ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ককরোচ’দের আন্দোলনকে সমর্থন করায় ভারতে গ্রেপ্তার ৩ মুসলিম তরুণ দেশের ৭৬.৫% টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, প্রথম বৈজ্ঞানিক গবেষণায় উদ্বেগ গুনে গুনে ঘুষ নেওয়া ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হাসিনার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব নিয়েছে বিএনপি: মাহমুদা মিতু জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর খাওয়ার পানির ট্যাংকে বিষ দিয়েছে সন্ত্রাসীরা: পুলিশ বিচার ও সংস্কারে কোনো আপস করবে না এনসিপি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া সরকারের সামনে বিকল্প পথ নেই: মামুনুল হক ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গ্রিন সিগনালে কক্সবাজার-গাজীপুরে ছাত্রলীগের মিছিল’: ফেসবুক পোস্টে সারজিস আলম ইসি সচিবালয়ে ‘দলীয় ব্যক্তিকে’ নিয়োগ দেওয়া নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য হুমকি: জামায়াত

চাঁদা না দেওয়ায় হামলার অভিযোগ, রক্তাক্ত ইউনিয়ন বিএনপি নেতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:১০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে

চাঁদা চেয়ে না পেয়ে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতার ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের এক স্থানীয় নেতাসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। হামলায় আহত হয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সোনা মিয়াসহ কয়েকজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সোনা মিয়া মাছ চাষের জন্য নিজের পুকুর খনন করছেন। সেই পুকুর থেকে উত্তোলিত মাটি সরকারি সড়ক নির্মাণকাজে সরবরাহ করা হচ্ছিল। শনিবার (২৭ জুন) সকালে ট্রাক্টরে করে মাটি বহনের সময় দামোদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল খালেক, নান্নু মিয়া, লাজু মিয়া, সিরাজুল ইসলামসহ কয়েকজন তার কাছে চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ।

অভিযোগ অনুযায়ী, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আব্দুল খালেক ও তার সহযোগীরা সোনা মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। লাঠিপেটা ও মারধরে তার মাথা ফেটে যায় এবং তিনি রক্তাক্ত হন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

রোববার (২৮ জুন) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহিদুল ইসলাম সোনা মিয়া বলেন, সরকারি সড়ক নির্মাণকাজে মাটি সরবরাহ করায় তার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তার ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত আব্দুল খালেকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ককরোচ’দের আন্দোলনকে সমর্থন করায় ভারতে গ্রেপ্তার ৩ মুসলিম তরুণ

চাঁদা না দেওয়ায় হামলার অভিযোগ, রক্তাক্ত ইউনিয়ন বিএনপি নেতা

আপডেট সময় ০৫:১০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

চাঁদা চেয়ে না পেয়ে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতার ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের এক স্থানীয় নেতাসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। হামলায় আহত হয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সোনা মিয়াসহ কয়েকজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সোনা মিয়া মাছ চাষের জন্য নিজের পুকুর খনন করছেন। সেই পুকুর থেকে উত্তোলিত মাটি সরকারি সড়ক নির্মাণকাজে সরবরাহ করা হচ্ছিল। শনিবার (২৭ জুন) সকালে ট্রাক্টরে করে মাটি বহনের সময় দামোদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল খালেক, নান্নু মিয়া, লাজু মিয়া, সিরাজুল ইসলামসহ কয়েকজন তার কাছে চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ।

অভিযোগ অনুযায়ী, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আব্দুল খালেক ও তার সহযোগীরা সোনা মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। লাঠিপেটা ও মারধরে তার মাথা ফেটে যায় এবং তিনি রক্তাক্ত হন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

রোববার (২৮ জুন) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহিদুল ইসলাম সোনা মিয়া বলেন, সরকারি সড়ক নির্মাণকাজে মাটি সরবরাহ করায় তার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তার ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত আব্দুল খালেকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।