ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইউক্রেন যুদ্ধে প্রতি মাসে ৬ হাজার সেনা হারাচ্ছে রাশিয়া এবার অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে মার্কিন ডলার বর্জনের ডাক দিলেন মোজতবা খামেনি সংসদে হাসনাতের বক্তব্য ঘিরে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এনসিপির কর্মসূচি প্রতিহতের ঘোষণা যুদ্ধে ‘শেষ উপায়’ হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছেন পুতিন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশে ফিরলেন টাইগাররা সংসদে হাসনাতের বক্তব্য ঘিরে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এনসিপির কর্মসূচি প্রতিহতের ঘোষণা বন্ধ হয়ে গেল আহমাদুল্লাহর সাপ্তাহিক লাইভ ‘শরয়ী সমাধান’ মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশ: ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাকিস্তানের, ভারত বলল ‘নজর রাখছি’ একসঙ্গে নদীর পানিতে ডুবে মৃত্যু, পাশাপাশি কবরে ৫ শিশু নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৮৪, নিখোঁজ প্রায় আড়াই হাজার 

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

এবার জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব আইরিন জুবাইদা খান। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে নিজের পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি। এর মধ্যদিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আইরিন খান।

মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন, শরণার্থী সুরক্ষা, আইনের শাসন ও টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইরিন খানের কয়েক দশকের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২০ সাল থেকে মতামত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষা ও প্রসারবিষয়ক জাতিসংঘের স্পেশাল র‍্যাপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আইরিন জুবাইদা খান। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সংস্থাটির ইতিহাসে প্রথম নারী মহাসচিব ছিলেন তিনি।

২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আইরিন খান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল অর্গানাইজেশনের (আইডিএলও) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার আগে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ে (ইউএনএইচসিআর) ২১ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতে চিফ অব মিশন এবং ডিভিশন অব ইন্টারন্যাশনাল প্রটেকশনের উপপরিচালকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

মানবাধিকার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে মর্যাদাপূর্ণ সিডনি পিস প্রাইজে ভূষিত হন আইরিন খান। তিনি বিখ্যাতদ্য আনহার্ড ট্রুথ: পভার্টি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসগ্রন্থের লেখক। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার ও হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউক্রেন যুদ্ধে প্রতি মাসে ৬ হাজার সেনা হারাচ্ছে রাশিয়া

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

আপডেট সময় ০৯:৪৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

এবার জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব আইরিন জুবাইদা খান। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে নিজের পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি। এর মধ্যদিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আইরিন খান।

মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন, শরণার্থী সুরক্ষা, আইনের শাসন ও টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইরিন খানের কয়েক দশকের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২০ সাল থেকে মতামত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষা ও প্রসারবিষয়ক জাতিসংঘের স্পেশাল র‍্যাপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আইরিন জুবাইদা খান। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সংস্থাটির ইতিহাসে প্রথম নারী মহাসচিব ছিলেন তিনি।

২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আইরিন খান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল অর্গানাইজেশনের (আইডিএলও) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার আগে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ে (ইউএনএইচসিআর) ২১ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতে চিফ অব মিশন এবং ডিভিশন অব ইন্টারন্যাশনাল প্রটেকশনের উপপরিচালকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

মানবাধিকার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে মর্যাদাপূর্ণ সিডনি পিস প্রাইজে ভূষিত হন আইরিন খান। তিনি বিখ্যাতদ্য আনহার্ড ট্রুথ: পভার্টি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসগ্রন্থের লেখক। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার ও হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।