ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিএনপি তিন মাসেই আ.লীগের অবস্থানে পৌঁছে গেছে: আসিফ মাহমুদ ঈদের ছুটি শেষে ফেরার পর এক গ্রুপে গণছাঁটাই, চাকরি হারালেন ১৮৬৮ শ্রমিক যুদ্ধে ইরানের সামরিক শক্তি ‘সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস’, ক্ষেপণাস্ত্র মজুত মাত্র ২১% : ট্রাম্প ধর্ষিতার বাবা নয়-গর্বিত পিতা হতে চেয়েছিলাম, আমি কি তার জন্য দায়ী?: রামিসার বাবা ২ হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা করলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানে উত্তাল ভারতের রাজধানী আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের নোটিশ বেআইনি: শিশির মনির অবৈধ বিদেশিদের বিতাড়ন হচ্ছে আইন অনুযায়ী: বাংলাদেশে পুশ ইন নিয়ে প্রশ্নে জয়সোয়াল তিন দিনের সফরে রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র কুয়েত-বাহরাইনকে লক্ষ্য করে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান

পদত্যাগ করলেন খালেদা জিয়াকে ৫ বছর সাজা দেয়া বিচারপতি ড. আখতারুজ্জামান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬৮৬ বার পড়া হয়েছে

এবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছর সাজা দেয়া বিচারপতি ড. আখতারুজ্জামান পদত্যাগ করেছেন। রোববার (৩১ আগস্ট) তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। অনিয়মের অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে ছুটিতে পাঠানো হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানকে তলব করে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল।

গত ১ জুলাই সশরীরে হাজির হয়ে তাকে ব্যাখা দিতে বলা হয়। সেই ব্যাখ্যা দিয়েই প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের কাছে আজ পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। ইতোমধ্যে প্রধান বিচারপতি পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতির কাছে। এর আগে, চলতি বছরের ২৩ মার্চ বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশনা দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি।

গত বছরের ১৬ অক্টোবর দুর্নীতি ও ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করার অভিযোগ ওঠায় ১২ বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। একইসঙ্গে তাদের বেঞ্চ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

১২ বিচারপতি হলেন- বিচারপতি নাইমা হায়দার, বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ, বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস, বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার, বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান, বিচারপতি আতাউর রহমান খান, বিচারপতি শাহেদ নূর উদ্দিন, বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামান, বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলাম, বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, বিচারপতি খিজির হায়াত ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান।

অভিযোগ ওঠার পর ওই ১২ বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানকে ডাকা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি তিন মাসেই আ.লীগের অবস্থানে পৌঁছে গেছে: আসিফ মাহমুদ

পদত্যাগ করলেন খালেদা জিয়াকে ৫ বছর সাজা দেয়া বিচারপতি ড. আখতারুজ্জামান

আপডেট সময় ০২:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

এবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছর সাজা দেয়া বিচারপতি ড. আখতারুজ্জামান পদত্যাগ করেছেন। রোববার (৩১ আগস্ট) তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। অনিয়মের অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে ছুটিতে পাঠানো হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানকে তলব করে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল।

গত ১ জুলাই সশরীরে হাজির হয়ে তাকে ব্যাখা দিতে বলা হয়। সেই ব্যাখ্যা দিয়েই প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের কাছে আজ পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। ইতোমধ্যে প্রধান বিচারপতি পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতির কাছে। এর আগে, চলতি বছরের ২৩ মার্চ বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশনা দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি।

গত বছরের ১৬ অক্টোবর দুর্নীতি ও ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করার অভিযোগ ওঠায় ১২ বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। একইসঙ্গে তাদের বেঞ্চ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

১২ বিচারপতি হলেন- বিচারপতি নাইমা হায়দার, বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ, বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস, বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার, বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান, বিচারপতি আতাউর রহমান খান, বিচারপতি শাহেদ নূর উদ্দিন, বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামান, বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলাম, বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, বিচারপতি খিজির হায়াত ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান।

অভিযোগ ওঠার পর ওই ১২ বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানকে ডাকা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।