ঢাকা , বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সড়কবাতির প্রযুক্তি শিখতে ফ্রান্সে যাচ্ছেন রাসিক প্রশাসক প্যান্টে বসলো রানি মৌমাছি, মুহূর্তে যুবকের পশ্চাৎদেশে চাক বাঁধলো মৌমাছির ঝাঁক! পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানালেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর গরু পশু নয়, আমাদের মা: মুসলিম ধর্মীয় নেতাদের যোগী আদিত্যনাথ আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙাতে গিয়ে মৌমাছির কামড়ে সমর্থক আহত মোহাম্মদপুরে বাসার গেটে চাপাতি ঠেকিয়ে ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা একাই গিলে খাচ্ছেন জনগণের সকল বরাদ্দ ও সুযোগ সুবিধা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা একাই গিলে খাচ্ছেন জনগণের সকল বরাদ্দ ও সুযোগ সুবিধা বাসার গেটের সামনে ছিনতাইয়ের শিকার দুই নারী, গ্রেফতার ২ জামায়াত দেশের দায়িত্ব নিতে চায়: আযাদ

ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ২০টি সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৭:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটির নিখুঁত ও ব্যাপক হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২০টি সামরিক স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির ফ্যাক্টচেকিং ও অনুসন্ধান ইউনিটবিবিসি ভেরিফাই’-এর স্যাটেলাইট চিত্র এবং ভিডিও বিশ্লেষণে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এই বিশ্লেষণ থেকে স্পষ্ট যে, মার্কিন প্রশাসন এ পর্যন্ত প্রকাশ্যে ইরানের হামলার যে ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করেছে, প্রকৃত চিত্র তার চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ভূখণ্ডে একযোগে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, যার কোডনেম ছিলঅপারেশন এপিক ফিউরি মার্কিন পেন্টাগনের দাবি অনুযায়ী, তারা ইরানের প্রায় ১৩ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। তবে হোয়াইট হাউস যখন দাবি করছে তারা ইরানি সামরিক বাহিনীকে প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে, ঠিক তখনই ইরানের পাল্টা আক্রমণের নিখুঁত কৌশল মার্কিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। জর্ডান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার, কুয়েত, ইরাক, বাহরাইন ও ওমানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, রাডার ও জ্বালানি সরবরাহকারী যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। বিশ্লেষকদের মতে, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটির সংখ্যা ২৮টিও হতে পারে। বিবিসি ভেরিফাইয়ের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল রুওয়াইস ও আল সাদার এবং জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে থাকা তিনটি অত্যন্ত দামি ও আধুনিক অ্যান্টিব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যাটারি সিস্টেম (থাড) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে আমেরিকার কাছে মাত্র ৮টি এমন বিলিয়ন ডলার মূল্যেরথাডব্যাটারি রয়েছে, যা তৈরি এবং পরিচালনা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল। এ ব্যাপারে আয়ারল্যান্ডের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাবেক প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল মার্ক মেলেট বলেন, “এই ব্যাটারিগুলো একটি অত্যন্ত জটিল আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু, যা দ্রুত প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয়।

এছাড়া, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি ও জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্রে সেখানে বড় বড় গর্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত বিমান স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। এর মধ্যে ৭০ কোটি ডলার মূল্যের একটি৩ সেন্ট্রিনজরদারি বিমানও রয়েছে। পাশাপাশি কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং ক্যাম্প আরিফজানেও ইরানের হামলায় জ্বালানি বাংকার, বিমানের হ্যাঙ্গার ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ যন্ত্রপাতির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পেন্টাগনের হিসাবমতে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৪২টি বিমান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে এফ১৫, এফ৩৫ ফাইটার জেট এবং ২৪টি এমকিউ৯ রিপার ড্রোন রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা নিরাপত্তার অজুহাতে এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। উল্টো যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ সীমিত করার চেষ্টা করেছে। তারা প্রধান স্যাটেলাইট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানপ্ল্যানেট’-কে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের নতুন ছবি প্রকাশে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা আরোপের অনুরোধ জানায়। তবে বিবিসি ভেরিফাই অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও পুরোনো স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এই ক্ষয়ক্ষতির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

মার্কিন থিংকট্যাংক স্টিমসন সেন্টারের বিশ্লেষক কেলি গ্রিকোর মতে, ইরান শুরুতে বিপুল পরিমাণ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করে এবং পরবর্তীতে নিখুঁতভাবে নির্দিষ্ট উচ্চমূল্যের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানে। অন্যদিকে, মার্কিন বাহিনী প্রথমদিকের হামলার পরও বিমানগুলো নিরাপদ দূরত্বে না সরিয়ে এক ধরনেরআত্মতুষ্টিরপরিচয় দিয়েছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। এদিকে গত মে মাসে পেন্টাগনের একটি অনুমিত হিসাবেঅপারেশন এপিক ফিউরি’-র মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯ বিলিয়ন ডলার, যার একটি বড় অংশই যাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত সরঞ্জাম মেরামতে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এক বিবৃতিতে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের আর কোনো নিরাপদ স্থান থাকবে না।

