ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মতিঝিলের অবিস্ফোরিত পেট্রোল বোমা নিষ্ক্রিয় করলো ডিসপোজাল টিম পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১২ সেনাসহ ১৫ জন নিহত মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে প্রাণ গেল রিকশাচালকের, আহত-১০ প্রবাস থেকে এলো দুঃসংবাদ, সৌদিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি নিহত সরকারের সঙ্গে বৈঠক শেষে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সিজেপির আবারও বন্ধ ইন্টারনেট, দিল্লিতে কী ঘটছে? নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা ঢাকতে তেল সংকটের গুজব ছড়াচ্ছে জামায়াত: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতার করে বিচারের দাবি এনসিপির অর্ডার করেছিলেন আইফোন, পার্সেলে মিলল তেল যে রোগে মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে যান সাহাবুদ্দিন

আবারও বন্ধ ইন্টারনেট, দিল্লিতে কী ঘটছে?

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ষষ্ঠ দফায় দিল্লিতে বন্ধ ইন্টারনেট

 

দিল্লির জন্তর মন্তর প্রতিবাদস্থল ও আশপাশের এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সময়সীমা শুক্রবার (২৪ জুলাই) সরকার আবার বাড়িয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত করেছে। নির্দেশ অনুযায়ী, টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে প্রতিবাদস্থলের ১.৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে। গত পাঁচ দিনে ওই এলাকায় এটি ষষ্ঠবারের মতো ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ। জন্তর মন্তরের আশপাশে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি আবেদনের জরুরি শুনানি করা হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট জানায়।

 

প্রথমবার ২০ জুলাই এই নির্দেশ জারি করা হয়। তখন এয়ারটেল, রিলায়েন্স জিও এবং ভোডাফোন আইডিয়াসহ টেলিকম সংস্থাগুলোকে কেন্দ্রীয় দিল্লির জন্তর মন্তরের আশপাশের কিছু এলাকায় সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল।

 

এরপর ২২ জুলাই দ্বিতীয় নির্দেশ জারি হয়, যেখানে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়।

 

তৃতীয় নির্দেশটি বৃহস্পতিবার জারি করা হয়, যেখানে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরিষেবা বন্ধ রাখার কথা বলা হয়। পরে বৃহস্পতিবারই চতুর্থ নির্দেশে সময় বাড়িয়ে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত করা হয় বলে টেলিকম শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

 

শুক্রবার সকালে সরকার প্রথমে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। পরে ষষ্ঠ নির্দেশ জারি করে টেলিকম সংস্থাগুলোকে মধ্যরাত পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখতে বলা হয়।

 

এই নির্দেশের আওতায় থাকা এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে কনট প্লেসের কাছে জনপথ মার্কেট, লে মেরিডিয়ান হোটেল, শাংগ্রি-লা হোটেল, ন্যাশনাল মিডিয়া সেন্টার এবং ইন্ডিয়ান উইমেন্স প্রেস কর্পসের কার্যালয়।

 

বারবার ইন্টারনেট বন্ধের কারণে অনেক প্রতিবাদকারী যোগাযোগের বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছেন। কেউ কেউ Bitchat Mesh-এর মতো অ্যাপ ব্যবহার করছেন, যেগুলো মোবাইল ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর করে না। এই অ্যাপ ব্লুটুথ-ভিত্তিক মেশ নেটওয়ার্ক তৈরি করে, যার মাধ্যমে কাছাকাছি থাকা ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট ছাড়াই বার্তা আদান-প্রদান করতে পারেন।

 

তবে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ থাকলেও প্রতিবাদের সংগঠন কার্যক্রমে তেমন বড় বাধা তৈরি হয়নি। স্বেচ্ছাসেবকেরা মাঠপর্যায়ে পানীয় জল, খাবার ও ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা করেছেন। অন্যদিকে, প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্রতার মধ্যে প্রতিবাদকারীদের স্বস্তি দিতে অনেকে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করেছেন।

 

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মতিঝিলের অবিস্ফোরিত পেট্রোল বোমা নিষ্ক্রিয় করলো ডিসপোজাল টিম

আবারও বন্ধ ইন্টারনেট, দিল্লিতে কী ঘটছে?

আপডেট সময় ০৯:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

ষষ্ঠ দফায় দিল্লিতে বন্ধ ইন্টারনেট

 

দিল্লির জন্তর মন্তর প্রতিবাদস্থল ও আশপাশের এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সময়সীমা শুক্রবার (২৪ জুলাই) সরকার আবার বাড়িয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত করেছে। নির্দেশ অনুযায়ী, টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে প্রতিবাদস্থলের ১.৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে। গত পাঁচ দিনে ওই এলাকায় এটি ষষ্ঠবারের মতো ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ। জন্তর মন্তরের আশপাশে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি আবেদনের জরুরি শুনানি করা হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট জানায়।

 

প্রথমবার ২০ জুলাই এই নির্দেশ জারি করা হয়। তখন এয়ারটেল, রিলায়েন্স জিও এবং ভোডাফোন আইডিয়াসহ টেলিকম সংস্থাগুলোকে কেন্দ্রীয় দিল্লির জন্তর মন্তরের আশপাশের কিছু এলাকায় সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল।

 

এরপর ২২ জুলাই দ্বিতীয় নির্দেশ জারি হয়, যেখানে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়।

 

তৃতীয় নির্দেশটি বৃহস্পতিবার জারি করা হয়, যেখানে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরিষেবা বন্ধ রাখার কথা বলা হয়। পরে বৃহস্পতিবারই চতুর্থ নির্দেশে সময় বাড়িয়ে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত করা হয় বলে টেলিকম শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

 

শুক্রবার সকালে সরকার প্রথমে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। পরে ষষ্ঠ নির্দেশ জারি করে টেলিকম সংস্থাগুলোকে মধ্যরাত পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখতে বলা হয়।

 

এই নির্দেশের আওতায় থাকা এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে কনট প্লেসের কাছে জনপথ মার্কেট, লে মেরিডিয়ান হোটেল, শাংগ্রি-লা হোটেল, ন্যাশনাল মিডিয়া সেন্টার এবং ইন্ডিয়ান উইমেন্স প্রেস কর্পসের কার্যালয়।

 

বারবার ইন্টারনেট বন্ধের কারণে অনেক প্রতিবাদকারী যোগাযোগের বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছেন। কেউ কেউ Bitchat Mesh-এর মতো অ্যাপ ব্যবহার করছেন, যেগুলো মোবাইল ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর করে না। এই অ্যাপ ব্লুটুথ-ভিত্তিক মেশ নেটওয়ার্ক তৈরি করে, যার মাধ্যমে কাছাকাছি থাকা ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট ছাড়াই বার্তা আদান-প্রদান করতে পারেন।

 

তবে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ থাকলেও প্রতিবাদের সংগঠন কার্যক্রমে তেমন বড় বাধা তৈরি হয়নি। স্বেচ্ছাসেবকেরা মাঠপর্যায়ে পানীয় জল, খাবার ও ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা করেছেন। অন্যদিকে, প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্রতার মধ্যে প্রতিবাদকারীদের স্বস্তি দিতে অনেকে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করেছেন।

 

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস