ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঝালমুড়ি খেলাম আমি, আর ঝাল লাগল তৃণমূলের: মোদি জ্বালানি স্বল্পতার কারণে সক্ষমতার পুরোটা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না: বিদ্যুৎ বিভাগ রবিবার থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ডাক প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতেনাতে ধরার পর চোরকে নামাজ পড়িয়ে ছেড়ে দিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে অমিল থাকায় তরুণকে থাপ্পড় দিলেন ইউএনও এমপিরা সংসদে গেছেন জনগণের সমস্যার সমাধান করতে, নিজেদের জন্য নয়: তাসনিম জারা দেশের দ্বিতীয় তেল শোধনাগার না হওয়া দুঃখজনক: সেনাপ্রধান মার্কিন অবরোধ থাকলে খুলবে না হরমুজ প্রণালী: ইরান মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান জামায়াত আমীরের বাড়ল বাসভাড়া, নতুন ভাড়া নির্ধারণ

ডিজেল নিতে সেচ পাম্প মাথায় নিয়ে পাম্পে কৃষক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

এবার শরীয়তপুরে শ্যালো মেশিন কাঁধে ও মাথায় নিয়ে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে যাওয়ার একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা ও কৌতূহল। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন কৃষক সেচ কাজে ব্যবহৃত শ্যালো মেশিন খুলে কাঁধে বহন করে একটি ফিলিং স্টেশনে নিয়ে যাচ্ছেন। পরে সেখানে মেশিনে সরাসরি জ্বালানি তেল ভরার প্রস্তুতিও নিতে দেখা যায় তাদের।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন কৃষক তাদের ব্যবহৃত সেচ পাম্পের মেশিন খুলে সরাসরি ফিলিং স্টেশনে নিয়ে এসেছেন। সেখানে মেশিনে তেল ভরার প্রস্তুতি নিতে দেখা যায় তাদের। জানা গেছে, গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে নড়িয়া উপজেলার ডগ্রি বাজার এলাকার মেসার্স চোকদার ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। কৃষকদের ধারণা ছিল, খালি বোতল বা ড্রামে তেল না দেওয়া হলেও মেশিনসহ গেলে সহজে জ্বালানি পাওয়া যাবেএই বিশ্বাস থেকেই তারা শ্যালো মেশিন কাঁধে করে স্টেশনে যান।

এ বিষয়ে চোকদার ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়া খোলা পাত্রে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হয় না। তবে কৃষিকাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমতি থাকলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় তেল সরবরাহ করা হয়। এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলছেন, সচেতনতার অভাব ও সঠিক তথ্য না জানার কারণেই কৃষকেরা এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন। কৃষিসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে জানানো হলে এ ধরনের বিভ্রান্তি দূর হবে বলে মনে করছেন তারা।

ফিলিং স্টেশনটির ব্যবস্থাপক আব্দুল জব্বার বলেন, ১৮ তারিখ শনিবার কৃষকেরা শ্যালো মেশিন কাঁধে করে আমাদের পাম্পে আসেন এবং তেল নিয়ে যান। অনেকেই এখনো আগের নিয়মের কারণে বিভ্রান্ত থাকেন। একসময় বোতলে তেল বিক্রি নিষিদ্ধ ছিল, পরে প্রশাসনের নির্দেশনায় কৃষকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সীমিতভাবে আবার বোতলে তেল দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, কৃষি ও জরুরি কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথাযথ অনুমতি থাকলে নিয়ম মেনে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় যেমন কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি জ্বালানি বিতরণব্যবস্থার নিয়মকানুন নিয়েও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝালমুড়ি খেলাম আমি, আর ঝাল লাগল তৃণমূলের: মোদি

ডিজেল নিতে সেচ পাম্প মাথায় নিয়ে পাম্পে কৃষক

আপডেট সময় ১২:১৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

এবার শরীয়তপুরে শ্যালো মেশিন কাঁধে ও মাথায় নিয়ে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে যাওয়ার একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা ও কৌতূহল। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন কৃষক সেচ কাজে ব্যবহৃত শ্যালো মেশিন খুলে কাঁধে বহন করে একটি ফিলিং স্টেশনে নিয়ে যাচ্ছেন। পরে সেখানে মেশিনে সরাসরি জ্বালানি তেল ভরার প্রস্তুতিও নিতে দেখা যায় তাদের।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন কৃষক তাদের ব্যবহৃত সেচ পাম্পের মেশিন খুলে সরাসরি ফিলিং স্টেশনে নিয়ে এসেছেন। সেখানে মেশিনে তেল ভরার প্রস্তুতি নিতে দেখা যায় তাদের। জানা গেছে, গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে নড়িয়া উপজেলার ডগ্রি বাজার এলাকার মেসার্স চোকদার ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। কৃষকদের ধারণা ছিল, খালি বোতল বা ড্রামে তেল না দেওয়া হলেও মেশিনসহ গেলে সহজে জ্বালানি পাওয়া যাবেএই বিশ্বাস থেকেই তারা শ্যালো মেশিন কাঁধে করে স্টেশনে যান।

এ বিষয়ে চোকদার ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়া খোলা পাত্রে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হয় না। তবে কৃষিকাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমতি থাকলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় তেল সরবরাহ করা হয়। এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলছেন, সচেতনতার অভাব ও সঠিক তথ্য না জানার কারণেই কৃষকেরা এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন। কৃষিসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে জানানো হলে এ ধরনের বিভ্রান্তি দূর হবে বলে মনে করছেন তারা।

ফিলিং স্টেশনটির ব্যবস্থাপক আব্দুল জব্বার বলেন, ১৮ তারিখ শনিবার কৃষকেরা শ্যালো মেশিন কাঁধে করে আমাদের পাম্পে আসেন এবং তেল নিয়ে যান। অনেকেই এখনো আগের নিয়মের কারণে বিভ্রান্ত থাকেন। একসময় বোতলে তেল বিক্রি নিষিদ্ধ ছিল, পরে প্রশাসনের নির্দেশনায় কৃষকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সীমিতভাবে আবার বোতলে তেল দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, কৃষি ও জরুরি কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথাযথ অনুমতি থাকলে নিয়ম মেনে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় যেমন কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি জ্বালানি বিতরণব্যবস্থার নিয়মকানুন নিয়েও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।