পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে একটি সামরিক ক্যাম্পে আত্মঘাতী হামলার দায় স্বীকার করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সশস্ত্র সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি, বা বিএলএ। সংগঠনটির দাবি, এই হামলায় আধাসামরিক বাহিনীর ৩০ জনের বেশি সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে পাকিস্তান সরকার এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
বিএলএর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় গোয়াদর জেলার উপকূলীয় শহর জিওয়ানির পানওয়ান কোস্ট গার্ড ক্যাম্পে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়।
সংগঠনটির দাবি, বিস্ফোরণের পর তাদের ‘ফতেহ স্কোয়াড’-এর সদস্যরা ক্যাম্পে প্রবেশ করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলা চালায়। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও সদস্য আটকে থাকায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও দাবি করেছে তারা।
বেলুচিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য বেলুচিস্তান পোস্ট জানিয়েছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জিওয়ানির পানওয়ান এলাকায় অবস্থিত পাকিস্তান কোস্ট গার্ডের একটি ক্যাম্পই ছিল হামলার লক্ষ্য।
বিএলএর মুখপাত্র জিয়ান্দ বেলুচের নামে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের বিশেষ ইউনিট ‘মাজিদ ব্রিগেড’ এই আত্মঘাতী অভিযান পরিচালনা করেছে।
তবে সংগঠনটি ৩০ জনের বেশি নিরাপত্তা সদস্য নিহত হওয়ার দাবি করলেও পাকিস্তানের সামরিক বা বেসামরিক কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত হতাহতের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
দীর্ঘদিন ধরেই বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনী ও সরকারি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে বিএলএ। সর্বশেষ এই হামলা আবারও প্রদেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং চলমান সংঘাতকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 




