বর্তমানে দুই দেশের মধ্যকার নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি নতুন করে হুমকির মুখে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যদি এই যুদ্ধবিরতি ভেঙে আবার সংঘাত শুরু হয়, তবে মার্কিন বাহিনী বড় বিপদে পড়বে। কারণ পূর্ববর্তী সংঘাতের ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগীদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত অনেকটাই ফুরিয়ে এসেছে, যা দ্রুত পূরণ করা অসম্ভব। ফলে নতুন কোনো হামলা হলে তা মোকাবিলা করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত কঠিন হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়কবাতির প্রযুক্তি শিখতে ফ্রান্সে যাচ্ছেন রাসিক প্রশাসক

ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ২০টি সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় ১০:৫৭:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

এবার ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটির নিখুঁত ও ব্যাপক হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২০টি সামরিক স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির ফ্যাক্টচেকিং ও অনুসন্ধান ইউনিটবিবিসি ভেরিফাই’-এর স্যাটেলাইট চিত্র এবং ভিডিও বিশ্লেষণে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এই বিশ্লেষণ থেকে স্পষ্ট যে, মার্কিন প্রশাসন এ পর্যন্ত প্রকাশ্যে ইরানের হামলার যে ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করেছে, প্রকৃত চিত্র তার চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ভূখণ্ডে একযোগে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, যার কোডনেম ছিলঅপারেশন এপিক ফিউরি মার্কিন পেন্টাগনের দাবি অনুযায়ী, তারা ইরানের প্রায় ১৩ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। তবে হোয়াইট হাউস যখন দাবি করছে তারা ইরানি সামরিক বাহিনীকে প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে, ঠিক তখনই ইরানের পাল্টা আক্রমণের নিখুঁত কৌশল মার্কিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। জর্ডান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার, কুয়েত, ইরাক, বাহরাইন ও ওমানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, রাডার ও জ্বালানি সরবরাহকারী যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। বিশ্লেষকদের মতে, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটির সংখ্যা ২৮টিও হতে পারে। বিবিসি ভেরিফাইয়ের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল রুওয়াইস ও আল সাদার এবং জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে থাকা তিনটি অত্যন্ত দামি ও আধুনিক অ্যান্টিব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যাটারি সিস্টেম (থাড) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে আমেরিকার কাছে মাত্র ৮টি এমন বিলিয়ন ডলার মূল্যেরথাডব্যাটারি রয়েছে, যা তৈরি এবং পরিচালনা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল। এ ব্যাপারে আয়ারল্যান্ডের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাবেক প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল মার্ক মেলেট বলেন, “এই ব্যাটারিগুলো একটি অত্যন্ত জটিল আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু, যা দ্রুত প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয়।

এছাড়া, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি ও জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্রে সেখানে বড় বড় গর্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত বিমান স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। এর মধ্যে ৭০ কোটি ডলার মূল্যের একটি৩ সেন্ট্রিনজরদারি বিমানও রয়েছে। পাশাপাশি কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং ক্যাম্প আরিফজানেও ইরানের হামলায় জ্বালানি বাংকার, বিমানের হ্যাঙ্গার ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ যন্ত্রপাতির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পেন্টাগনের হিসাবমতে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৪২টি বিমান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে এফ১৫, এফ৩৫ ফাইটার জেট এবং ২৪টি এমকিউ৯ রিপার ড্রোন রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা নিরাপত্তার অজুহাতে এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। উল্টো যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ সীমিত করার চেষ্টা করেছে। তারা প্রধান স্যাটেলাইট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানপ্ল্যানেট’-কে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের নতুন ছবি প্রকাশে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা আরোপের অনুরোধ জানায়। তবে বিবিসি ভেরিফাই অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও পুরোনো স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এই ক্ষয়ক্ষতির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

মার্কিন থিংকট্যাংক স্টিমসন সেন্টারের বিশ্লেষক কেলি গ্রিকোর মতে, ইরান শুরুতে বিপুল পরিমাণ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করে এবং পরবর্তীতে নিখুঁতভাবে নির্দিষ্ট উচ্চমূল্যের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানে। অন্যদিকে, মার্কিন বাহিনী প্রথমদিকের হামলার পরও বিমানগুলো নিরাপদ দূরত্বে না সরিয়ে এক ধরনেরআত্মতুষ্টিরপরিচয় দিয়েছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। এদিকে গত মে মাসে পেন্টাগনের একটি অনুমিত হিসাবেঅপারেশন এপিক ফিউরি’-র মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯ বিলিয়ন ডলার, যার একটি বড় অংশই যাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত সরঞ্জাম মেরামতে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এক বিবৃতিতে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের আর কোনো নিরাপদ স্থান থাকবে না।

বর্তমানে দুই দেশের মধ্যকার নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি নতুন করে হুমকির মুখে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যদি এই যুদ্ধবিরতি ভেঙে আবার সংঘাত শুরু হয়, তবে মার্কিন বাহিনী বড় বিপদে পড়বে। কারণ পূর্ববর্তী সংঘাতের ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগীদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত অনেকটাই ফুরিয়ে এসেছে, যা দ্রুত পূরণ করা অসম্ভব। ফলে নতুন কোনো হামলা হলে তা মোকাবিলা করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত কঠিন হবে।