ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিক্ষার্থী আন্দোলনে নতুন পাঁচ দফা দাবি রাহুলের ধরা পড়ার আগে রোমান্টিক, ধরা পড়লে কয় বউ: তাহেরী একটি ম্যাচ দিয়ে তার মতো কিংবদন্তির ক্যারিয়ারকে মূল্যায়ন করা অন্যায়: মেসির সমালোচকদের কড়া জবাব গাঙ্গুলির ইরান হামলায় ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিলেন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী ফাইনালিসিমা দিয়ে মেসির ‘বিদায়ী ম্যাচ’ খেলার প্রস্তাব স্পেনের অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মার্টিনেজ স্বরাষ্ট্র ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৫ দাবি রাহুলের ইয়ামালের ছবি লাগানো ড্রোনে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের পর শিক্ষক মাথায় হাত দিয়ে বলেন ‘মনে করো তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ জোরালো হচ্ছে মোদির পদত্যাগের দাবি

ইয়ামালের ছবি লাগানো ড্রোনে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল এবার আলোচনায় ফুটবল মাঠের কারণে নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে ঘিরে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে উৎক্ষেপণের আগে একটি ইরানি ‘শাহেদ’ ড্রোনে দেখা গেছে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে থাকা ইয়ামালের একটি ছবি। আর সেই দৃশ্য প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।

মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রকাশ করে। সেখানে দেখা যায়, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি-এর একটি দূরপাল্লার শাহেদ ড্রোন উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত। উৎক্ষেপণের ঠিক আগে ড্রোনটির সামনের অংশে লাগানো হয় লামিন ইয়ামালের একটি ছবি।

ছবিটিতে ইয়ামালকে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে দেখা যায়। বিশ্লেষকদের মতে, গাজায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইয়ামালের প্রকাশ্য সমর্থনের প্রতীক হিসেবেই এই ছবি ব্যবহার করেছে ইরান।

এর আগেও ফিলিস্তিনের পক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন ইয়ামাল। গত মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা উদযাপনের সময় খোলা বাসে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়াতে দেখা যায় তাকে। সেই ছবি বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে। যদিও এ ঘটনায় সমালোচনা করেছিলেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, তবে ইয়ামালের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।

২০২৩ সালে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই স্পেন ও ইসরায়েলের সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ সালে স্পেন ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও অবনতি ঘটে।

এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবরের মধ্যেই ইয়ামালের ছবি সংবলিত এই ড্রোনের ভিডিও প্রকাশ করল ইরান। ফলে ফুটবল, ফিলিস্তিন ইস্যু এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি—তিনটি বিষয়ই যেন এক জায়গায় এসে মিলেছে।

একজন ফুটবল তারকার ছবি যখন যুদ্ধের ড্রোনে জায়গা পায়, তখন সেটি আর শুধু খেলাধুলার গল্প থাকে না। বরং তা হয়ে ওঠে প্রতীক, বার্তা এবং চলমান ভূরাজনৈতিক সংঘাতের নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থী আন্দোলনে নতুন পাঁচ দফা দাবি রাহুলের

ইয়ামালের ছবি লাগানো ড্রোনে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

আপডেট সময় ১১:০১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল এবার আলোচনায় ফুটবল মাঠের কারণে নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে ঘিরে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে উৎক্ষেপণের আগে একটি ইরানি ‘শাহেদ’ ড্রোনে দেখা গেছে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে থাকা ইয়ামালের একটি ছবি। আর সেই দৃশ্য প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।

মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রকাশ করে। সেখানে দেখা যায়, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি-এর একটি দূরপাল্লার শাহেদ ড্রোন উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত। উৎক্ষেপণের ঠিক আগে ড্রোনটির সামনের অংশে লাগানো হয় লামিন ইয়ামালের একটি ছবি।

ছবিটিতে ইয়ামালকে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে দেখা যায়। বিশ্লেষকদের মতে, গাজায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইয়ামালের প্রকাশ্য সমর্থনের প্রতীক হিসেবেই এই ছবি ব্যবহার করেছে ইরান।

এর আগেও ফিলিস্তিনের পক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন ইয়ামাল। গত মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা উদযাপনের সময় খোলা বাসে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়াতে দেখা যায় তাকে। সেই ছবি বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে। যদিও এ ঘটনায় সমালোচনা করেছিলেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, তবে ইয়ামালের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।

২০২৩ সালে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই স্পেন ও ইসরায়েলের সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ সালে স্পেন ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও অবনতি ঘটে।

এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবরের মধ্যেই ইয়ামালের ছবি সংবলিত এই ড্রোনের ভিডিও প্রকাশ করল ইরান। ফলে ফুটবল, ফিলিস্তিন ইস্যু এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি—তিনটি বিষয়ই যেন এক জায়গায় এসে মিলেছে।

একজন ফুটবল তারকার ছবি যখন যুদ্ধের ড্রোনে জায়গা পায়, তখন সেটি আর শুধু খেলাধুলার গল্প থাকে না। বরং তা হয়ে ওঠে প্রতীক, বার্তা এবং চলমান ভূরাজনৈতিক সংঘাতের নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।