ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের নোয়াখালীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ চার পরিবর্তন নিয়ে রাতে মাঠে নামছে ব্রাজিল মেহেরপুর তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিজিবি-গ্রামবাসীর প্রতিরোধে ব্যর্থ বিএসএফ, সীমান্তে সতর্ক অবস্থান এসএসসি পরীক্ষার্থীকে বলাৎকার, আ.লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ মেহেরপুর প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি ফারুক সম্পাদক মুক্ত রক্তাক্ত ছবি শেয়ার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি তিন মাসেই আ.লীগের অবস্থানে পৌঁছে গেছে: আসিফ মাহমুদ ঈদের ছুটি শেষে ফেরার পর এক গ্রুপে গণছাঁটাই, চাকরি হারালেন ১৮৬৮ শ্রমিক যুদ্ধে ইরানের সামরিক শক্তি ‘সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস’, ক্ষেপণাস্ত্র মজুত মাত্র ২১% : ট্রাম্প

মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেলেন আ.লীগ নেতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
  • ৭১০ বার পড়া হয়েছে

এবার একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মোবারক হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল, তা বাতিল করে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আজ বুধবার (৩০ জুলাই) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর মোবারক হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিল বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন এবং বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। রায়ে বলা হয়, একাত্তরে মোবারক ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজাকার বাহিনীর অন্যতম সদস্য। তার বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে দুটি প্রমাণিত হয়েছিল। একটি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল।

পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন মোবারক হোসেন। চলতি বছরের ৮ জুলাই থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে আজ তাকে খালাস দেন আপিল বিভাগ। এর আগে, ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মোবারক হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। তাকে ফাঁসির দঁড়িতে ঝুলিয়ে সর্বোচ্চ সাজা কার্যকরের আদেশ দেওয়া হয়। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত তৎকালীন ট্রাইব্যুনাল-১ মোবারকের বিরুদ্ধে মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে ৫টি অভিযোগের মধ্যে ২টি প্রমাণিত হয়। এর একটিতে মৃত্যুদণ্ড ও অপরটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে বলা হয়, একাত্তরে মোবারক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজাকার বাহিনীর অন্যতম সদস্য ছিলেন। পরে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন মোবারক। চলতি বছরের ৮ জুলাই একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে মোবারক হোসেনের আপিল শুনানি শুরু হয় এবং ২২ জুলাই শুনানি শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করেছিলেন আপিল বিভাগ। উল্লেখ্য, মোবারক ২০১২ সাল পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের

মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেলেন আ.লীগ নেতা

আপডেট সময় ০২:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

এবার একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মোবারক হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল, তা বাতিল করে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আজ বুধবার (৩০ জুলাই) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর মোবারক হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিল বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন এবং বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। রায়ে বলা হয়, একাত্তরে মোবারক ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজাকার বাহিনীর অন্যতম সদস্য। তার বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে দুটি প্রমাণিত হয়েছিল। একটি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল।

পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন মোবারক হোসেন। চলতি বছরের ৮ জুলাই থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে আজ তাকে খালাস দেন আপিল বিভাগ। এর আগে, ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মোবারক হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। তাকে ফাঁসির দঁড়িতে ঝুলিয়ে সর্বোচ্চ সাজা কার্যকরের আদেশ দেওয়া হয়। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত তৎকালীন ট্রাইব্যুনাল-১ মোবারকের বিরুদ্ধে মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে ৫টি অভিযোগের মধ্যে ২টি প্রমাণিত হয়। এর একটিতে মৃত্যুদণ্ড ও অপরটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে বলা হয়, একাত্তরে মোবারক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজাকার বাহিনীর অন্যতম সদস্য ছিলেন। পরে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন মোবারক। চলতি বছরের ৮ জুলাই একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে মোবারক হোসেনের আপিল শুনানি শুরু হয় এবং ২২ জুলাই শুনানি শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করেছিলেন আপিল বিভাগ। উল্লেখ্য, মোবারক ২০১২ সাল পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।