ঢাকা , রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি, তবু নোবেল পেলাম না’—হাস্যরসে ট্রাম্পের আক্ষেপ হলফনামায় ছিল ৩১ শতাংশ জমি, প্রতিমন্ত্রী হওয়ার তিন মাসেই সম্পদ বেড়েছে ৮ গুণ ফেস দ্যা পিপলের সম্পাদক-রিপোর্টারের বিরুদ্ধে মামলা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না: মিশরের প্রেসিডেন্ট ট্রাফিক পুলিশকে অনুরোধ না করতে সব মন্ত্রীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী অণ্ডকোষ চেপে চেক-স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়া সেই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার শিশুর পাইলসের চিকিৎসা নিতে গিয়ে জানাজানি হলো ধর্ষণের ঘটনা ‘আ.লীগের আমলের আইনেই দলটির বিচার হবে’ বলে ব্যাখ্যা দিলেন চিফ প্রসিকিউটর মাত্র একটি আঘাতেই সবাইকে শেষ করে দিতে পারতাম: ট্রাম্প প্রেস ও মিডিয়া কমিটির নতুন নেতৃত্বে তাসনোভা মাহবুব সালাম

শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই ৩ হাজার কোটি টাকার পণ্য

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১০:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৬৫ বার পড়া হয়েছে

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আমদানিকারক, রপ্তানিকারক থেকে শুরু করে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট—সবাই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ না হলেও ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, আগুনে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার পণ্য পুড়ে গেছে।

আগুনে ওষুধের কাঁচামাল, বন্ডেড কাঁচামাল, কেমিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স পণ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ আমদানি সংক্রান্ত নথিপত্র সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে হাজার হাজার ব্যবসায়ী নিঃস্ব হওয়ার মুখে।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের কুরিয়ার গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত হয়। এর পাশেই ছিল রাসায়নিক গুদাম, যেখানে কেমিক্যাল, মোবাইলের এলডিসি ও অন্যান্য দাহ্য পদার্থ সংরক্ষিত ছিল। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পুরো গুদাম এলাকায় ভয়াবহ রূপ নেয়।

ঢাকা কাস্টম হাউস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ও শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় ওই সময় কার্গো ভিলেজে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমাণ পণ্য মজুত ছিল। ফলে ক্ষতির পরিমাণও বেড়েছে কয়েকগুণ।

ঢাকা কাস্টম হাউস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন কালবেলা বলেন,

“কার্গো ভিলেজের আগুনে প্রায় সব পুড়ে গেছে। গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট, কেমিক্যাল, বন্ডেড কাঁচামাল—সব শেষ। দ্রুত সময়ে শিপমেন্টের জন্য আনা জরুরি পণ্যও পুড়ে গেছে। আমরা ধারণা করছি, প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।”

ইলেকট্রনিক্স পণ্য আমদানিকারক জাহাঙ্গীর আলম জানান,

“আমার ৪৮৬ কার্টন ইলেকট্রনিক্স পণ্য ছিল, সব পুড়ে গেছে। এর বিপরীতে আমি ২০ লাখ টাকা শুল্ক-করও দিয়েছিলাম। এক আগুনে সব শেষ হয়ে গেল।”

এই অগ্নিকাণ্ডে হাজারো ছোট আমদানিকারক ব্যবসায়ী এখন দিশেহারা। বিমানবন্দর ও কাস্টম কর্তৃপক্ষ বলছে, ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং আগুনের কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি, তবু নোবেল পেলাম না’—হাস্যরসে ট্রাম্পের আক্ষেপ

শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই ৩ হাজার কোটি টাকার পণ্য

আপডেট সময় ১০:১০:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আমদানিকারক, রপ্তানিকারক থেকে শুরু করে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট—সবাই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ না হলেও ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, আগুনে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার পণ্য পুড়ে গেছে।

আগুনে ওষুধের কাঁচামাল, বন্ডেড কাঁচামাল, কেমিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স পণ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ আমদানি সংক্রান্ত নথিপত্র সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে হাজার হাজার ব্যবসায়ী নিঃস্ব হওয়ার মুখে।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের কুরিয়ার গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত হয়। এর পাশেই ছিল রাসায়নিক গুদাম, যেখানে কেমিক্যাল, মোবাইলের এলডিসি ও অন্যান্য দাহ্য পদার্থ সংরক্ষিত ছিল। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পুরো গুদাম এলাকায় ভয়াবহ রূপ নেয়।

ঢাকা কাস্টম হাউস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ও শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় ওই সময় কার্গো ভিলেজে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমাণ পণ্য মজুত ছিল। ফলে ক্ষতির পরিমাণও বেড়েছে কয়েকগুণ।

ঢাকা কাস্টম হাউস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন কালবেলা বলেন,

“কার্গো ভিলেজের আগুনে প্রায় সব পুড়ে গেছে। গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট, কেমিক্যাল, বন্ডেড কাঁচামাল—সব শেষ। দ্রুত সময়ে শিপমেন্টের জন্য আনা জরুরি পণ্যও পুড়ে গেছে। আমরা ধারণা করছি, প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।”

ইলেকট্রনিক্স পণ্য আমদানিকারক জাহাঙ্গীর আলম জানান,

“আমার ৪৮৬ কার্টন ইলেকট্রনিক্স পণ্য ছিল, সব পুড়ে গেছে। এর বিপরীতে আমি ২০ লাখ টাকা শুল্ক-করও দিয়েছিলাম। এক আগুনে সব শেষ হয়ে গেল।”

এই অগ্নিকাণ্ডে হাজারো ছোট আমদানিকারক ব্যবসায়ী এখন দিশেহারা। বিমানবন্দর ও কাস্টম কর্তৃপক্ষ বলছে, ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং আগুনের কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।