ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়: পরিকল্পিতভাবে মেজর সিনহাকে হত্যা নিশ্চিত করেন ওসি প্রদীপ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৩০ বার পড়া হয়েছে

 

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডে ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ ও ‘পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে হাইকোর্ট। আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রদীপ জুতাসহ পা দিয়ে সিনহার বুকে জোরে আঘাত করেন এবং গলার বাম পাশে পা চেপে ধরে তাঁর মৃত্যুর নিশ্চয়তা নিশ্চিত করেন। প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এসব তথ্যকে প্রমাণিত করেছে।

বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের বেঞ্চ থেকে ৩৭৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। গত ২ জুন ঘোষিত রায়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া শাস্তি বহাল রাখা হয়েছে।

মামলায় মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকছে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এবং বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলীর।
এ ছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বরখাস্ত এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, সাগর দেব, রুবেল শর্মা এবং মামলার সাক্ষী নুরুল আমিন, নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

রায়ে বলা হয়, প্রদীপ পরিকল্পিতভাবে আঘাত করে সিনহার দুটি হাড় ভেঙে দেন এবং গলায় পা চেপে ধরে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে লিয়াকত আলী পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সিনহার ওপর পরপর চারটি গুলি করেন, যা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে মৃত্যুর সরাসরি কারণ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।

হাইকোর্ট আরও জানায়, ষড়যন্ত্র, সহায়তা এবং সাধারণ অভিপ্রায়—সবই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের সাজাও যৌক্তিক; তাই রায়ের পরিবর্তনের কোনো ভিত্তি নেই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল নিয়ে পড়ে থাকলে পেটে ভাত আসবে না: মির্জা ফখরুল

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়: পরিকল্পিতভাবে মেজর সিনহাকে হত্যা নিশ্চিত করেন ওসি প্রদীপ

আপডেট সময় ১১:০১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

 

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডে ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ ও ‘পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে হাইকোর্ট। আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রদীপ জুতাসহ পা দিয়ে সিনহার বুকে জোরে আঘাত করেন এবং গলার বাম পাশে পা চেপে ধরে তাঁর মৃত্যুর নিশ্চয়তা নিশ্চিত করেন। প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এসব তথ্যকে প্রমাণিত করেছে।

বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের বেঞ্চ থেকে ৩৭৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। গত ২ জুন ঘোষিত রায়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া শাস্তি বহাল রাখা হয়েছে।

মামলায় মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকছে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এবং বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলীর।
এ ছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বরখাস্ত এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, সাগর দেব, রুবেল শর্মা এবং মামলার সাক্ষী নুরুল আমিন, নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

রায়ে বলা হয়, প্রদীপ পরিকল্পিতভাবে আঘাত করে সিনহার দুটি হাড় ভেঙে দেন এবং গলায় পা চেপে ধরে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে লিয়াকত আলী পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সিনহার ওপর পরপর চারটি গুলি করেন, যা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে মৃত্যুর সরাসরি কারণ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।

হাইকোর্ট আরও জানায়, ষড়যন্ত্র, সহায়তা এবং সাধারণ অভিপ্রায়—সবই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের সাজাও যৌক্তিক; তাই রায়ের পরিবর্তনের কোনো ভিত্তি নেই।