ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১১ শিক্ষকের ১১ পরীক্ষার্থী, পাস করা একমাত্র শিক্ষার্থীর নামই জানেন না প্রধান শিক্ষক সব ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিবাদী সরকার, এখন পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবে আগুনে ১৬ বাংলাদেশি নি’হ’ত, চুল কাটতে গিয়ে বেঁচে গেছেন হাবিবুর ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ প্রধান এখন ঢাকায় ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে: জামায়াত আমীর ‘বাড়িত কি সবাই পুড়া মরছে, কেউ ফোন ধরিচ্ছু না’ সৌদিতে নিহতের শেষ কথা ফের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, পুলিশের লাঠিচার্জ-জলকামান ব্যবহার ৫৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৫ জনই পেল জিপিএ-৫ থানার ভেতর সিআইডি কর্মকর্তাকে থাপ্পড়, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার ওমান উপকূলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মার্কিন সমর্থিত জাহাজে আগুন

ফিডিং কর্মসূচির বাইরে চৌহালী  উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা পুষ্টি সুবিধা থেকে বঞ্চিত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৩৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • ৬৫৬ বার পড়া হয়েছে

আল ইমরান মনু, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে দেশের ১৫০টি উপজেলায় ফিডিং কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। তবে সিরাজগঞ্জ জেলার যমুনা নদী বিধ্বস্ত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এবং দুর্গম ঘোষিত চৌহালী উপজেলাকে এ প্রকল্পের বাইরে রাখায় স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

উপজেলাটি নদীভাঙন, দারিদ্র্য ও অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বরাবরই উন্নয়ন কার্যক্রমে পিছিয়ে রয়েছে। এই উপজেলায় শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত এলাকা থেকে স্কুলে আসে, যাদের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি ঝুঁকির মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি।

জানা গেছে, ২০১০ সাল থেকে চৌহালী উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টি সমৃদ্ধ বিস্কুট বিতরণ কর্মসূচি চলমান ছিল। এ প্রেক্ষাপটে হঠাৎ করে নতুন প্রকল্প থেকে চৌহালীর নাম বাদ যাওয়ায় স্থানীয়রা বেশ হতাশ হয়েছেন।

স্থানীয় একাধিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা আশা করেছিলেন—দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় চৌহালী ফিডিং কর্মসূচির আওতায় থাকবে। কিন্তু তালিকায় না থাকায় তারা উদ্বিগ্ন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ জানান- বিষয়টি আমি জেলা শিক্ষা অফিসে কথা বলেছি। তারা বলেছেন যে, ফিডিং কর্মসূচির সিদ্ধান্ত হয়েছে ঢাকা থেকে। তিনি আরও বলেন এখানে ফিডিং কর্মসূচি চালু থাকলে অবশ্যই ভালো হতো।

প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ বলেন- ১৫০ উপজেলায় ডিপিই এপ্রুভ করা আছে তবে ৩৫৯ উপজেলায় অন্য প্রকল্পের মাধ্যমে ফিডিং কর্মসূচি চালু হবে এবং তখন কোন উপজেলা বাদ থাকবে না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১১ শিক্ষকের ১১ পরীক্ষার্থী, পাস করা একমাত্র শিক্ষার্থীর নামই জানেন না প্রধান শিক্ষক

ফিডিং কর্মসূচির বাইরে চৌহালী  উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা পুষ্টি সুবিধা থেকে বঞ্চিত

আপডেট সময় ০৪:৩৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

আল ইমরান মনু, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে দেশের ১৫০টি উপজেলায় ফিডিং কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। তবে সিরাজগঞ্জ জেলার যমুনা নদী বিধ্বস্ত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এবং দুর্গম ঘোষিত চৌহালী উপজেলাকে এ প্রকল্পের বাইরে রাখায় স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

উপজেলাটি নদীভাঙন, দারিদ্র্য ও অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বরাবরই উন্নয়ন কার্যক্রমে পিছিয়ে রয়েছে। এই উপজেলায় শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত এলাকা থেকে স্কুলে আসে, যাদের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি ঝুঁকির মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি।

জানা গেছে, ২০১০ সাল থেকে চৌহালী উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টি সমৃদ্ধ বিস্কুট বিতরণ কর্মসূচি চলমান ছিল। এ প্রেক্ষাপটে হঠাৎ করে নতুন প্রকল্প থেকে চৌহালীর নাম বাদ যাওয়ায় স্থানীয়রা বেশ হতাশ হয়েছেন।

স্থানীয় একাধিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা আশা করেছিলেন—দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় চৌহালী ফিডিং কর্মসূচির আওতায় থাকবে। কিন্তু তালিকায় না থাকায় তারা উদ্বিগ্ন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ জানান- বিষয়টি আমি জেলা শিক্ষা অফিসে কথা বলেছি। তারা বলেছেন যে, ফিডিং কর্মসূচির সিদ্ধান্ত হয়েছে ঢাকা থেকে। তিনি আরও বলেন এখানে ফিডিং কর্মসূচি চালু থাকলে অবশ্যই ভালো হতো।

প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ বলেন- ১৫০ উপজেলায় ডিপিই এপ্রুভ করা আছে তবে ৩৫৯ উপজেলায় অন্য প্রকল্পের মাধ্যমে ফিডিং কর্মসূচি চালু হবে এবং তখন কোন উপজেলা বাদ থাকবে না।