বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরানোর উদ্যোগে নতুন অগ্রগতির কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ। সরকারের অনুরোধে ইউরোপের তিনটি দেশে ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের কিছু সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। তবে এখন প্রশ্ন, এসব সম্পদ বিক্রি করে অর্থ দেশে ফিরতে আর কত সময় লাগবে?
সম্প্রতি সাইপ্রাসের রাজধানী নিকোশিয়ার একটি আদালত এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের মালিকানাধীন একটি বিলাসবহুল বাড়ি জব্দের নির্দেশ দিয়েছে। ব্যাংক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থের অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় ডজন দেশ ও অঞ্চলের তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট—বিএফআইইউ। এসব দেশের সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযুক্তদের সম্পদ জব্দের অনুরোধ পাঠানো হয়েছে।
এরই মধ্যে যুক্তরাজ্য, আইল অব ম্যান এবং সাইপ্রাসে কিছু সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, প্রতিটি দেশ তাদের নিজস্ব আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়। তাই অন্য দেশগুলোর ক্ষেত্রে সম্পদ জব্দের প্রক্রিয়াও সময়সাপেক্ষ।
বিশ্লেষকদের মতে, সম্পদ জব্দ হওয়া পাচারের অর্থ ফেরানোর পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও, অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে এখনো আইনি ও কূটনৈতিক নানা ধাপ পেরোতে হবে। ফলে এই প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও সময় লাগতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























