ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দেশের বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক শিশুর অনুরোধে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ‘চুক্তিতে’ স্বাক্ষর করলেন স্কালোনি সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের এবার ইরানে স্থলসেনা নামানোর ছক যুক্তরাষ্ট্রের, ভয়ংকর পরিকল্পনা ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ পরীক্ষায় ছাত্রদলের দুই নেতার হাতাহাতি ইরানে হামলায় যুক্তরাজ্যের কোনো ঘাঁটি ব্যবহৃত হলে তা হবে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: আইআরজিসি কৃষক সেজে ফসলি মাঠ থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে ধরল পুলিশ সাবেক রাষ্ট্রপতির ফৌজদারী অপরাধের বিচার সম্ভব, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে কোন বাধা নেই: শিশির মনির

৮২ লাখ টাকার চিকিৎসা বিল নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

চিকিৎসা বাবদ প্রায় ৮২ লাখ টাকা সরকারি ব্যয়ের খবর প্রকাশের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন।

রোববার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, তার চিকিৎসা ব্যয় সম্পূর্ণ আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় এবং প্রচলিত বিধি অনুযায়ী সরকার বহন করেছে। এ নিয়ে প্রকাশিত কিছু সংবাদ জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী মন্ত্রী ও মন্ত্রী পদমর্যাদার ব্যক্তিদের দেশ-বিদেশে চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করে থাকে। বিদেশে চিকিৎসার ক্ষেত্রে মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ, সরকারপ্রধানের অনুমোদন এবং বিল-ভাউচার জমা দেওয়ার মতো নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন জটিল স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। দায়িত্ব পালনকালে তার হৃদস্পন্দনের জটিলতা ধরা পড়ে। পরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বোর্ড তাকে ‘ক্যাথেটার অ্যাবলেশন’ নামের একটি জটিল অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেয়। তবে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি দেশে না থাকায় বিদেশে চিকিৎসার সুপারিশ করা হয়।

সাবেক এই উপদেষ্টা জানান, প্রথমে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তার প্রায় ১৭ লাখ টাকা ব্যয় হয়। পরবর্তীতে হজ পালন শেষে অসুস্থতা বাড়লে চলতি বছরের জানুয়ারিতে একই হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করাতে হয়। ওই অস্ত্রোপচার এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা ব্যয় বাবদ প্রায় ৬৫ লাখ টাকা খরচ হয়।

তিনি দাবি করেন, চিকিৎসার প্রতিটি ব্যয়ের বিল, ভাউচার ও রসিদ যথাযথভাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে। সরকার কেবল হাসপাতাল, অপারেশন ও ওষুধের খরচ বহন করেছে। অন্যদিকে তার সঙ্গে থাকা সহযাত্রীর ব্যয়, হোটেল ভাড়া, খাবার ও যাতায়াতের খরচ তিনি ব্যক্তিগতভাবে বহন করেছেন।

পোস্টে আ ফ ম খালিদ হোসেন আরও বলেন, উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি কোনো ধরনের সরকারি অর্থ আত্মসাৎ বা অপব্যবহার করেননি। আইন অনুযায়ী প্রাপ্য সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

একই সঙ্গে চিকিৎসা ব্যয় সংক্রান্ত কিছু সংবাদকে ‘মিডিয়া ফ্রেমিং’ আখ্যা দিয়ে এর সমালোচনা করেন সাবেক এই উপদেষ্টা। তার ভাষ্য, বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক একটি বিষয়কে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে জনমনে অযথা সন্দেহ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান

৮২ লাখ টাকার চিকিৎসা বিল নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০১:২০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

চিকিৎসা বাবদ প্রায় ৮২ লাখ টাকা সরকারি ব্যয়ের খবর প্রকাশের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন।

রোববার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, তার চিকিৎসা ব্যয় সম্পূর্ণ আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় এবং প্রচলিত বিধি অনুযায়ী সরকার বহন করেছে। এ নিয়ে প্রকাশিত কিছু সংবাদ জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী মন্ত্রী ও মন্ত্রী পদমর্যাদার ব্যক্তিদের দেশ-বিদেশে চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করে থাকে। বিদেশে চিকিৎসার ক্ষেত্রে মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ, সরকারপ্রধানের অনুমোদন এবং বিল-ভাউচার জমা দেওয়ার মতো নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন জটিল স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। দায়িত্ব পালনকালে তার হৃদস্পন্দনের জটিলতা ধরা পড়ে। পরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বোর্ড তাকে ‘ক্যাথেটার অ্যাবলেশন’ নামের একটি জটিল অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেয়। তবে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি দেশে না থাকায় বিদেশে চিকিৎসার সুপারিশ করা হয়।

সাবেক এই উপদেষ্টা জানান, প্রথমে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তার প্রায় ১৭ লাখ টাকা ব্যয় হয়। পরবর্তীতে হজ পালন শেষে অসুস্থতা বাড়লে চলতি বছরের জানুয়ারিতে একই হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করাতে হয়। ওই অস্ত্রোপচার এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা ব্যয় বাবদ প্রায় ৬৫ লাখ টাকা খরচ হয়।

তিনি দাবি করেন, চিকিৎসার প্রতিটি ব্যয়ের বিল, ভাউচার ও রসিদ যথাযথভাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে। সরকার কেবল হাসপাতাল, অপারেশন ও ওষুধের খরচ বহন করেছে। অন্যদিকে তার সঙ্গে থাকা সহযাত্রীর ব্যয়, হোটেল ভাড়া, খাবার ও যাতায়াতের খরচ তিনি ব্যক্তিগতভাবে বহন করেছেন।

পোস্টে আ ফ ম খালিদ হোসেন আরও বলেন, উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি কোনো ধরনের সরকারি অর্থ আত্মসাৎ বা অপব্যবহার করেননি। আইন অনুযায়ী প্রাপ্য সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

একই সঙ্গে চিকিৎসা ব্যয় সংক্রান্ত কিছু সংবাদকে ‘মিডিয়া ফ্রেমিং’ আখ্যা দিয়ে এর সমালোচনা করেন সাবেক এই উপদেষ্টা। তার ভাষ্য, বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক একটি বিষয়কে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে জনমনে অযথা সন্দেহ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।