ইরানের সেনাবাহিনীতে নতুন করে অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম, বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আক্রমিনিয়া। তার দাবি, এর ফলে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়েছে। খবর তাসনিম নিউজ এজেন্সির।
রোববার (২৬ জুলাই) এক বক্তব্যে আক্রমিনিয়া বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির সময় ও পরবর্তী হামলার মধ্যেও ইরানের সেনাবাহিনী তাদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন ও শক্তিশালী করেছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বিমান প্রতিরক্ষা খাতে।
তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো মেরামত করে পুনরায় সচল করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন প্রতিরক্ষা সরঞ্জামও সেনাবাহিনীর অপারেশনাল কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, যা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।
আক্রমিনিয়া বলেন, আমরা সুযোগগুলো সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। তিন মাসের যুদ্ধবিরতি আমাদের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার জন্য, বিশেষ করে বিমান প্রতিরক্ষা খাতে, একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ ছিল।
তিনি আরও বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্ভাব্য সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তার দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে ওয়াশিংটন যে লক্ষ্যগুলো অর্জন করতে চেয়েছিল, তার কোনোটিই সফল হয়নি।
আক্রমিনিয়ার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া, ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল করা এবং দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়া। তবে এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে তারা ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে যে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিলে তার উপযুক্ত জবাব দিতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি আগ্রাসন অব্যাহত রাখে, তাহলে সংঘাতের ভৌগোলিক পরিসর আরও বিস্তৃত হতে পারে। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ইতোমধ্যে নতুন কৌশল প্রণয়ন করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















