ঢাকা , শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘পাত্তাই পাচ্ছেন না ট্রাম্প’, ইউরেনিয়াম নিয়ে মোজতবা খামেনির কঠোর বার্তা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪২:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

নিজেদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই বিদেশে পাঠানো যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। ইরানের দুইটি ঊর্ধতন সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দাবির বিপরীতে তেহরানের অবস্থান আরও কঠোর হয়ে উঠল। খবর রয়টার্সের।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোজতবার এই নির্দেশনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জন্য নতুন হতাশার কারণ হতে পারে। এতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা ঘিরে আরও জটিলতা শুরু হতে পারে। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন, ইরানকে তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ বিদেশে সরিয়ে নিতে হবে।

ইসরাইলি কর্মকর্তারা রয়টার্সকে বলেছেন, ট্রাম্প ইসরাইলকে আশ্বস্ত করেছেন যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য ইরানের প্রয়োজনীয় উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ দেশটির বাইরে পাঠানো হবে। পাশাপাশি সম্ভাব্য যেকোনো শান্তিচুক্তিতে এ সংক্রান্ত একটি ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।

 

 

এদিকে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেয়া, তেহরানের প্রক্সি মিলিশিয়াদের প্রতি সমর্থন বন্ধ করা এবং তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত তিনি এই যুদ্ধকে শেষ হয়েছে বলে মনে করবেন না।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইরানি একটি সূত্র বলেছে, সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশনা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ঐকমত্য হলো— সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না।

সূত্রগুলোর মতে, ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ধারণা ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো হলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য হামলার মুখে দেশটি আরও বেশি দুর্বল হয়ে পড়বে।

 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনি এখন দেশটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তগুলোতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানান। তার কথাই দেশটিতে শেষ কথা।

ইউরেনিয়াম নিয়ে মোজতবা খামেনির নির্দেশনার বিষয়ে রয়টার্স হোয়াইট হাউস ও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চাইলে কোনো সাড়া পায়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পাত্তাই পাচ্ছেন না ট্রাম্প’, ইউরেনিয়াম নিয়ে মোজতবা খামেনির কঠোর বার্তা

আপডেট সময় ০১:৪২:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

নিজেদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই বিদেশে পাঠানো যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। ইরানের দুইটি ঊর্ধতন সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দাবির বিপরীতে তেহরানের অবস্থান আরও কঠোর হয়ে উঠল। খবর রয়টার্সের।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোজতবার এই নির্দেশনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জন্য নতুন হতাশার কারণ হতে পারে। এতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা ঘিরে আরও জটিলতা শুরু হতে পারে। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন, ইরানকে তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ বিদেশে সরিয়ে নিতে হবে।

ইসরাইলি কর্মকর্তারা রয়টার্সকে বলেছেন, ট্রাম্প ইসরাইলকে আশ্বস্ত করেছেন যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য ইরানের প্রয়োজনীয় উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ দেশটির বাইরে পাঠানো হবে। পাশাপাশি সম্ভাব্য যেকোনো শান্তিচুক্তিতে এ সংক্রান্ত একটি ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।

 

 

এদিকে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেয়া, তেহরানের প্রক্সি মিলিশিয়াদের প্রতি সমর্থন বন্ধ করা এবং তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত তিনি এই যুদ্ধকে শেষ হয়েছে বলে মনে করবেন না।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইরানি একটি সূত্র বলেছে, সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশনা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ঐকমত্য হলো— সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না।

সূত্রগুলোর মতে, ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ধারণা ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো হলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য হামলার মুখে দেশটি আরও বেশি দুর্বল হয়ে পড়বে।

 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনি এখন দেশটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তগুলোতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানান। তার কথাই দেশটিতে শেষ কথা।

ইউরেনিয়াম নিয়ে মোজতবা খামেনির নির্দেশনার বিষয়ে রয়টার্স হোয়াইট হাউস ও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চাইলে কোনো সাড়া পায়নি।