ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশ ব্যারাক থেকে এক নারী পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩৮৬ বার পড়া হয়েছে

এবার খুলনায় মিমি খাতুন (২৭) নামে হাইওয়ে পুলিশের এক নারী সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানাধীন মুজগুন্নি হাউজিং এস্টেটের নারী পুলিশ ব্যারাক থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মৃত মিমি খাতুন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সাত নম্বর ফুলবাড়ি এলাকার নবীন বিশ্বাসের মেয়ে এবং ইমরান হোসেনের স্ত্রী। তিনি কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

এদিকে পুলিশ জানায়, দুপুর দেড়টার দিকে সহকর্মীরা মিমি খাতুনকে নিজ কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে ব্যারাক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। পরে সুরতহাল সম্পন্ন করে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

মুজগুন্নি পুলিশ ব্যারাকে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা জানান, মিমি হাইওয়ে রিজিওনের নারী সদস্য হিসেবে চাকরি করছিলেন এবং ওই ব্যারাকেই অবস্থান করতেন। ঠিক কোন কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তার কক্ষে কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। মৃত্যু সনদে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে খালিশপুর থানার ওসি মীর আতাহার আলী বলেন, আমরা ঘটনা তদন্ত করছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। তিনি জানান, পরিবার ও সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ব্যারাকে বিরাজ করছে শোকের আবহ। মিমির লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আজ

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশ ব্যারাক থেকে এক নারী পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ১১:৩৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

এবার খুলনায় মিমি খাতুন (২৭) নামে হাইওয়ে পুলিশের এক নারী সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানাধীন মুজগুন্নি হাউজিং এস্টেটের নারী পুলিশ ব্যারাক থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মৃত মিমি খাতুন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সাত নম্বর ফুলবাড়ি এলাকার নবীন বিশ্বাসের মেয়ে এবং ইমরান হোসেনের স্ত্রী। তিনি কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

এদিকে পুলিশ জানায়, দুপুর দেড়টার দিকে সহকর্মীরা মিমি খাতুনকে নিজ কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে ব্যারাক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। পরে সুরতহাল সম্পন্ন করে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

মুজগুন্নি পুলিশ ব্যারাকে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা জানান, মিমি হাইওয়ে রিজিওনের নারী সদস্য হিসেবে চাকরি করছিলেন এবং ওই ব্যারাকেই অবস্থান করতেন। ঠিক কোন কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তার কক্ষে কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। মৃত্যু সনদে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে খালিশপুর থানার ওসি মীর আতাহার আলী বলেন, আমরা ঘটনা তদন্ত করছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। তিনি জানান, পরিবার ও সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ব্যারাকে বিরাজ করছে শোকের আবহ। মিমির লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আজ