ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৭৪৭, মৃত্যু নেই ‘লংমার্চের মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে জামায়াত’: রাশেদ খাঁন ‘একাত্তরে জামায়াতের ভূমিকা সঠিক ছিল না, তারা তা মেনে নিয়েছে’: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’খ্যাত অভিনেতা পাভেলের নতুন ভিডিও ভাইরাল, ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা গুঞ্জন হত্যা মামলায় চিত্রনায়ক মরতুজা পলাশ গ্রেপ্তার, অনিশ্চয়তায় অপু বিশ্বাসের ‘শিকার’ সিনেমা ঢাকায় ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৬৪ এআইয়ের অপব্যবহার ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপের কথা ভাবছে সরকার ছুটির দিনেও অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস, দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ ভাইরাল অডিওর ঘটনায় সাবেক ওসি রাকিবুলকে ডিবিতে জিজ্ঞাসাবাদ সরকারকেই পরিষ্কার করতে হবে তারা মালয়েশিয়া এজেন্সি সিন্ডিকেটে জড়িত নয়: জামায়াত আমির

ঢাকা ক্লাবের সভাপতিসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সমন জারি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৫৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৩২ বার পড়া হয়েছে

সাবেক এক কর্মচারীর পাওনা টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে অভিজাত সামাজিক প্রতিষ্ঠান ঢাকা ক্লাব লিমিটেডের সভাপতিসহ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে ক্লাবের সাবেক কর্মচারী আশিক মোল্লা মামলার আবেদন করেন। বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদালত অভিযোগটি আমলে নেন। একই সঙ্গে আসামিদের আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন ঢাকা ক্লাবের সভাপতি ও রবিন প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের পরিচালক শামীম হোসেন, ডাইরেক্টর ফাইন্যান্স তুহিন রেজা, সিও ও সচিব লে. কর্নেল (অব.) ছাব্বির আহম্মেদ এবং চিফ ফাইন্যান্স অফিসার ইকবাল হোসেন।

মামলার আবেদনে আশিক মোল্লা উল্লেখ করেন, ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর ঢাকা ক্লাবে অ্যাটেন্ডেন্ট পদে যোগ দেন তিনি। পরের বছর ১৯ আগস্ট স্থায়ী নিয়োগ পান। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি তাকে চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। প্রায় ছয় মাস পর ২৭ জুলাই তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

বাদীর দাবি, চাকরি শেষে সার্ভিস বেনিফিট, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, নোটিশ পে ও বকেয়া বেতনসহ মোট ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা পাওনা হয় তার।

পাওনা আদায়ে তিনি কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে শ্রম আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মধ্যস্থতার আবেদন করেন। তবে আসামিরা নোটিশ পেয়েও সেখানে উপস্থিত না হওয়ায় তাকে লিখিত ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

এরপর গত ১৫ আগস্ট ঢাকা ক্লাবে গেলে তাকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৮১ টাকার একটি চেক দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বাকি ৩ লাখ ৭৩ হাজার ১৯ টাকা দিতে আসামিরা অস্বীকৃতি জানান।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, পাওনা টাকা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আশিক মোল্লাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগগুলো এখন আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৭৪৭, মৃত্যু নেই

ঢাকা ক্লাবের সভাপতিসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সমন জারি

আপডেট সময় ০৫:৫৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

সাবেক এক কর্মচারীর পাওনা টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে অভিজাত সামাজিক প্রতিষ্ঠান ঢাকা ক্লাব লিমিটেডের সভাপতিসহ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে ক্লাবের সাবেক কর্মচারী আশিক মোল্লা মামলার আবেদন করেন। বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদালত অভিযোগটি আমলে নেন। একই সঙ্গে আসামিদের আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন ঢাকা ক্লাবের সভাপতি ও রবিন প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের পরিচালক শামীম হোসেন, ডাইরেক্টর ফাইন্যান্স তুহিন রেজা, সিও ও সচিব লে. কর্নেল (অব.) ছাব্বির আহম্মেদ এবং চিফ ফাইন্যান্স অফিসার ইকবাল হোসেন।

মামলার আবেদনে আশিক মোল্লা উল্লেখ করেন, ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর ঢাকা ক্লাবে অ্যাটেন্ডেন্ট পদে যোগ দেন তিনি। পরের বছর ১৯ আগস্ট স্থায়ী নিয়োগ পান। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি তাকে চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। প্রায় ছয় মাস পর ২৭ জুলাই তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

বাদীর দাবি, চাকরি শেষে সার্ভিস বেনিফিট, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, নোটিশ পে ও বকেয়া বেতনসহ মোট ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা পাওনা হয় তার।

পাওনা আদায়ে তিনি কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে শ্রম আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মধ্যস্থতার আবেদন করেন। তবে আসামিরা নোটিশ পেয়েও সেখানে উপস্থিত না হওয়ায় তাকে লিখিত ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

এরপর গত ১৫ আগস্ট ঢাকা ক্লাবে গেলে তাকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৮১ টাকার একটি চেক দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বাকি ৩ লাখ ৭৩ হাজার ১৯ টাকা দিতে আসামিরা অস্বীকৃতি জানান।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, পাওনা টাকা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আশিক মোল্লাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগগুলো এখন আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছে।