ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ককরোচ’দের আন্দোলনকে সমর্থন করায় ভারতে গ্রেপ্তার ৩ মুসলিম তরুণ দেশের ৭৬.৫% টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, প্রথম বৈজ্ঞানিক গবেষণায় উদ্বেগ গুনে গুনে ঘুষ নেওয়া ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হাসিনার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব নিয়েছে বিএনপি: মাহমুদা মিতু জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর খাওয়ার পানির ট্যাংকে বিষ দিয়েছে সন্ত্রাসীরা: পুলিশ বিচার ও সংস্কারে কোনো আপস করবে না এনসিপি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া সরকারের সামনে বিকল্প পথ নেই: মামুনুল হক ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গ্রিন সিগনালে কক্সবাজার-গাজীপুরে ছাত্রলীগের মিছিল’: ফেসবুক পোস্টে সারজিস আলম ইসি সচিবালয়ে ‘দলীয় ব্যক্তিকে’ নিয়োগ দেওয়া নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য হুমকি: জামায়াত

বিক্ষোভে যোগ দিতে দেশে ফিরলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ১২৭ বার পড়া হয়েছে

এবার দিল্লির যন্তরমন্তরে আজ শনিবার (৬ জুন) প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ভারতের জেনজি নেতৃত্বাধীন অনলাইন আন্দোলন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) কর্মসূচিতে যোগ দিতে এরই মধ্যে আমেরিকা থেকে দেশে ফিরেছেন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র অভিজিৎ দীপকে (৩০)সানডে গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন মতে, আজ শনিবার (৬ জুন) সকাল প্রায় ৮টায় দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন অভিজিৎ দিপকে। সেখান থেকে বিক্ষোভের জন্য অনুমতি নিতে তিনি সরাসরি পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। অভিজিৎ দিপকে রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছে বলেন, তিনিযন্তর মন্তরে সবার সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘আমাদের এই আন্দোলন ভালোবাসা ও শান্তির মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে।

খবরে বলা হয়েছে, তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যন্তর মন্তরে একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি চাইতে থানায় যাচ্ছেন। এরই মধ্যে আন্দোলনের সমর্থক ও শিক্ষার্থীদের সকাল ৯টা থেকে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার সামনে জড়ো হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে শিক্ষা সংস্কারক ও জলবায়ু আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুক জানিয়েছেন, তিনিও এই আন্দোলনে যোগ দেবেন। যন্তর মন্তরে পরিকল্পিত বিক্ষোভের আগে সিজেপির ডিজিটাল শাখার মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেছেন যে, তারা আশাবাদী যেএটা ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী দিন হবে।’ 

এদিকে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার (৬ জুন) যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভের জন্য ডিজিটাল সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমতির আবেদন তাদের কাছে পৌঁছায়নি। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজধানী নয়াদিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য সমাবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এক হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে। পরিকল্পিত এই বিক্ষোভের মূল দাবি হলো, এনইইটিইউজি, সিবিএসই, সিইউইটিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক জাতীয় পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও কাঠামোগত অনিয়মের দায়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্বে পদত্যাগ। যন্তর মন্তরে অনুমতি চাওয়া এই কর্মসূচিতেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হবে। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আজ দিল্লির যন্তর মন্তরে তাদের প্রথম বৃহৎ মাঠপর্যায়ের যুব আন্দোলনের আয়োজন করছে। অনলাইন ব্যঙ্গবিদ্রূপভিত্তিক আন্দোলন থেকে বাস্তব রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচিতে রূপান্তরের অংশ হিসেবেই এই প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আন্দোলনকারীরা এনইইটিইউজি ২০২৬, সিইউইটি,এসএসসি জিডি এবং সিবিএসইএর অনস্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) মূল্যায়ন ব্যবস্থায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তুলে ধরছেন।

এর আগে চলতি সপ্তাহে দিপকে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে তিনি ৬ জুন বোস্টন থেকে ভারতে ফিরবেন এবং বিভিন্ন জাতীয় পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করবেন। গত বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলন করেন ককরোচ জনতা পার্টি। সংবাদ সম্মেলন থেকে নেতারা এনইইটি, সিবিএসই ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও  ফলাফলের ত্রুটিসহ নানা বিতর্কের কারণে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানান। পাশাপাশি দাবি আদায়ে তারা শনিবার (৬ জুন) রাজপথে প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) অভিযোগ করে, এনইইটি, এসএসসি, সিবিএসইসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় বড় ধরনের অনিয়ম হয়েছে। এতে লাখ লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ব্যর্থতার জন্য সরকার ও শিক্ষামন্ত্রীকে জবাবদিহি করতে হবে।

সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টির শুরু হয় একটি ব্যঙ্গাত্মক সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণা থেকে। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বেকার যুবকদের কিছু অংশকেককরোচপরজীবীবলায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিজিৎ দীপকে ককরোচ জনতা পার্টিসিজেপি নামে নতুন দল গঠনের ঘোষণা দেন। এরপর এটা একটা বড় যুব আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। যদিও এটা এখনও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয়, এরপরও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এর ফলোয়ারের সংখ্যা এরই মধ্যে ২ কোটি ২০ লাখ ছাড়িয়েছে। যা ক্ষমতাসীন দল বিজেপির প্রায় দ্বিগুণ। ককরোচ জনতা পার্টিসিজেপি একটি ওয়েবসাইটও চালু করে। তবে চালুর মাত্র কয়েক দিনের মাথায় তাদের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘তেলাপোকা দেখে তাদের এত ভয় কেন?’ তথ্যসূত্র: খবর দ্য হিন্দু ও সানডে গার্ডিয়ান

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ককরোচ’দের আন্দোলনকে সমর্থন করায় ভারতে গ্রেপ্তার ৩ মুসলিম তরুণ

বিক্ষোভে যোগ দিতে দেশে ফিরলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা

আপডেট সময় ১২:০৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

এবার দিল্লির যন্তরমন্তরে আজ শনিবার (৬ জুন) প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ভারতের জেনজি নেতৃত্বাধীন অনলাইন আন্দোলন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) কর্মসূচিতে যোগ দিতে এরই মধ্যে আমেরিকা থেকে দেশে ফিরেছেন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র অভিজিৎ দীপকে (৩০)সানডে গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন মতে, আজ শনিবার (৬ জুন) সকাল প্রায় ৮টায় দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন অভিজিৎ দিপকে। সেখান থেকে বিক্ষোভের জন্য অনুমতি নিতে তিনি সরাসরি পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। অভিজিৎ দিপকে রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছে বলেন, তিনিযন্তর মন্তরে সবার সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘আমাদের এই আন্দোলন ভালোবাসা ও শান্তির মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে।

খবরে বলা হয়েছে, তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যন্তর মন্তরে একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি চাইতে থানায় যাচ্ছেন। এরই মধ্যে আন্দোলনের সমর্থক ও শিক্ষার্থীদের সকাল ৯টা থেকে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার সামনে জড়ো হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে শিক্ষা সংস্কারক ও জলবায়ু আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুক জানিয়েছেন, তিনিও এই আন্দোলনে যোগ দেবেন। যন্তর মন্তরে পরিকল্পিত বিক্ষোভের আগে সিজেপির ডিজিটাল শাখার মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেছেন যে, তারা আশাবাদী যেএটা ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী দিন হবে।’ 

এদিকে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার (৬ জুন) যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভের জন্য ডিজিটাল সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমতির আবেদন তাদের কাছে পৌঁছায়নি। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজধানী নয়াদিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য সমাবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এক হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে। পরিকল্পিত এই বিক্ষোভের মূল দাবি হলো, এনইইটিইউজি, সিবিএসই, সিইউইটিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক জাতীয় পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও কাঠামোগত অনিয়মের দায়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্বে পদত্যাগ। যন্তর মন্তরে অনুমতি চাওয়া এই কর্মসূচিতেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হবে। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আজ দিল্লির যন্তর মন্তরে তাদের প্রথম বৃহৎ মাঠপর্যায়ের যুব আন্দোলনের আয়োজন করছে। অনলাইন ব্যঙ্গবিদ্রূপভিত্তিক আন্দোলন থেকে বাস্তব রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচিতে রূপান্তরের অংশ হিসেবেই এই প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আন্দোলনকারীরা এনইইটিইউজি ২০২৬, সিইউইটি,এসএসসি জিডি এবং সিবিএসইএর অনস্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) মূল্যায়ন ব্যবস্থায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তুলে ধরছেন।

এর আগে চলতি সপ্তাহে দিপকে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে তিনি ৬ জুন বোস্টন থেকে ভারতে ফিরবেন এবং বিভিন্ন জাতীয় পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করবেন। গত বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলন করেন ককরোচ জনতা পার্টি। সংবাদ সম্মেলন থেকে নেতারা এনইইটি, সিবিএসই ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও  ফলাফলের ত্রুটিসহ নানা বিতর্কের কারণে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানান। পাশাপাশি দাবি আদায়ে তারা শনিবার (৬ জুন) রাজপথে প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) অভিযোগ করে, এনইইটি, এসএসসি, সিবিএসইসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় বড় ধরনের অনিয়ম হয়েছে। এতে লাখ লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ব্যর্থতার জন্য সরকার ও শিক্ষামন্ত্রীকে জবাবদিহি করতে হবে।

সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টির শুরু হয় একটি ব্যঙ্গাত্মক সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণা থেকে। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বেকার যুবকদের কিছু অংশকেককরোচপরজীবীবলায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিজিৎ দীপকে ককরোচ জনতা পার্টিসিজেপি নামে নতুন দল গঠনের ঘোষণা দেন। এরপর এটা একটা বড় যুব আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। যদিও এটা এখনও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয়, এরপরও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এর ফলোয়ারের সংখ্যা এরই মধ্যে ২ কোটি ২০ লাখ ছাড়িয়েছে। যা ক্ষমতাসীন দল বিজেপির প্রায় দ্বিগুণ। ককরোচ জনতা পার্টিসিজেপি একটি ওয়েবসাইটও চালু করে। তবে চালুর মাত্র কয়েক দিনের মাথায় তাদের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘তেলাপোকা দেখে তাদের এত ভয় কেন?’ তথ্যসূত্র: খবর দ্য হিন্দু ও সানডে গার্ডিয়ান