ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে লাখো মানুষের শোক দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, তিনি ভেবেছিলেন ইরানের জনগণ খামেনিকে ঘৃণা করে। কিন্তু শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে মানুষের উপস্থিতি ও কান্না দেখে সেই ধারণা বদলে গেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি তেহরানের গ্র্যান্ড মোসল্লায় আয়োজিত খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণ করছিলেন। সেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষের শোক প্রকাশ তাকে বিস্মিত করেছে।
ট্রাম্পের ভাষায়, “আমি ভেবেছিলাম ইরানের মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করে। এত মানুষকে কাঁদতে দেখে অবাক হয়েছি। যদিও হয়তো সেই কান্না ভুয়া ছিল।”
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরান একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে মরিয়া। খামেনির শেষ বিদায়ের কর্মসূচির কারণে উভয় পক্ষ এক সপ্তাহের জন্য আলোচনা স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কেউ কারও ওপর হামলা চালাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
একই সঙ্গে ট্রাম্প বলেন, চাইলে এক হামলায় শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে হত্যা করা সম্ভব ছিল। তবে তাতে ভবিষ্যৎ আলোচনার সুযোগ নষ্ট হয়ে যেত বলেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এদিকে ট্রাম্প জানান, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হোয়াইট হাউসে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তার ভাষায়, দুই দেশের সম্পর্ক খুবই ভালো এবং খুব শিগগিরই এ বৈঠক হতে পারে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ফোনে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু শিগগিরই মুখোমুখি বৈঠকে বসার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
তবে পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই ট্রাম্পের সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক ব্যস্ততার কারণে বৈঠকটি আগামী সপ্তাহে নয়, তার পরের সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























