার দিকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিতরণ বিভাগের-১ এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৩০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ হয় ১১ মেগাওয়াট। অর্থাৎ চাহিদার ৩ ভাগের এক ভাগ বিদ্যুৎও মিলছে না। এই বিতরণ বিভাগের অধীন এলাকায় ৮টি ১১ কেভি লাইনের মাধ্যমে বিদুৎত সরবরাহ হয়। এরমধ্যে গড়ে ৫টি লাইনে বিদুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে বলে জানান বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা। আর এতে ক্ষুব্দ বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

 

গতকাল রাতে কয়েকজন এসে অভিযোগ কেন্দ্রের কাঁচের দরজা ভেঙে চলে যায়। সেসময় অভিযোগ কেন্দ্রে কর্তব্যরত কর্মচারী খলিলুর রহমান জানান, রাত ১২টা ৩৫ বা ৪০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা হয়। সেসময় তিনি ছাড়া অভিযোগ কেন্দ্রে কেউ ছিলেন না। স্টাফরা ৩ জায়গায় ট্রান্সফরমারের ফিউজ ঠিক করার কাজে ছিল। তখনই ৩/৪ জন লোক এসে দরজাটি ভেঙে চলে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে আজ দুপুরে পুলিশ এসে পরিদর্শন করে গেছে।

 

বিতরণ বিভাগ-এরসহকারী প্রকৌশলী লতিফুর রহমান জানান, তারা ঘটনাটি মৌখিকভাবে এসপি এবং থানাকে জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন।

 

শহরের দাতিয়ারা, কাউতলী, ডিসি বাংলো, কাজীপাড়া, কান্দিপাড়া, শিমরাইলকান্দি, শেরপুর, পৈরতলা, উলচাপাড়া, গোকর্ণঘাট, আনন্দবাজার, খালপাড়, মোড়াইল, বনিকপাড়া, সাদেকপুর, ভাদুঘর, বিয়ালিশ্বর ইত্যাদি এলাকার প্রায় ৭৩ হাজার গ্রাহক রয়েছেন বিদুৎত উন্নয়ন বোর্ড বিতরণ বিভাগ-১ এর অধীনে। বিতরণ বিভাগ-২ এলাকাতেও বিদুৎত সরবরাহ হচ্ছে চাহিদার অর্ধেক। প্রতিদিন ৭-৮ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে সেখানে।

 

শুধু জেলা শহর বা আশপাশের এলাকাতে নয়, গোটা জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক বা তিন ভাগের একভাগে নেমে এসেছে।