ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ডিআরইউতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ সাভারে বোমাসদৃশ ৫ বস্তু উদ্ধার, আটক ১ ৯০০ শিক্ষার্থীর শিক্ষক ৬ জন, তবু ৯ বছর ধরে সেরা রাজধানীতে চাঁদা তোলায় বাধা, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করলেন যুবদল নেতা চঞ্চল চাঁদা নিতে বাধা দেওয়ায় ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ওপর নিউমার্কেট যুবদলের হামলা নববধূর স্বামীর কাছে মাদক পাঠিয়ে পুলিশকে খবর দিলো সাবেক প্রেমিক সাভারে সন্ত্রাসীরা অবস্থান করা একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ, ৫টি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার ফ্যামিলি কার্ড নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ: গাইবান্ধায় ইউএনও কার্যালয়ে ভাঙচুর শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয় ‘পর্যালোচনা করছে’ ভারত ‘আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের স্বৈরাচারী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল শিক্ষার্থীরা’

‘জুলাই আন্দোলন’বিরোধী বিতর্কিত চেয়ারম্যান অতিথি আসনে—এনসিপি পরিচিতি সভায় তীব্র প্রতিক্রিয়া

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • ৩৮৩ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বিজয় চত্বরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত এক পরিচিতি সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা ও খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। রাজনৈতিক পরিচিতি ও অতীত কার্যকলাপের কারণে তার অতিথি হিসেবে উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

জাহাঙ্গীর আলম একাধিক নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থীদের ওপর হামলা, হয়রানি ও ভোট কারচুপির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্র দখলের অভিযোগ ওঠে এবং ২০২৪ সালের ‘জুলাই আন্দোলন’ চলাকালেও তাকে বিরোধী দলের ওপর হামলার নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেন।

তার এই অতীত ভূমিকা সত্ত্বেও এনসিপির মতো বিকল্পধারার রাজনীতির মঞ্চে তাকে স্বাগত জানানো অনেকের কাছে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। আন্দোলনপন্থী নেতারা বলছেন, এ ধরনের মানুষদের রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসন করা আদর্শ ও মূল্যবোধের পরিপন্থী।

এনসিপির নীলফামারী জেলা কমিটির অন্যতম সংগঠক রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানিয়েছেন, জাহাঙ্গীর আলম আওয়ামী লীগের সব পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং জুলাই আন্দোলনে তিনি সরাসরি বিরোধিতা করেছিলেন কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই। যদিও একাধিক সূত্র বলছে, আন্দোলন চলাকালে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করেছিলেন।

কমিটিতে আরও রয়েছেন নানা রাজনৈতিক অতীতসম্পন্ন ব্যক্তিরা, যাদের কেউ কেউ স্বীকার করেছেন যে তারা জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বা এখনো আছেন। কেউ কেউ ফেসবুকে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেও বিতর্ক থামছে না। অনেকে বলছেন, বিকল্প রাজনীতির নামে এসব ফ্যাসিস্ট চরিত্রের পুনরুৎ্থান আন্দোলনের শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিআরইউতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

‘জুলাই আন্দোলন’বিরোধী বিতর্কিত চেয়ারম্যান অতিথি আসনে—এনসিপি পরিচিতি সভায় তীব্র প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় ১০:২২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বিজয় চত্বরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত এক পরিচিতি সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা ও খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। রাজনৈতিক পরিচিতি ও অতীত কার্যকলাপের কারণে তার অতিথি হিসেবে উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

জাহাঙ্গীর আলম একাধিক নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থীদের ওপর হামলা, হয়রানি ও ভোট কারচুপির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্র দখলের অভিযোগ ওঠে এবং ২০২৪ সালের ‘জুলাই আন্দোলন’ চলাকালেও তাকে বিরোধী দলের ওপর হামলার নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেন।

তার এই অতীত ভূমিকা সত্ত্বেও এনসিপির মতো বিকল্পধারার রাজনীতির মঞ্চে তাকে স্বাগত জানানো অনেকের কাছে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। আন্দোলনপন্থী নেতারা বলছেন, এ ধরনের মানুষদের রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসন করা আদর্শ ও মূল্যবোধের পরিপন্থী।

এনসিপির নীলফামারী জেলা কমিটির অন্যতম সংগঠক রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানিয়েছেন, জাহাঙ্গীর আলম আওয়ামী লীগের সব পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং জুলাই আন্দোলনে তিনি সরাসরি বিরোধিতা করেছিলেন কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই। যদিও একাধিক সূত্র বলছে, আন্দোলন চলাকালে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করেছিলেন।

কমিটিতে আরও রয়েছেন নানা রাজনৈতিক অতীতসম্পন্ন ব্যক্তিরা, যাদের কেউ কেউ স্বীকার করেছেন যে তারা জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বা এখনো আছেন। কেউ কেউ ফেসবুকে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেও বিতর্ক থামছে না। অনেকে বলছেন, বিকল্প রাজনীতির নামে এসব ফ্যাসিস্ট চরিত্রের পুনরুৎ্থান আন্দোলনের শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা।